চুলের আকৃতি প্রধানত নির্ভর করে চুলের উপাদানে সালফার পরমাণু-বন্ধনের সংখ্যার ওপর। চুলে কেরাটিন নামক একধরনের প্রোটিন থাকে। চুলের গোড়ার থলি বা গ্রন্থি (ফলিকল) থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রোটিনের সঙ্গে কেরাটিনও তৈরি হয়। এই প্রোটিনের মধ্যে সালফার পরমাণু থাকে। দুটি সালফার পরমাণু যুক্ত হয়ে বন্ধনী সৃষ্টি করে। এ রকম বন্ধনী যত বেশি থাকে, চুল তত বেশি কোঁকড়ানো আকার ধারণ করে। তবে ২০০৯ সালে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, কোঁকড়ানো চুলের ক্ষেত্রে দেহকোষের এক বিশেষ ধরনের জিনও কিছু অবদান রাখে। এই জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে কারও চুল সোজা, কারও কোঁকড়ানো। কারও কোঁকড়ানো চুল থাকলে, তার ছেলেমেয়েদেরও কোঁকড়া চুল হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৯০ শতাংশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b>
|
নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>