বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস বইটি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের স্মৃতিকথা। এটি শুধু জামায়াতের ১৯৭১ সালের ভুলগুলোর বিবরণ নয়; এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে গোপনীয় রাজনৈতিক দলগুলোর একটি কীভাবে পরিচালিত হয় এবং স্বাধীনতার পর থেকে দলটির নেতৃত্বকে প্রভাবিত করা বিভিন্ন যুক্তি ও বিতর্ক কীভাবে গড়ে উঠেছে, তার একটি বিরল ও অকপট চিত্র তুলে ধরে। ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের স্মৃতিকথা নিয়ে লিখেছেন ডেভিড বার্গম্যান
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ৩৩ বছরের সম্পর্ক নিয়ে দলটির সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল আবদুর রাজ্জাকের মরণোত্তর প্রকাশিত স্মৃতিকথায় তিনি কোনো রাখঢাক করেননি। দলের একসময়কার গুরুত্বপূর্ণ এই নেতা স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন, দলের নেতৃত্ব ‘বেশ কয়েকটি নীতিগত ভুল ও মারাত্মক ভুল সিদ্ধান্ত’ নিয়েছে এবং এখন দলটি ‘অস্তিত্বের সংকটে’ পড়েছে।
সম্ভবত আবদুর রাজ্জাক এ মূল্যায়ন করেছিলেন ২০২৪ সালের জুলাইয়ের অনেকটাই অপ্রত্যাশিত গণ–অভ্যুত্থানের আগে। ওই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক পুনরুত্থানের পথ তৈরি হয়।
দুঃখজনকভাবে, রাজ্জাক ২০২৫ সালের মে মাসে ক্যানসারে মারা যান। ফলে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের অভূতপূর্ব সাফল্য তিনি দেখে যেতে পারেননি। ওই নির্বাচনে দলটি ৩২ শতাংশ ভোট পেয়ে সংসদে ৬৮টি আসন লাভ করে। দলের ইতিহাসে এটাই ছিল সবচেয়ে বড় নির্বাচনী সাফল্য। ফলে অন্তত রাজনৈতিক বাস্তবতায় জামায়াতের জন্য অস্তিত্বের কোনো সংকট দেখা যায়নি। কিন্তু আবদুর রাজ্জাক যে ‘ভুলগুলো’র কথা বলেছেন, সেগুলো কী?
এর কেন্দ্রে রয়েছে তিনটি বিষয়। ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফাভিত্তিক স্বায়ত্তশাসনের দাবির প্রতি জামায়াতের সমর্থন না দেওয়া; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত এবং দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও ওই যুদ্ধে নিজেদের ভূমিকার জন্য ক্ষমা না চাওয়া।
প্রশ্ন হলো, দলের বর্তমান রাজনৈতিক সাফল্যের পরও এই ‘ভুলগুলো’ কি আগামী দিনগুলোতে জামায়াতে ইসলামীর জন্য দুর্বলতার জায়গা হয়ে থাকবে? নাকি ২০২৪ সালের আগস্টের পর বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা জামায়াতকে তার অতীতের এসব প্রশ্নের রাজনৈতিক অভিঘাত থেকে কার্যত মুক্ত করে দিয়েছে?
প্রথম ভুলটির বিষয়ে আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে জনগণের মনোভাব বুঝতে জামায়াতের নেতৃত্ব ভয়াবহভাবে ব্যর্থ হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, ‘জামায়াত ছয় দফার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার পরপরই বাঙালির স্বার্থবিরোধী এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর স্বার্থের পক্ষে থাকা একটি শক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যায়।’
১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হওয়ার পর পশ্চিম পাকিস্তানের নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো নতুন সংসদ বর্জনের ঘোষণা দেন। আবদুর রাজ্জাক লিখেছেন, সে সময় জামায়াত প্রথম দিকে ‘জনগণের পক্ষে’ ছিল।
তৎকালীন দলীয় নেতা গোলাম আযম একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে ‘সংবিধান প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের’ জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু ২৬ মার্চ সেনাবাহিনীর অভিযান শুরু হওয়ার পর ‘জামায়াত তার অবস্থান পুরোপুরি পাল্টে ফেলে এবং সামরিক অভিযানকে সমর্থন করে’।
রাজ্জাকের মতে, জামায়াতের এ অবস্থান তাদেরই আগের একটি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ছিল। দলের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতের শুরা আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, আওয়ামী লীগ একতরফাভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করলে কিংবা সেনাবাহিনী দমন-পীড়ন শুরু করলে ‘জামায়াত কোনো পক্ষকেই সমর্থন করবে না’।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে জামায়াতের সমর্থনের সমালোচনায় আবদুর রাজ্জাক ছিলেন অত্যন্ত কঠোর। তিনি স্বীকার করেছেন, ওই বাহিনী ‘বাঙালি জনগণের ওপর নৃশংসতা চালিয়েছিল’। তাঁর মতে, ‘পাকিস্তানি সেনাবাহিনী থেকে নিজেদের আলাদা করতে’ জামায়াতের ব্যর্থতা ছিল ‘অনৈতিক ও ইসলামবিরোধী’।
