জাতীয়

খাদ্য গুদামে ধান-চাল-গমের হিসেবে গরমিল, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা খাদ্য গুদামে মজুত যাচাই করতে গিয়ে ধান, চাল ও গমের হিসেবে গরমিল পেয়েছে অডিট কমিটি। এ ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারহানা আক্তার ও গুদামের খাদ্য পরিদর্শক শ্রী বিপুল কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) খাদ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (সংস্থাপন) অনির্বাণ ভদ্র স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। ওইদিন রাত ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মানিকগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আইয়ুব রায়হান। খাদ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপন হতে জানা যায়, খাদ্য অধিদপ্তরের গত ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখের ৪৯০ নম্বর স্মারকে গঠিত কমিটি ঘিওর এলএসডিতে সরেজমিন পরিদর্শন করে খাদ্যশস্যের মজুত যাচাই করে। এ সময় ১০০ টন চাল ও ২০ টন গম কম, ৪১ টন ধান বেশি এবং ছয় হাজার ৫০০টি বস্তা কম পাওয়া যায়। কমিটি বিষয়টি উপপরিচালক (সংস্থাপন), প্রশাসন বিভাগকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অবহিত করে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারহানা আক্তার ও খাদ্য পরিদর্শক শ্রী বিপুল কুমারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিভাগীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের স্বার্থে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ১২ অনুযায়ী ফারহানা আক্তার ও শ্রী বিপুল কুমারকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এর আগে, গত বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে খাদ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের পরিদর্শন শেষে উপজেলা খাদ্য গুদামটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। খাদ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন জেলার সকল উপজেলার খাদ্য গুদামের শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিশেষ অডিট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকা থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের একটি দল ঘিওরে আসে। তারা গুদামে মজুতকৃত খাদ্যশস্যের খাতাপত্র ও প্রকৃত মজুদের হিসাব মেলান। এ সময় মজুত, হিসাবে গরমিল ও তথ্যে অসংগতি পাওয়া যায়। এ বিষয়ে জানতে ঘিওর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারহানা আক্তারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তা পাঠিয়েও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। উপজেলা খাদ্য গুদামের পরিদর্শক (অফিসার ইনচার্জ) শ্রী বিপুল কুমারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকেও পাওয়া যায়নি। ডিজির সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রতিটা খাদ্য গুদামে বিশেষ অডিট পরিচালনা করা হচ্ছে জানিয়ে মানিকগঞ্জ জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক মো. আইয়ুব রায়হান বলেন, অডিট চলাকালে আমরা ঘিওরের খাদ্য গুদামে গরমিল খুঁজে পাই। এর সঙ্গে জড়িতদের তদন্তের স্বার্থে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে খাদ্য গুদামটি বন্ধ করে দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, গুদাম গুলোতে প্রতি মাসে দুইবার পাক্ষিক প্রতিবেদন দেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। সর্বশেষ গত ১৫ আগস্ট আমার নিকট প্রতিবেদন আসে, সেখানে সবকিছু ঠিক ছিলো। মো. সজল আলী/এসজেডএইচ/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>