জাতীয়

পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প। এই প্রযুক্তি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দেশের ২৬ জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটাবে। এটা খুব আধুনিক প্রযুক্তি। এর বাস্তবায়ন হলে কৃষি বিপ্লব হবে এবং এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। আর এর মাধ্যমে বৃদ্ধি পাবে মাছের উৎপাদন। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রাজবাড়ী জেলার পাংশার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সময় এই প্রকল্পটির কারিগরি সমীক্ষা করা হয়েছে। আজকে ২০২৬ সালে এসে তা বাস্তবায়ন করার জন্য একনেকে পাস করানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে আপনাদেরকে ওয়াদা দিয়েছিলেন, আজকে তার নেতৃত্বেই বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে পদ্মা ব্যারেজ। আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসের যে কোনো সময়ে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজের উদ্বোধন করবেন। পদ্মা ব্যারেজের প্রকল্প ম্যাপ/ ছবি: জাগো নিউজ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছি। আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তা বাস্তবায়ন হবে। সেই জন্য মাঠের কারিগরি সমীক্ষা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে বিশেষ টিম আমাদের সঙ্গে এসেছে। এটি আমাদের দেশীয় অর্থে সাত বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প। এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি হারুন অর রশিদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, জেলা প্রশাসক আফরোজা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোর্শেদ, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সভাপতি আসলাম মিয়াসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অনেকে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৩ মে একনেক সভায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে স্বাদু পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ব্যারাজটি দুই দশমিক এক কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। এতে থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে গেট (প্রতিটির প্রস্থ ১৮ মিটার), ১৮টি আন্ডার স্লুইসগেট, ১৪ মিটার প্রশস্ত একটি নেভিগেশন লক, দুটি ২০ মিটার প্রশস্ত ফিশ পাস এবং ব্যারাজের ওপর দিয়ে একটি রেলওয়ে সেতু। পাশাপাশি প্রায় ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ব্যারাজটি বাস্তবায়ন হলে এর সুবিধা পাবে রাজবাড়ীসহ দেশের ২৬ জেলার মানুষ। রুবেলুর রহমান/এসজেডএইচ/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>