বিজ্ঞাপন
রাজধানী ঢাকার আদাবরে কবজিকাটা আনোয়ার গ্রুপের হাল ধরা শাহীন এবং তার দুই সহযোগীকে আটক করেছে র্যাব। তারা হলেন ফরিদ ও শিকদার লিটন।
র্যাব বলছে, শাহীন গ্রুপটি পুনর্গঠনের নেতৃত্ব নিয়ে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও কার্যক্রম সক্রিয় করার চেষ্টা করছিলেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) মোহাম্মদপুরের বসিলায় র্যাব-২ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে কবজিকাটা আনোয়ার গ্রুপের প্রধান এবং প্রতিষ্ঠাতা মো. আনোয়ারকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে র্যাব-২। পরে বিভিন্ন সময়ে এর সদস্যরা নিয়মিতভাবে র্যাবের হাতে গ্রেফতার হতে থাকলে গ্রুপটি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এই সুযোগে শাহীন কার্যক্রম পুনর্গঠনের নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে সদস্য সংগ্রহ ও গ্রুপ সক্রিয় করার চেষ্টা করছিলেন।
আরও পড়ুন
মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না: ডিএমপি কমিশনার
নয়মুল হাসান জানান, গত ১১ এপ্রিল আদাবরে পাঠাও ডেলিভারিম্যানের কাছ থেকে সর্বস্ব ছিনতাইকালে শাহীন নেতৃত্ব দেন বলে স্পষ্ট ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয়। এছাড়া, সম্প্রতি চাঁদা না পেয়ে এক অটোচালককে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান শাহীন। পরে র্যাব-২ শাহীন ও তার সহযোগীদের গতিবিধিতে নজরদারি বৃদ্ধি করে।
তিনি বলেন, রোববার ভোররাতে আদাবরের শেখের টেক এলাকায় একটি বাড়িতে শাহীন ও তার অপর সহযোগীরা অবস্থান করছেন বলে জানা যায়। পরে র্যাব-২ এর একটি দল বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে থানা লুটের ১৮ রাউন্ড ৯এমএম পিস্তলের ও ৯ রাউন্ড চাইনিজ রাইফেলের তাঁজা গুলি, একটি ওয়ান শুটারগান, একটি ধারালো অস্ত্র, তিন হাজার ৩৩৫টি ইয়াবা, পাঁচ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ তিনজনকে আটক করে।
অভিযুক্তদের নামে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানান র্যাবের এ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, জব্দ আলামত ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
কেআর/একিউএফ
বিজ্ঞাপন