ব্রেকিং নিউজ
আস্তে কথা বলুন প্লিজ: মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীকে ডেপুটি স্পিকার ইনস্টাগ্রামে এআই দিয়ে তৈরি প্রোফাইল শনাক্তে চালু হচ্ছে নতুন লেবেল শিয়ার ডিটেইলিংয়ে দক্ষিণি সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রীর বোল্ড লুক ছাঁটাইয়ের ‘কুড়াল’ এড়ালেন লাবুশেন রংপুরে চার খুন: এক ভরি উদ্ধার, বাকি স্বর্ণালংকার কোথায়, কী বলছে পুলিশ এশিয়ান গেমসে সোনা ছাড়া বিকল্প দেখছেন না সালাউদ্দিন সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের উৎপাদন সাময়িক বন্ধ যবিপ্রবিতে সপ্তাহব্যাপী ফিজিওথেরাপি সেবা ক্যাম্প ত্রিভুজ প্রেমের দ্বন্দ্বে প্রবাসী সিফাত হত্যা, প্রেমিকাসহ গ্রেফতার ৩ ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে গ্রহণযোগ্য হবে না, সেটা হোক শেখ হাসিনা বা আবুল কালাম আযাদ
জাতীয়

আমরা কি হাতে লেখার ক্ষমতা হারাচ্ছি, এতে কী ক্ষতি হতে পারে

P
Prothom Alo অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad

কি–বোর্ড ও টাচস্ক্রিনের এই যুগে আমাদের হাতের লেখার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।

স্ক্রিন আর কি–বোর্ডের দাপটে হাতের লেখা ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিল, পেন্টাগন কিংবা হোয়াইট হাউসের কোনো এক অফিসে একটানা কাজ করে চলেছে এক অদ্ভুত যন্ত্র। নাম অটোপেন।

যন্ত্রটি মানুষের স্বাক্ষর হুবহু নকল করে। একটি রোবোটিক হাতে কলম। মেমোরিতে সেভ করা নির্দেশ অনুযায়ী সেই কলম কাগজের পর কাগজে কোনো ক্ষমতাবান বা বিখ্যাত মানুষের সই করে যায়। দেখতে দারুণ আধুনিক মনে হলেও এই যন্ত্র নিয়ে মানুষের মিশ্র অনুভূতি আছে। কারণ, আমরা স্বাক্ষরের সঙ্গে মানুষের আবেগকে মেলাতে ভালোবাসি।

জর্জ ডব্লিউ বুশ যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, তখনকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ড একবার বড়সড় একটা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। কারণ, ছিল ওই অটোপেন।

যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের শোকগ্রস্ত পরিবারের কাছে তিনি যে সমবেদনাপত্র পাঠাতেন, সেসবে রামসফেল্ড নিজে সই না করে অটোপেন দিয়ে রোবোটিক সই করে পাঠিয়ে দিতেন! বিষয়টি আবিষ্কার করেন সাংবাদিকেরা। এ খবর প্রকাশিত হলে সাধারণ মানুষ ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন।

হাতের লেখা যে শুধু যোগাযোগের জন্যই জরুরি, তা কিন্তু নয়। এটি আমাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে দারুণভাবে যুক্ত। আপনি যখন কি–বোর্ডে টাইপ করেন, আর যখন কলম দিয়ে কাগজে লেখেন—এই দুই প্রক্রিয়ায় আপনার মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ আলাদাভাবে কাজ করে।

কিংবদন্তি গায়ক বব ডিলানও একই কাজ করে তোপের মুখে পড়েছিলেন। তাঁর লেখা ‘দ্য ফিলোসফি অব মডার্ন সং’ বইয়ের একটি সীমিত সংস্করণ বাজারে এসেছিল। দাম হাঁকা হয়েছিল প্রায় ৬০০ ডলার।

বইয়ের সঙ্গে একটি চকচকে সার্টিফিকেটও ছিল। সেখানে লেখা ছিল, ‘বব ডিলান নিজ হাতে এই বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন’। কিন্তু ভক্তরা ৬০০ ডলার দিয়ে বই কিনে যখন দেখলেন, সইগুলো অটোপেনের করা, তখন তাঁদের ক্ষোভ আর দেখে কে!

বব ডিলান বাধ্য হয়ে নিজের ফেসবুক পেজে একটি বিশাল স্ট্যাটাস দিয়ে ক্ষমা চেয়েছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, ‘বই প্রকাশের ডেডলাইন ঘাড়ের ওপর নিশ্বাস ফেলছিল। তখন আমাকে অটোপেন ব্যবহারের বুদ্ধি দিয়ে বলা হয়, শিল্প ও সাহিত্যের জগতে এটা নাকি ডালভাত!’

