জাতীয়

খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে গুলি

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
5 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ প্রকল্পের স্থানে নিরাপত্তা প্রহরীকে মারধর ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর প্রকল্পের পরিচালক রেজাউল আলম বাদী হয়ে খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানায় মামলা করেছেন। মামলায় আসামিদের মধ্যে তিনজন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে লবণচরা থানার খোলাবাড়ীয়া সাকিনে নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের চলমান নির্মাণ প্রকল্পের স্থানে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতে মামলাটি করা হয়। মামলায় ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য তৌহিদুল ইসলাম আজাদ (৬০), পবিত্র কুমার সরকার (৪৫) এবং সৈয়দ মো. ওবাইদুল্লাহসহ (৫৫) অজ্ঞাতপরিচয় ৮-১০ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। আরও পড়ুন সবুজ হওয়ার পর থেকে খুলনায় কমেছে গরুর মাংস বিক্রি সূত্র জানায়, বিকেল পৌনে ৩টার দিকে প্রকল্প পরিচালক রেজাউল আলম তার সহকর্মীদের নিয়ে নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য নির্ধারিত স্থানে ভবন নির্মাণ বিষয়ে একটি বৈঠকে যান। বৈঠক শেষে দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে তিনি তার সহকর্মীদেরকে নিয়ে ক্যাম্পাসের দিকে রওয়ানা হন। এর কিছুক্ষণ পর চারটি মোটরসাইকেলযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ৮-১০ জন বিবাদী মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা প্রহরী মিলন করালীকে (৪৬) প্রকল্প পরিচালক ও তার সহকর্মীদের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং হুমকি- ধমকি দেন। মিলন করালী বহিরাগতদের চলে যাওয়ার জন্য বললে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা মারধর শুরু করেন। মিলন করালী হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য দৌড় দিলে একজন পিস্তল বের করে গুলি করেন। কিন্তু গুলিটি তখন তার গায়ে লাগেনি। পরবর্তীতে হামলাকারীরা মোটরসাইকেলযোগে দ্রুত পালিয়ে যান। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক রেজাউল আলম বলেন, বিবাদীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। ক্যাম্পাসের নির্মাণ কাজে বিঘ্নতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই হামলা করা হয়েছে। আরও পড়ুন দস্যু আতঙ্কে সুন্দরবন ছাড়ছেন বনজীবীরা, কমছে রাজস্ব আয় এ বিষয়ে লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনার তদন্ত চলমান। হামলাকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ড ঘিরে অস্থিরতা চলছে। ৫ আগস্টের পর বোর্ডের একাধিক সদস্য আত্মগোপনে চলে যান। নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন থেকেই অস্থিরতা চলমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য কানাই লাল সরকার জাগো নিউজকে বলেন, ‘হামলার ঘটনায় প্রকল্প পরিচালক একটি মামলা করেছেন। মামলার তিনজন আসামি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য। কিন্তু তারা দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সভা বা কার্যক্রমে উপস্থিত হন না। ওনাদের নামে মামলা থাকার কারণে ওনারা আসেন না।’ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিগত সময়ে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ হয়নি। ১২ বছর নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল। ৫ আগস্টের পর আমরা স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের উদ্যোগ নিই। কিন্তু বিভিন্ন কারণে তা স্থগিত ছিল। এখন আবার চালু হয়েছে। যারা হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন, তারা চান না স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ হোক।’ আরিফুর রহমান/এসআর/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>