বিজ্ঞাপন
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নীতিমালা ও কর্মসূচি অনুযায়ী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সব তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার আওতায় ৫৫ শতাংশ শস্য-ফসল খাতে, ২ শতাংশ সেচ ও কৃষি যন্ত্রপাতি খাতে, ১৩ শতাংশ মৎস্য খাতে, ২০ শতাংশ প্রাণিসম্পদ খাতে (পোল্ট্রি, ডেইরি, গরু মোটাতাজাকরণ ইত্যাদি) এবং অবশিষ্ট ১০ শতাংশ কৃষি উৎপাদন এবং পল্লী অঞ্চলে উৎপাদন ও সেবা খাতসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ঋণ বিতরণ করা হবে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী একথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৮ জুন এসিডি সার্কুলারের মাধ্যমে দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পল্লী অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গঠিত ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম এবং ৬ জুলাই এসিডি সার্কুলারের মাধ্যমে দেশের উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র সৃষ্টির লক্ষ্যে গঠিত ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করা হয়েছে। যার আওতায় মৎস্য, ডেইরি ও পোল্ট্রি খাতে কর্মকাণ্ডে ঋণ বিতরণ চলমান।
তিনি আরও বলেন, দেশের মৎস্য, ডেইরি ও পোল্ট্রি খাতে প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে ২ হাজার কোটি টাকার ‘কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপনে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল’ চলমান। এ তহবিলের আওতায় উদ্যোক্তারা ৭ শতাংশ সুদে ৭ বছর পর্যন্ত মেয়াদে সর্বোচ্চ ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকেন। গ্রামীণ এলাকায় অবস্থিত উদ্যোগসমূহকে এ তহবিলের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এ তহবিলের পরিমাণ ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।
এমওএস/জেএইচ
বিজ্ঞাপন