কিন্তু ভক্তরা সেই যুক্তি মানবেন কেন? কারণ, হাতের লেখা তো শুধু কয়েকটি কালির আঁচড় নয়, এর ভেতরে লুকিয়ে থাকে একটা মানুষের পুরো ব্যক্তিত্ব।

দুই

গবেষণায় দেখা গেছে, চিন্তাশীল প্রশ্নের উত্তরে হাতে লেখা শিক্ষার্থীরা ল্যাপটপওয়ালাদের চেয়ে অনেক ভালো ফলাফল করেছে

আপনি যদি পুরোনো কোনো লাইব্রেরিতে বসে শত বছর আগের কোনো ব্যক্তির হাতে লেখা চিঠি বা ডায়েরি পড়েন, তবে একটা অদ্ভুত ব্যাপার খেয়াল করবেন। হয়তো হাতের লেখার ধরন দেখেই সেই মৃত ব্যক্তির মনের অবস্থা বুঝে ফেলতে পারবেন আপনি।

হয়তো দেখবেন, দারুণ উত্তেজনার কোনো কথা লিখতে গিয়ে লোকটার হাতের লেখা ছোট ও মাকড়সার জালের মতো হিজিবিজি হয়ে গেছে। আবার পরের পৃষ্ঠায় হয়তো মধ্যযুগীয় কোনো সন্ন্যাসীর মতো পরম যত্নে গুছিয়ে প্রতিটি শব্দ লিখেছেন।

ক্যালিগ্রাফিস্ট বার্নার্ড মাইসনারের মতে, ‘হাতের লেখা বা ক্যালিগ্রাফির কাজই হলো মানুষের ভেতরের সেই বৈচিত্র্য ও সংবেদনশীলতা ফুটিয়ে তোলা; রোবটের মতো বারবার একই জিনিসের জন্ম দেওয়া নয়।’

২০০০ সালের কথা। লস অ্যাঞ্জেলেসের সেডারস-সিনাই হাসপাতালের চিকিৎসকদের হঠাৎ একটা হাতের লেখা শেখার কোর্সে ভর্তি হতে হলো।

চিকিৎসকদের হাতের লেখা এমনিতে বিশ্বজুড়েই হাসির খোরাক। কিন্তু এই হাসির আড়ালে যে কত বড় বিপদ লুকিয়ে আছে, তা হয়তো আমরা অনেকেই ভেবে দেখি না। ওই হাসপাতালের চিফ অব মেডিক্যাল স্টাফ বাধ্য হয়ে বলেই বসলেন, ‘আমাদের বেশির ভাগ চিকিৎসকের হাতের লেখাই পড়ার অযোগ্য!’

অন্য যেকোনো পেশায় হাতের লেখা খারাপ হলে হয়তো একটু বকা শুনতে হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের বেলায় এই খারাপ হাতের লেখা আক্ষরিক অর্থেই মানুষের জীবন কেড়ে নিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে একবার এক ফার্মাসিস্ট চিকিৎসকের লেখা প্রেসক্রিপশন ঠিকমতো পড়তে না পেরে ভুল ওষুধ দিয়ে বসেন। সেই ওষুধ খেয়ে রোগীর মৃত্যু হয়। পরে আদালত ওই চিকিৎসককে সাড়ে চার লাখ ডলার জরিমানা করেছিলেন।

আজকাল কম্পিউটারে রোগীর তথ্য সেভ করে রাখার চল শুরু হলেও চিকিৎসকদের এখনো প্রচুর নোট বা প্রেসক্রিপশন হাতেই লিখতে হয়।

তিন

হাতের লেখা যে শুধু যোগাযোগের জন্যই জরুরি, তা কিন্তু নয়। এটি আমাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে দারুণভাবে যুক্ত

হাতের লেখা যে শুধু যোগাযোগের জন্যই জরুরি, তা কিন্তু নয়। এটি আমাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে দারুণভাবে যুক্ত। আপনি যখন কি–বোর্ডে টাইপ করেন, আর যখন কলম দিয়ে কাগজে লেখেন—এই দুই প্রক্রিয়ায় আপনার মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ আলাদাভাবে কাজ করে।

প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী প্যাম মুলার ও ড্যানিয়েল ওপেনহাইমার একবার একটা গবেষণা করেছিলেন। তাঁরা দেখতে চেয়েছিলেন, ক্লাসে ল্যাপটপে নোট নিলে এবং হাতে লিখে নোট নিলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কেমন প্রভাব পড়ে।

