বিজ্ঞাপন
দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠের নাম পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। এই বিদ্যাপীঠটি ১৮১ বছরের পু্রোনো। বর্তমান সরকারের অধীনে বিদ্যালয়টিকে সরকারীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আলোচকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম এ কথা বলেছেন।
সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যালয়টিকে সরকারিকরণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা উত্তরণের চেষ্টা চলছে। বর্তমানে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যের আগে বিদ্যালয়টিকে সরকারিকরণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানান বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এডহক কমিটির সদস্যরা।
বক্তব্যে তারা বলেন, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ১৮১ বছরের পুরনো বিদ্যাপীঠ। পড়াশোনার মানের দিক দিয়ে এই বিদ্যাপীঠ দক্ষিণ চট্টগ্রামে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে, অবকাঠামোগতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যালয়টি এখনও পিছিয়ে রয়েছে। সরকারিকরণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে শিক্ষার পরিবেশ ও মান আরও উন্নত হবে।
বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি গাজী আবু তাহেরের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র শিক্ষক চন্দন কান্তি নাথের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পটিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম সওদাগর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, পটিয়া ক্লাবের সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক, জেলা বিএনপির সদস্য শফিকুল আলম, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মইনুল আলম ছোটন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনিল বড়ুয়া, সিনিয়র শিক্ষক আবদুল হাফেজ ও লিটন চৌধুরীসহ অনেকে।
এ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম-কে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এমডিআইএইচ/কেএম
বিজ্ঞাপন