ব্রেকিং নিউজ
সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন IND vs NZ: ভারতের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজের আগে বিরাট ধাক্কা খেল নিউজ়িল্যান্ড, ছিটকে গেলেন অলরাউন্ডার হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে শর্ত দিল ইরান, কী চায় দেশটি প্রযুক্তির যুগেও ইংরেজি শেখা কেন শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ঘিওরে ১৫৩৬ একর খাসজমি, ভূমি অফিসে নেই পূর্ণাঙ্গ তথ্য আশুলিয়ায় ছড়িয়ে থাকা সিলিন্ডার ঘিরে আতঙ্ক, ঘুম নেই বাসিন্দাদের ইসরায়েল ম্যাচের আগে আইরিশ কোচ: ‘আমরা গণহত্যার বিরুদ্ধে খেলছি’ এশিয়ান গেমসে ছেলেদের ক্রিকেট—কী হতে পারে, কী জানা দরকার চিকিৎসকের পদ আছে ৪১টি, ২৫টিই শূন্য নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষকের জন্য সুখবর
জাতীয়

‘ভাই তো মারা গেলই, শেষবারের মতো মুখটা দেখতে চাই’

P
Prothom Alo অনলাইন ডেস্ক
4 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad

‘ভাই তো মারা গেলই, এখন শেষবারের মতো তাঁর মুখটা দেখতে চাই। লাশ দাফন করতে চাই। তাহলে কিছুটা হলেও আমাদের কষ্ট কমবে।’ কাঁদতে কাঁদতে ফোনে কথাগুলো বলছিলেন সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চাঁদপুরের মোহাম্মদ শফিকের ছোট ভাই মো. মোয়াজ্জেম হোসেন। আজ সোমবার দুপুরে প্রথম আলোকে তিনি এ কথা বলেন।

১০ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন শফিক (৫২)। মৃত্যুর ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও তাঁর মরদেহ এখনো দেশে পৌঁছায়নি।

শফিক চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের রাঢ়িকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন মেজ। প্রায় ২৬ বছর আগে সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়ে আছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের কাছে একটি এলাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন শফিক। ১০ সেপ্টেম্বর বাসা থেকে সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন তিনি। কিছুদূর যাওয়ার পর একটি দ্রুতগামী গাড়ি তাঁর সাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে সড়কে ছিটকে পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এর পর থেকে শফিকের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। মরদেহ দেশে কবে ফিরবে, সেই অপেক্ষায় দিন কাটছে পরিবারের।

শফিকের ছোট ভাই মোয়াজ্জেম জানান, সৌদিতে থাকা পরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাঁরা শফিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছেন। মরদেহ দেশে আনার জন্য তাঁরা জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইটি) যোগাযোগ করেছেন। দূতাবাসের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করতে পারেননি। কিছু জটিলতার কারণে মরদেহ দেশে আসতে দেরি হচ্ছে। তবে জটিলতা কিছুটা কেটেছে বলেও তাঁরা জানতে পেরেছেন।

মোয়াজ্জেম বলেন, শফিকের আয়েই তাঁদের সংসারের খরচ চলত। বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবারের আয়ের পথ অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে। এখন তাঁর চাওয়া, যত দ্রুত সম্ভব ভাইয়ের মরদেহ বাড়িতে আনা হোক।

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম প্রথম আলোকে বলেন, সৌদিপ্রবাসী ওই ব্যক্তির মরদেহ দেশে এনে দাফন সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।

বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>