আগের গবেষণাগুলো বলত, ক্লাসে ল্যাপটপ ব্যবহার করলে শুধু মনোযোগ নষ্ট হয়। কিন্তু মুলার ও ওপেনহাইমার দেখলেন, সমস্যা আরও গভীরে।

তাঁরা দেখলেন, ল্যাপটপে টাইপ করা শিক্ষার্থীরা ক্লাসে যা শুনছেন, তার পুরোটাই অন্ধের মতো টাইপ করে যাচ্ছেন। তাঁরা কথাগুলো নিয়ে ভাবছেন না। অন্যদিকে যাঁরা হাতে লিখছেন, তাঁরা চাইলেও স্যারের সব কথা ওই স্পিডে লিখতে পারছেন না।

ফলে তাঁরা বাধ্য হয়ে স্যারের কথাগুলো মাথার ভেতর প্রক্রিয়াজাত করে, নিজের মতো করে ছোট করে খাতায় লিখছেন। এই যে মস্তিষ্ককে একটু খাটিয়ে নিজের মতো করে গুছিয়ে নেওয়া, এটাই হলো আসল শেখা।

গবেষণায় দেখা গেল, চিন্তাশীল প্রশ্নের উত্তরে হাতে লেখা শিক্ষার্থীরা ল্যাপটপওয়ালাদের চেয়ে অনেক ভালো ফলাফল করেছেন। অর্থাৎ, টাইপ করার গতির চেয়ে হাতে লেখার এই ধীরগতি আমাদের কোনো কিছু ভালোভাবে মনে রাখতে সাহায্য করে।

হাতে লেখা একটা দারুণ শারীরিক পরিশ্রমও বটে। মার্কিন ঔপন্যাসিক মেরি গর্ডন মনে করেন, ‘এই পরিশ্রমের ভেতরেই একটি আনন্দ লুকিয়ে আছে। কলম, কাগজ ও কালির এই শারীরিক অস্তিত্ব আমাদের বুঝিয়ে দেয়, আমরা রক্ত–মাংসের মানুষ, কোনো ভার্চ্যুয়াল জগতের ভূত নই।’

স্ক্রিন আর কি–বোর্ডের দাপটে হাতের লেখা ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। এটা কোনো ছোটখাটো ঘটনা নয়। হাজার হাজার বছর ধরে গড়ে ওঠা একটা মানবিক অভিজ্ঞতার বিলুপ্তি ঘটছে আমাদের চোখের সামনেই।
‘কলম, কাগজ ও কালির এই শারীরিক অস্তিত্ব আমাদের বুঝিয়ে দেয়, আমরা রক্ত–মাংসের মানুষ, কোনো ভার্চ্যুয়াল জগতের ভূত নই’

হাতে লেখার এই শক্তির প্রমাণ সাহিত্যেও প্রচুর পাওয়া যায়। চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত উপন্যাস ‘ব্লিক হাউস’-এর কথাই ধরুন। লেডি ডেডলক একটি আইনি নথিতে হঠাৎ তার পুরোনো প্রেমিকের হাতের লেখা চিনতে পারেন।

অথচ তিনি জানতেন, ওই লোক কবেই মারা গেছে! এই একটা হাতের লেখাই উপন্যাসের পুরো মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং লেডি ডেডলকের সবচেয়ে বড় গোপন রহস্যটি ফাঁস করে দেয়।

হাতের লেখা আমাদের স্মৃতিরও এক দারুণ বাহক। মার্কিন শেফ ও রান্নাবিষয়ক বইয়ের লেখিকা ডেবোরা ম্যাডিসন একবার ১৯৭০-এর দশকের নিজের কিছু পুরোনো ডায়েরি খুঁজে পেয়েছিলেন।

বাদামি রঙের সেই খাতাগুলোয় শুধু যে রেসিপি লেখা ছিল, তা নয়; সেখানে ছিল খাবারের দাগ, হিজিবিজি আঁকিবুঁকি আর নানা রকম নোট। ডেবোরা বলেন, ‘খাতাগুলোর দিকে তাকালে স্পষ্ট বুঝতে পারি, কখন আমি খুব উৎসাহ নিয়ে যত্ন করে লিখেছি, আর কখন ক্লান্তিতে ঢুলতে ঢুলতে লিখেছি। কম্পিউটারে টাইপ করা কোনো লিস্ট দেখলে জীবনেও এই অনুভূতি হবে না।’

চার

প্রযুক্তির কারণে আমরা শুধু হাতের লেখাই হারাচ্ছি না, আরও অনেক শারীরিক দক্ষতা হারাতে বসেছি

