ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংক এশিয়ার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, কর্মস্থল চট্টগ্রাম ভেনিসে হামলার শিকার বাঁধন, সেই সিনেমার ঐতিহাসিক জয় মালয়েশিয়াকে হারিয়ে পঞ্চম হয়ে ফিরছে হকির মেয়েরা গোপন রহস্য ফাঁস হতেই নরমাল হয়ে গেল অ্যাবনরমাল! শুরু হলো তুমুল লড়াই ৯/১১ হামলা: নিউইয়র্কের মূল অনুষ্ঠানে না গিয়ে ট্রাম্প গেলেন পেন্টাগনে নারকেল তেল কি সত্যিই সুপারফুড? চুল-ত্বকের যত্নেও কতটা কাজে দেয় অভিষিক্তি রাজাউল্লাহর ছক্কার রেকর্ডে সফরের সেরা দিন কাটাল পাকিস্তান পাহাড়ে স্থায়ী শান্তির জন্য পার্বত্য চুক্তির সংস্কার জরুরি Shubman Gill: ক্রিকেট থেকে বিরতিতে, লিভারপুল ক্যাপ্টেনের সঙ্গে দেখা করলেন গিল, কী করছেন? মিরাজের আঙুলে চার উইকেট, শরীরে ‘নাগিন ড্যান্সে’ তাল
জাতীয়

ইউরোপীয় ইউনিয়নে কড়াকড়ি সত্ত্বেও বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন বাড়ছে

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ইউরোপের দেশগুলোতে আশ্রয় বা আন্তর্জাতিক সুরক্ষার আবেদন কমলেও বাংলাদেশিদের আবেদনের সংখ্যা বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অঞ্চলে মোট ৩ লাখ ৩২ হাজার আশ্রয় আবেদন জমা পড়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা ১৭ শতাংশ কম। তবে একই সময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের আবেদন বেড়েছে ১৩ শতাংশ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম (ইইউএএ) বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তাদের ২০২৬ সালের ‘মিড-ইয়ার রিভিউ অব দ্য লেটেস্ট অ্যাসাইলাম ট্রেন্ডস’ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে ইইউ অঞ্চলে আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা ২০২১ সালের পর কোনো বছরের প্রথম ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। ইইউএএ জানায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ৩২ হাজার মানুষ আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য আবেদন করেছেন। ২০২৫ সালের একই সময়ে আবেদনের সংখ্যা এর চেয়ে ১৭ শতাংশ বেশি ছিল। ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে ইইউ অঞ্চলে আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা কমার যে প্রবণতা শুরু হয়েছিল, চলতি বছরেও তা অব্যাহত রয়েছে। তবে এই সামগ্রিক নিম্নমুখী প্রবণতার বিপরীত চিত্র দেখা গেছে বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে। প্রথম ছয় মাসে প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি ইইউ অঞ্চলে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশিদের আবেদন ১৩ শতাংশ বেড়েছে। ফলে বাংলাদেশ এখনো ইউরোপে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করা শীর্ষ জাতীয়তাগুলোর একটি হিসেবে অবস্থান করছে। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ইইউ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আশ্রয় আবেদন পেয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে প্রায় ৬৯ হাজার আবেদন জমা পড়েছে, যা মোট আবেদনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। এর পরেই রয়েছে ইতালি, যেখানে আবেদন পড়েছে প্রায় ৬৬ হাজার। স্পেন ও জার্মানি উভয় দেশেই প্রায় ৫৫ হাজার করে আবেদন জমা পড়েছে। এই চার দেশ মিলে ইইউ অঞ্চলের মোট আশ্রয় আবেদনের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ গ্রহণ করেছে। জনসংখ্যার অনুপাতে অবশ্য চিত্রটি ভিন্ন। ইইউএএর হিসাবে, গ্রিসে প্রায় ২৩ হাজার আশ্রয় আবেদন জমা পড়েছে। জনসংখ্যার তুলনায় এটিই ইইউ অঞ্চলের সর্বোচ্চ হার। দেশটিতে প্রায় প্রতি ৪০০ বাসিন্দার বিপরীতে একজন আশ্রয় আবেদন করেছেন। ইউরোপে আশ্রয় আবেদন কমলেও বাংলাদেশিদের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া আগের তুলনায় কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে। ইইউএএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ইইউ অঞ্চলে জমা পড়া মোট আবেদনের প্রায় ৫৬ শতাংশ এমন নাগরিকত্বের মানুষের কাছ থেকে এসেছে, যাদের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মের আওতায় সীমান্তবর্তী বা দ্রুততর আশ্রয় প্রক্রিয়া প্রযোজ্য হতে পারে। ইইউএএ জানিয়েছে, ১২ জুন ২০২৬ থেকে ইউরোপের নতুন আশ্রয় কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিধান কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সীমান্তে আশ্রয় আবেদন পরীক্ষা এবং দ্রুততর আবেদন নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে। চলতি বছরের প্রথমার্ধের তথ্য মূলত নতুন নিয়ম পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার আগের পরিস্থিতির একটি চিত্রও তুলে ধরছে। আরও পড়ুন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় বিশেষ জোর ইইউএএর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইউরোপে আশ্রয় আবেদনের সামগ্রিক পতনের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। সিরিয়ায় চলমান রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন জাতীয়তার আবেদনকারীদের অনুপাত বদলেছে। একই সঙ্গে অভিবাসীদের উৎস ও ট্রানজিট দেশগুলোর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা জোরদার হওয়ার বিষয়টিও আবেদনের সংখ্যা কমার অন্যতম কারণ। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সময়ে সংঘাত বাড়লেও এখন পর্যন্ত সেটি ইইউ অঞ্চলে আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে সামগ্রিকভাবে ইউরোপে আশ্রয় আবেদন কমলেও বাংলাদেশিদের আবেদন বৃদ্ধির প্রবণতা আলাদা করে নজর কেড়েছে। মাত্র ছয় মাসে ২০ হাজার বাংলাদেশির আবেদন এবং এক বছরে ১৩ শতাংশ বৃদ্ধির এই তথ্য ইউরোপমুখী বাংলাদেশিদের অভিবাসন প্রবণতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম বলেছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে যেসব আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে, তার মধ্যে এক-তৃতীয়াংশেরও কম মঞ্জুর হয়েছে। গত জুনে কার্যকর হওয়া নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যেসব দেশের আবেদন মঞ্জুরের হার ২০ শতাংশের কম কিংবা যেগুলোকে ইইউ ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেসব দেশের আবেদন দ্রুত যাচাই-বাছাই এবং প্রত্যাখ্যাত হলে দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এমআরএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>