তিনি আরও লিখেছেন, ‘পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সদস্যরা যে ধর্ষণ করেছে, তার কোনোভাবেই সাফাই দেওয়া সম্ভব নয়। শুধু এই একটি বিষয় বিবেচনা করলেও জামায়াতের উচিত ছিল সেনাবাহিনীর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে নেওয়া।’
# প্রথম ভুলটির বিষয়ে আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে জনগণের মনোভাব বুঝতে জামায়াতের নেতৃত্ব ভয়াবহভাবে ব্যর্থ হয়েছিল।# ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে জামায়াতের সমর্থনের সমালোচনায় আবদুর রাজ্জাক ছিলেন অত্যন্ত কঠোর।
জামায়াতের তৃতীয় ভুল ছিল স্বাধীনতার পর নিজেদের ভুলের মুখোমুখি না হওয়া এবং এর জন্য ক্ষমা না চাওয়া। নেতৃত্বকে এ বিষয়ে রাজি করাতে আবদুর রাজ্জাক যে উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন, তার বিবরণ পুরো বইয়েই রয়েছে। সাবেক এই দলীয় নেতা লিখেছেন, ‘জামায়াত কেন এই বিষয়টির মোকাবিলা করেনি, তা বোধগম্য নয়।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘১৯৭১ সালে নিজেদের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে জামায়াত কেন কোনো বিস্তারিত ও যুক্তিনির্ভর বিবৃতি দেয়নি, সেটিও সমানভাবে বিস্ময়কর। অথচ এ বিষয়ে জামায়াতের বিরুদ্ধে বহু বই লেখা হয়েছে।’
প্রথম উদ্যোগটি নেওয়া হয় ১৯৯৪ সালের জুনে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ গোলাম আযমের নাগরিকত্ব বহাল রাখার পরপরই। একটি কমিটি গোলাম আযমের জন্য একটি বক্তব্য তৈরিতে তাঁকে সহায়তা করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলীয় নেতা শুধু বলেছিলেন, ‘অতীতে আমি যদি কোনো ভুল করে থাকি, তাহলে আমাকে ক্ষমা করবেন।’
এ বিষয়ে রাজ্জাক লিখেছেন, ‘অধ্যাপক আযমের বক্তব্য কোনোভাবেই ক্ষমা প্রার্থনা হিসেবে গণ্য হওয়ার মতো ছিল না। বরং গুরুতর একটি বিষয় মোকাবিলার ক্ষেত্রে এটি ছিল দায়সারা একটি প্রচেষ্টা।’
এরপর আরেকটি সুযোগ আসে ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটের সাফল্যের পর। সে সময় রাজ্জাক জামায়াতকে ১৯৭১ সালের বিষয়টি নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য উদ্যোগী হন। একটি খসড়া বিবৃতিও তৈরি করা হয়েছিল। এতে ‘একক পাকিস্তান রাষ্ট্রের পক্ষে জামায়াতের সমর্থনের কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছিল এবং ১৯৭১ সালে দলটির রাজনৈতিক ভূমিকার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়েছিল’।
জামায়াতের তিন নেতা—আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আবদুল কাদের মোল্লা এ প্রস্তাব সমর্থন করেছিলেন। পরে ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত হয়ে তাঁদের তিনজনেরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। কিন্তু তত দিনে জামায়াতের নেতা হয়ে যাওয়া মাওলানা নিজামী তাঁর অবস্থান পরিবর্তন করেন। ফলে ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগ আর বাস্তবায়িত হয়নি।
এর চার বছর পর, ২০০৫ সালের অক্টোবরে জামায়াতের ওয়ার্কিং কমিটিতে আবারও বিষয়টি ওঠে। এবারও প্রস্তাবটি ভোটে নাকচ হয়ে যায়।
রাজ্জাক লিখেছেন, ‘যাঁরা প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেছিলেন, তাঁদের যুক্তি ছিল বিভিন্ন ধরনের।’ তিনি এর পক্ষে দেওয়া তিনটি প্রধান যুক্তির কথা উল্লেখ করেছেন।
প্রথমত, দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখার পক্ষে জামায়াতের অবস্থানে কোনো ভুল ছিল না।
দ্বিতীয়ত, ভারতের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আশঙ্কা ছিল যৌক্তিক।
তৃতীয়ত, আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্ররা জামায়াতের কোনো ক্ষমা প্রার্থনাই কখনো মেনে নেবে না।
১৯৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকার জন্য নিজের দলকে দিয়ে ক্ষমা চাওয়ানোর যে চেষ্টা আবদুর রাজ্জাক ২০১৯ সাল পর্যন্ত চালিয়ে গেছেন, তার জন্য তাঁকে প্রশংসা করা যেতে পারে। তবে তিনি সফল হলেও সেই ক্ষমা প্রার্থনা হতো সীমিত পরিসরের। কারণ, জামায়াত ও এর ছাত্রসংগঠনের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার যে অভিযোগ রয়েছে, সেই অপরাধগুলোর দায় সেই ক্ষমা প্রার্থনার আওতায় আসত না।