প্রযুক্তির কারণে আমরা শুধু হাতের লেখাই হারাচ্ছি না, আরও অনেক শারীরিক দক্ষতা হারাতে বসেছি। সমাজবিজ্ঞানী রিচার্ড সেনেট মনে করেন, ‘কোনো কিছু নিজ হাতে তৈরি করার মাধ্যমে আমাদের ভেতরে একধরনের পরিস্থিতিভিত্তিক বোধ তৈরি হয়।’

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের অস্টিন শহরের লি মিলারের কথাই ধরুন। তিনি একজন জুতা প্রস্তুতকারক। এক শতাব্দীর বেশি পুরোনো কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে এক জোড়া জুতা বানাতে তাঁর ৪০ ঘণ্টার মতো সময় লাগে।

এই যে দীর্ঘ সময় ধরে একটা জিনিসের পেছনে লেগে থাকা, এর ফলে তাঁর তৈরি করা জুতাগুলোয় এমন একটা নিখুঁত ফিনিশিং আসে, যা কোনো অটোমেটেড মেশিন দিতে পারবে না। মানুষ তাই বছরের পর বছর তাঁর বানানো জুতার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন।

আমরাও কিন্তু হাতে বানানো জিনিসেরই বেশি কদর করি। এ জন্যই হয়তো হাতে তৈরি শৌখিন জিনিসপত্রের দাম এত বেশি।

পাঁচ

ষোড়শ শতাব্দীর ফরাসি প্রাবন্ধিক মিশেল দ্য মঁতেইন তাঁর লাইব্রেরির একটা বিমে খোদাই করে রেখেছিলেন, ‘যারা জানে না, মন কীভাবে শরীরের সঙ্গে যুক্ত, তারা ঈশ্বরের সৃষ্টির কিছুই জানে না।’

মঁতেইন বিশ্বাস করতেন, শরীরই হলো আমাদের নিজেকে বোঝার সবচেয়ে বড় উপায়।

কিন্তু আজকের এই প্রযুক্তির যুগে আমাদের শারীরিক কষ্ট অনেক কমে গেছে। এখন নিজের জুতার ফিতা বাঁধার চেয়ে পৃথিবীর অন্য প্রান্তে একটা ই-মেইল পাঠানো অনেক বেশি সহজ। ফলে আমরা হয়তো অনেক বেশি আরাম পাচ্ছি, কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের শরীর ও মনের সেই প্রাচীন সংযোগটাও হারিয়ে ফেলছি।

স্ক্রিন আর কি–বোর্ডের দাপটে হাতের লেখা ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। এটা কোনো ছোটখাটো ঘটনা নয়। হাজার হাজার বছর ধরে গড়ে ওঠা একটা মানবিক অভিজ্ঞতার বিলুপ্তি ঘটছে আমাদের চোখের সামনেই।

আজ থেকে প্রায় ৪০ হাজার বছর আগে স্পেনের আলতামিরা কিংবা ফ্রান্সের লাসকো গুহার দেয়ালে আদিম মানুষেরা ছবি এঁকে রেখে গিয়েছিলেন। জানেন, সেই ছবিটা কিসের ছিল? মানুষের একটা হাতের।

নতুন প্রযুক্তি মানেই যে পুরোনো সবকিছু ছুড়ে ফেলতে হবে, তা তো নয়

নতুন প্রযুক্তি মানেই যে পুরোনো সবকিছু ছুড়ে ফেলতে হবে, তা তো নয়। ছাপাখানা আসার পরও তো মানুষ হাতের লেখা ছেড়ে দেয়নি। কি–বোর্ড ও টাচস্ক্রিনের সঙ্গে কলম ও কাগজের একটা দারুণ সহাবস্থান তো হতেই পারে।

ইংরেজ কবি ফিলিপ লার্কিন লিখেছিলেন, ‘আমাদের এই রক্ত–মাংসের শরীর তার নিজস্ব কিছু আকাঙ্ক্ষা দিয়ে আমাদের ঘিরে রাখে।’

শুধু আকাঙ্ক্ষাই নয়, এই শরীর আমাদের দেখতে, স্পর্শ করতে এবং নিজের হাতে জিনিস তৈরি করতে শেখায়। ভার্চ্যুয়াল এই যুগে প্রযুক্তির মোহে পড়ে আমাদের যেন মানুষের সেই আদিম ও সহজাত প্রবৃত্তিগুলো হারিয়ে না যায়, সেদিকে একটু খেয়াল রাখা বোধ হয় খুব জরুরি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>