ব্রেকিং নিউজ
জাতীয়

নাগালের বাইরে বাদাম, ২৭০০ টাকার পেস্তা এখন ৫০০০

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ভোগ্যপণ্যের বাজারে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে পেস্তা বাদামের দাম। বছরের ব্যবধানে কয়েক দফা দাম বেড়ে প্রায় দিগুণ হয়েছে। সেইসঙ্গে অন্যান্য বাদামের দামও বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান বাজারে কাঠবাদাম (ইন্ডিয়ান) ১৪০০-১৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাজুবাদাম (ইন্ডিয়ান) ১৫০০ টাকা, কাজুবাদাম (ভিয়েতনাম) ১৬০০ টাকা, কাঠবাদাম (আমেরিকান) ১৭০০ টাকা এবং দেশি কাঠবাদাম প্রতিকেজি ১৯০০-২১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আরও পড়ুন সাবান-শ্যাম্পু-ফেসওয়াশের দামে আগুন, বেচাকেনায় ভাটা তবে বছরের ব্যবধানে কয়েক দফায় বেড়েছে পেস্তা বাদামের দাম। বছরের শুরুতে পেস্তা বাদাম দুই হাজার ৭০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। পরে দাম বেড়ে চার হাজার এবং বর্তমানে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আখরোট ১৫০০-১৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি থাই বাদাম ভাজা ৫০০-৬০০ টাকা এবং দেশি বাদাম বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকা দরে। ‘বর্তমান বাজারে সবচেয়ে দাম বেড়ে পেস্তা বাদামের। যেটা আমরা গতবছর বিক্রি করেছি দুই হাজার ৭০০ থেকে তিন হাজার টাকায়, এবছর সেটা চার হাজার ৫০০ টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে’ শহরের দিগুবাবুর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘বাদামের দামই ঠিকই আছে। এক বছরের মধ্যে দামের খুব বেশি তারতম্য হয়নি। তবে পেস্তার দাম অনেক বেড়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা পাইকারি কিনে খুচরা বিক্রি করি। আমাদের দাম কমবেশি রাখার কোনো সুযোগ নেই। যে দামে কিনি, তার থেকে সামান্য লাভেই বিক্রি করি।’ শহরের আমলাপাড়া এলাকার নাহিদ হানির মালিক মো. নাহিদ বলেন, ‘বর্তমান বাজারে সবচেয়ে দাম বেড়ে পেস্তা বাদামের। যেটা আমরা গতবছর বিক্রি করেছি দুই হাজার ৭০০ থেকে তিন হাজার টাকায়, এবছর সেটা চার হাজার ৫০০ টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।’ আরও পড়ুন ভাদ্র মাসে দিনাজপুরে কমে যায় ফুল বেচাকেনা, কারণ যা জানা গেল তিনি আরও বলেন, ‘সরকার যদি ব্যবসায়ীদের প্রতি সদয় হয় তাহলে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এসব পণ্য দেশের বাইরে থেকে আমদানি করা হয়, সেক্ষেত্রে ট্যাক্সের হার কমানো গেলে দাম ভোক্তাদের নাগালের মধ্যেই থাকবে।’ শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকার মেসার্স হাজী স্টোরের ম্যানেজার লক্ষণ সেন। তিনি বলেন, ‘ইন্ডিয়ান বাদাম এক বছর আগে ১৫০০ টাকা ছিল, এখন সেটা ১৬২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি বাদামের বেলায় যখন সিজেন আসে তখন দাম কমে, আবার সিজেন শেষ হয়ে গেলে দাম বাড়ে। তবে বিদেশি বাদামের দাম স্থিতিশীল থাকে না। সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়ে যায়।’ বাদামের দাম বাড়ার কারণ প্রসঙ্গে নিতাইগঞ্জ পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি শংকর সাহা বলেন, ‘বাদাম হলো বিলাসী পণ্য। এগুলো বিয়েবাড়িতে এবং যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা খেয়ে থাকেন। এখন বাদামের দাম বাড়তি।’ তিনি বলেন, ‘পেস্তা বাদাম, কাজুবাদাম ও কাঠবাদামের দাম নির্ধারিত হয় আমদানির ওপর। এগুলো ব্যবসায়ীরা ইচ্ছা করলেই কমিয়ে বিক্রি করতে পারবেন না। বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে এখানেও দাম বাড়ে।’ আরও পড়ুন নাগালের বাইরে বিদেশি ফলের দাম, দেশিতে ঝুঁকছে ক্রেতা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক হৃদয় রঞ্জন বনিক জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রতি মাসে এক থেকে দেড়শ অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। ভোক্তাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ, কেউ যদি প্রতারিত হন অথবা দাম বেশি রাখা হয়, তাহলে আমাদের কাছে যেন লিখিত অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ বৈধ হলে অবশ্যই তিনি প্রতিকার পাবেন।’ মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসআর/এএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>