ব্রেকিং নিউজ
বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে দাঁত দিয়ে কাটার চেষ্টা, যুবক নিহত গুমের তদন্ত পুলিশ করলে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে: জামায়াতের আমির Cricket News: ইনিংসে পাঁচ উইকেট, নয় দশক পুরনো রেকর্ড ভাঙলেন ৫১ বছরের ক্রিকেটার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে: ঐক্য পরিষদ নিজের গুম হওয়ার যে অভিজ্ঞতা বর্ণনা করলেন সালাহউদ্দিন আহমদ আক্কিনেনি নাগার্জুন সম্পর্কে এই ১০ চমকপ্রদ তথ্য জানতেন শতবর্ষে শহীদ মিনারে শতকণ্ঠে ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ নেপালে বন্যায় ভেসে এল ব্যাংকের লকার, এরপর শুরু হয় লুটপাট মরদেহের গোসলখানা নির্মাণ নিয়ে দুই পক্ষে সংঘর্ষ-গুলি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের সংস্কৃতি যেন আর ফিরে না আসে: নাহিদ ইসলাম
জাতীয়

ভাড়া পুনর্নির্ধারণসহ সরকারের কাছে ৬ দফা দাবি হিমাগার মালিকদের

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
আলু উৎপাদনে টানা দুই বছর উদ্বৃত্ত থাকলেও কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার শিল্প এখন গভীর আর্থিক সংকটের মুখে রয়েছে। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের কিস্তি, শ্রমিকের মজুরি, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় হিমাগার পরিচালনা করা আর সম্ভব হচ্ছে না বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির দাবি, ২০২৫ সালে সরকার প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণের সর্বোচ্চ ভাড়া ৬ টাকা ৭৫ পয়সা নির্ধারণ করলেও চলতি বছরে ব্যয় আরও বেড়েছে। কিন্তু সেই ভাড়া অপরিবর্তিত থাকায় অধিকাংশ হিমাগার লোকসানের মুখে পড়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু এ বক্তব্য তুলে ধরেন। আরও পড়ুন হিমাগারে গ্যাস লিকেজে ৫৭ হাজার বস্তা আলু নষ্ট তিনি বলেন, ২০২৫ সালে দেশে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়, যা দেশের চাহিদার তুলনায় প্রায় ২৫ লাখ মেট্রিক টন বেশি। ওই বছর দেশের ৩৫১টি হিমাগারে প্রায় ৩৪ লাখ মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করা হয়। তবে অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে অনেক কৃষক ন্যায্যমূল্য পাননি এবং উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হন। চলতি বছরও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে দেশে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়েছে, যা দেশের চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ মেট্রিক টন বেশি। এ বছরও ৩৫১টি হিমাগারে প্রায় ৩৪ লাখ মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ অবস্থায় ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে হিমাগার শিল্পে ব্যবহৃত বিদ্যুতের বাণিজ্যিক ট্যারিফ ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি শ্রমিকের মজুরি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, অ্যামোনিয়া গ্যাস, লুব্রিকেন্ট, যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ও বেড়েছে। কিন্তু এসব ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে ভাড়া সমন্বয় করা হয়নি। আরও পড়ুন সাভারে মিনি কোল্ড স্টোরেজ ঘুরে দেখল মার্কিন কৃষি বিভাগের প্রতিনিধিদল সংগঠনটি জানায়, তারা কৃষি মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার ভাড়া পুনর্নির্ধারণের আবেদন করেছে। এমনকি একটি কারিগরি কমিটিও বিষয়টি পর্যালোচনা করে সুপারিশ দিয়েছে। তবুও এখন পর্যন্ত সরকার নতুন ভাড়া নির্ধারণ করেনি। ৬ টাকা ৭৫ পয়সায় টিকে থাকা সম্ভব নয় সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, একটি ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার হিমাগারে ব্যাংক ঋণের সুদ ও কিস্তি এবং বিদ্যুৎ ব্যয় মিলিয়ে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণে খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৭ টাকা ১১ পয়সা। এর সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, অ্যামোনিয়া গ্যাস, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, লুব্রিকেন্টসহ অন্যান্য পরিচালন ব্যয় যোগ করলে প্রকৃত ব্যয় দাঁড়ায় প্রতি কেজিতে প্রায় ৯ টাকা ৬২ পয়সা। অথচ সরকার নির্ধারিত ভাড়া ৬ টাকা ৭৫ পয়সা হওয়ায় অধিকাংশ হিমাগার লোকসান গুনছে। আরও পড়ুন চামড়া শিল্পে ২ হাজার কোটি টাকার প্রি-ফাইন্যান্স স্কিম, ঋণ পাবেন যারা অ্যাসোসিয়েশনের ভাষ্য, এই অবস্থায় অনেক মালিক নিয়মিত ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে তারা ঋণখেলাপির ঝুঁকিতে পড়ছেন। ভাড়া বেশি নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয় এদিকে সংবাদ সম্মেলনে হিমাগার মালিকদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করা হয়। সংগঠনটির দাবি, সরকার নির্ধারিত ৬ টাকা ৭৫ পয়সার বেশি ভাড়া কোনো হিমাগার নেয়নি। কিছু ব্যক্তি বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ কৃষক ও প্রশাসনকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়। সংগঠনটির মতে, পরিচালন ব্যয়, মূল্যস্ফীতি এবং বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বাস্তবতা বিবেচনা করে আলু সংরক্ষণ ভাড়া যৌক্তিকভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হলে হিমাগার শিল্প টিকে থাকবে এবং কৃষকরাও দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হবেন। অন্যথায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষি অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত এই খাত বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে। এনএইচ/এমএমকে
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>