বিজ্ঞাপন
মাগুরা মেডিকেল কলেজের অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উৎসবমুখর পরিবেশে মিলিত হয়েছেন প্রতিষ্ঠানের সাড়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর উদ্বোধন করেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১০টার সময় মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে এ দিবসের শুভ সূচনা করা হয়।
এ সময় মাগুরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাক্তার মো. কামরুল হাসান, মাগুরা সিভিল সার্জন ডাক্তার শামীম কবির, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মহসিন উদ্দিন ফকির, মাগুরা মেডিকেল কলেজের বিভাগীয় প্রধান ডাক্তার আব্দুল্লাহেল কাফি, মাগুরা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার আব্দুল হাইসহ কলেজের অধ্যাপক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বেলুন উড়ানোর শেষে শিক্ষার্থীরা নানা সাজে সজ্জিত হয়ে অংশ নেয় বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রায়। শোভাযাত্রাটি মাগুরা সদর হাসপাতাল থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রার পর মাগুরা মেডিকেল কলেজের হল রুমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান। স্মৃতিচারণ শেষে শিক্ষার্থীরা উন্মুক্ত আড্ডায় মিলিত হন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মাগুরা মেডিকেল কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সায়মা আলী বলেন, ‘আজ মাগুরা মেডিকেল কলেজের অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আজ সারাদিন আমরা আনন্দ করব, আড্ডা দেবো, খুব মজা হবে। অত্যন্ত পরিতাপের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, মাগুরা মেডিকেল কলেজের নিজস্ব কোনো ক্যাম্পাস নেই। নিজস্ব কোনো ক্যাম্পাস না থাকার কারণে আমরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছি না। চিকিৎসা বিদ্যায় আধুনিক প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব প্রয়োজন। যেটি আমাদের নাই। তাই অবিলম্বে কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের জোরালো দাবি, নিজস্ব ক্যাম্পাসের।’
মাগুরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাক্তার মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘মাগুরা মেডিকেল কলেজ ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। হাঁটি হাঁটি পা করে মাগুরা মেডিকেল কলেজ সপ্তম বছর পেরিয়ে অষ্টম বছরে পদার্পণ করলো। সপ্তম বছর পেরিয়ে গেলেও মাগুরা মেডিকেল কলেজ এখনো পায়নি তার নিজস্ব ক্যাম্পাস।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষক সংকট থাকলেও মাগুরা মেডিকেল কলেজ সাত বছরে খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের মধ্যে মেডিকেল পরীক্ষার ফলাফলে পরপর চারবার প্রথম স্থান ধরে রেখেছে। তাছাড়া অত্র কলেজ থেকে এক বছরের মধ্যে ১১ শিক্ষার্থী সাফল্যের সঙ্গে এফসিপিএস সম্পন্ন করেছেন। যা মাগুরা মেডিকেল কলেজের সবচেয়ে বড় অর্জন। আমরা চাই অবিলম্বে মাগুরা মেডিকেল কলেজের নিজস্ব ভবন হোক। যেখানে শিক্ষার্থীরা সৃজনশীলতার সঙ্গে পড়াশোনা করতে পারবে।’
মো. মিনারুল ইসলাম জুয়েল/কেজে/জেআইএম
বিজ্ঞাপন