বিজ্ঞাপন
১৩ বছর পর দুলীপ ট্রফির শিরোপা জিতেছে ইস্ট জোন। ১০ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে শেষ হয়েছে এবারের আসর। শিরোপা জয়ে বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মোহাম্মদ শামি ও মুকেশ কুমার। দুজন মিলে নিয়েছেন পাঁচ উইকেট।
তবে শিরোপা জয়ের পর আলোচনায় এসেছে শামির সঙ্গে দলের ১৫ বছর বয়সী তরুণ ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশীর সম্পর্কও। টুর্নামেন্টজুড়ে দুজনের মধ্যে ছিল বেশ হাসি-ঠাট্টা ও বন্ধুত্বপূর্ণ খুনসুটি।
বৈভবের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে মজার ছলে শামি বলেন, ‘ও আমার সঙ্গে মজা করতে খুব ভালোবাসে! আমিও ওকে পাল্টা খোঁচা দিয়ে বলি, ওর বয়স আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সমানও না।’
২০১০ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় শামির। সত্যিই ভারত জাতীয় দলের হয়ে সাড়ে চারশর বেশি উইকেট নেওয়া এই পেসারের ক্রিকেট ক্যারিয়ার সূর্যবংশীর বয়সের চেয়ে বেশি।
শামির মতে, দলের সিনিয়রদের সঙ্গে তরুণ ক্রিকেটারদের সহজভাবে মিশতে পারা ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ড্রেসিংরুমে খোলামেলা পরিবেশ তৈরি হলে তরুণরা নিজেদের আরও স্বচ্ছন্দে প্রকাশ করতে পারে বলেও মনে করেন ভারতের এই পেসার।
শামি বলেন, ‘ও (সূর্যবংশী) সবসময় আমার সঙ্গে মজা করে, আর এটা দেখতে ভালো লাগে। নিজের কথা খোলাখুলিভাবে বলতে পারা, সবার সঙ্গে মিশতে পারা এবং দলের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি করা-এসব ভবিষ্যতে ওকে সাহায্য করবে। আমি সবসময় খেলোয়াড়দের দলের সবার সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে উৎসাহিত করি।’
ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান প্রজন্মের তরুণ ক্রিকেটারদের মানসিক পরিণতিতেও মুগ্ধ শামি। তার মতে, আইপিএলসহ বড় মাপের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পাওয়ায় অল্প বয়সেই তারা কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে শিখে যাচ্ছে।
শামির ভাষায়, ‘এই তরুণদের বেশিরভাগই এরই মধ্যে যথেষ্ট পরিণত। তারা এখন আইপিএল ও অন্যান্য চাপের টুর্নামেন্টে যে ধরনের ক্রিকেট খেলে, তাতে খুব অল্প বয়সেই পরিণত হয়ে ওঠে। তাই তাদের অতিরিক্ত কোচিংয়ের প্রয়োজন নেই।’
তবে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সিনিয়রদের ভূমিকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। শামি বলেন, ‘খেলা যখন কঠিন ও চাপের হয়ে ওঠে, তখনই আপনাকে এগিয়ে এসে কৌশলগত কিছু পরামর্শ দিতে হবে এবং তাদের লড়াই চালিয়ে যেতে মনে করিয়ে দিতে হবে।’
এমএমআর
বিজ্ঞাপন