প্রকৃতপক্ষে, পুরো বইয়ে কোথাও আবদুর রাজ্জাক স্বীকার করেননি যে ১৯৭১ সালে জামায়াত কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এর সঙ্গে নিঃসন্দেহে তাঁর নিজের ভূমিকারও সম্পর্ক রয়েছে।
স্মৃতিকথায় তিনি লিখেছেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তিনি জামায়াতের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত দলের কয়েকজন নেতার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন।
# ‘পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সদস্যরা যে ধর্ষণ করেছে, কোনোভাবেই তার সাফাই দেওয়া সম্ভব নয়। শুধু এই একটি বিষয় বিবেচনা করলেও জামায়াতের উচিত ছিল সেনাবাহিনীর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে নেওয়া।’# রাজ্জাক মনে করেন, তিনি যদি জামায়াতের নেতৃত্বকে ১৯৭১ সালের অতীতের মুখোমুখি করাতে সফল হতেন, তাহলে আওয়ামী লীগ হয়তো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এসব মামলা শুরু করত না।
মজার বিষয় হলো, রাজ্জাক মনে করেন, তিনি যদি জামায়াতের নেতৃত্বকে ১৯৭১ সালের অতীতের মুখোমুখি করাতে সফল হতেন, তাহলে আওয়ামী লীগ হয়তো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এসব মামলা শুরু করত না। সে ক্ষেত্রে ২০১০ সালের তৎকালীন জামায়াত নেতৃত্বের মৃত্যুদণ্ডও হয়তো এড়ানো সম্ভব হতো
২০১৯ সালে আবদুর রাজ্জাক জামায়াত থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৭১ সালের বিষয়টি মোকাবিলা করতে দলের ব্যর্থতা ছিল তাঁর পদত্যাগের অন্যতম প্রধান কারণ।
তবে অন্যান্য ক্ষেত্রেও দলের সংস্কারে ব্যর্থতা, বিশেষ করে নারীদের আরও বেশি সম্পৃক্ত না করার বিষয়টিও তাঁর সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছিল। তত দিনে রাজ্জাক লন্ডনে নতুন জীবন গড়ে তুলেছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের হাতে নিজে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি হওয়া এড়াতে তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন।
জামায়াত থেকে পদত্যাগের পর তিনি আমার বাংলাদেশ পার্টি প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করেন। তাঁর আশা ছিল, দলটি ‘ইসলামিক রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠার প্রচলিত ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে ‘ইসলামি মূল্যবোধ ও নীতির ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক কল্যাণরাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠার দিকে মনোযোগ দেবে।
কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি দলটির প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকেও পদত্যাগ করেন। কারণ, তাঁর মতে, দলের কর্মসূচিতে ইসলামি মূল্যবোধ ও নীতিকে যথেষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
আকারে ছোট এই বইটি শুধু জামায়াতের ১৯৭১ সালের ভুলগুলোর বিবরণ নয়। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে গোপনীয় রাজনৈতিক দলগুলোর একটি কীভাবে পরিচালিত হয় এবং স্বাধীনতার পর থেকে দলটির নেতৃত্বকে প্রভাবিত করা বিভিন্ন যুক্তি ও বিতর্ক কীভাবে গড়ে উঠেছে, তার একটি বিরল ও অকপট চিত্র তুলে ধরে।
এখন জামায়াত জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক বিরোধী দল এবং এর ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি শক্তিশালী। কিন্তু রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ দলটিকে কি তার অতীতের বোঝা থেকে মুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে—কোনো ঐতিহাসিক ভুলের দায় স্বীকার না করেই—তা এখনো অনিশ্চিত।
(আবদুর রাজ্জাকের লেখা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় লেকশোর গ্র্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে। বইটির প্রকাশক ইউপিএল। অনুষ্ঠানে একাধিক বক্তা অংশ নেবেন।)
ডেভিড বার্গম্যান সাংবাদিক
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট: david.bergman.77377
ইংরেজি থেকে অনূদিত
*মতামত লেখকের নিজস্ব
সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b>
|
নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>