ব্রেকিং নিউজ
জিন্নাহ'র ঢাকা সফর ঘিরে ৭৮ বছর আগে যা যা ঘটেছিল একনেকে উঠছে ৬৫ হাজার কোটি টাকার ১৬ প্রকল্প মেডিকেল-ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা হতে পারে ৪ ডিসেম্বর ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে ভারতকে সতর্ক করলেন যুবরাজ সিং হ্যাঁচকা টানে শিক্ষিকা নিহত: এবার ‘প্রকৃত ছিনতাইকারীদের’ গ্রেপ্তার করার দাবি ডিবির মেসে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সম্পর্কে ‘কম্প্যাটিবিলিটি টেস্ট’ করবেন কীভাবে? মিলিয়ে নিন ৫ বৈশিষ্ট্য ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা চালু করল সিটিজেনস ব্যাংক ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে বাড়ছে আত্মহত্যা  অদৃশ্য এক আবরণ ওজোন স্তর, যেন পৃথিবীর সানস্ক্রিন
জাতীয়

প্রতিদিন ৩০ মিনিট ওয়াশিং মেশিন চালালে মাসে বিদ্যুৎ বিল কত?

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ব্যস্ত জীবনে কাপড় ধোয়ার ঝামেলা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে ওয়াশিং মেশিন। কয়েক ঘণ্টার কাজ এখন অনেকটাই সহজ হয়ে যায় একটি মেশিনের সাহায্যে। তবে নিয়মিত ব্যবহার করার কারণে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে ওয়াশিং মেশিন চালালে মাসের বিদ্যুৎ বিলে কতটা প্রভাব পড়ে? বিশেষ করে এক ঘণ্টা মেশিন চললে কত ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়, সেটি জানলে মাসিক খরচের একটা ধারণা পাওয়া যায়। আসলে সব ওয়াশিং মেশিনে বিদ্যুৎ খরচ এক রকম নয়। মেশিনের ক্ষমতা, মডেল, ওয়াশিং মোড, পানির তাপমাত্রা এবং একটি সাইকেলে কতক্ষণ কোন অংশ কাজ করছে এসবের ওপর মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ নির্ভর করে। তাই শুধু ‘এক ঘণ্টা চালানো হয়েছে’ বলেই সবার জন্য একই খরচ ধরা ঠিক নয়। ৫০০ ওয়াটের মেশিন এক ঘণ্টায় কত ইউনিট খরচ করে? ধরা যাক, আপনার ওয়াশিং মেশিনের রেটেড পাওয়ার ৫০০ ওয়াট। ৫০০ ওয়াট অর্থ ০.৫ কিলোওয়াট। মেশিনটি যদি পুরো এক ঘণ্টা গড়ে ৫০০ ওয়াট ক্ষমতায় বিদ্যুৎ নেয়, তাহলে খরচ হবে প্রায় ০.৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ০.৫ ইউনিট। আরও পড়ুন ব্যবহারের যেসব ভুলে দ্রুত নষ্ট হয় ওয়াশিং মেশিন এবার বাংলাদেশের আবাসিক বিদ্যুতের হিসাব ধরলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। ২০২৪ সালের ট্যারিফ অনুযায়ী আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের পরিমাণ অনুযায়ী আলাদা স্ল্যাব রয়েছে। প্রথম ৫০ ইউনিটের জন্য প্রতি ইউনিট ৪.৬৩ টাকা এবং ৫১-৭৫ ইউনিটের জন্য ৫.২৬ টাকা হারে চার্জ প্রযোজ্য। সুতরাং কোনো পরিবারের ব্যবহারের প্রথম স্ল্যাবের মধ্যে ০.৫ ইউনিট অতিরিক্ত খরচ হলে শুধু এনার্জি চার্জ হিসেবে খরচ হবে আনুমানিক ২ টাকা ৩২ পয়সা। আর ৫.২৬ টাকা ইউনিটের স্ল্যাবে হলে একই ০.৫ ইউনিটের খরচ হবে প্রায় ২ টাকা ৬৩ পয়সা। তবে এটি একটি সরল হিসাব। প্রকৃত বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে ডিমান্ড চার্জ, মিটার বা অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জ এবং ভ্যাট যুক্ত হতে পারে। তাই শুধু ওয়াশিং মেশিনের ০.৫ ইউনিটকে আলাদা করে পুরো বিলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা ঠিক হবে না। প্রতিটি ওয়াশ সাইকেলে কি একই পরিমাণ বিদ্যুৎ লাগে? না। ওয়াশিং মেশিনের একটি সম্পূর্ণ সাইকেলে কখনো মোটর, কখনো পাম্প, আবার কখনো স্পিন সিস্টেম কাজ করে। ফলে মেশিন এক ঘণ্টা চালু থাকলেও পুরো সময় একই হারে বিদ্যুৎ খরচ নাও হতে পারে। অন্যদিকে মেশিনে যদি পানি গরম করার হিটার থাকে, তাহলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। কারণ কাপড় ধোয়ার সময় পানি গরম করার কাজ সাধারণ মোটর চালানোর তুলনায় বেশি শক্তি নিতে পারে। তাই ওয়াশিং মেশিনের গায়ে লেখা ৫০০ বা ৭০০ ওয়াট দেখে পুরো ওয়াশ সাইকেলের সঠিক বিদ্যুৎ খরচ সবসময় নির্ধারণ করা যায় না। সবচেয়ে নির্ভুল তথ্যের জন্য মেশিনের এনার্জি লেবেল, ব্যবহারবিধি বা নির্মাতার দেওয়া প্রতি সাইকেলের বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য দেখা ভালো। মাসে ২০ বার মেশিন চালালে কত খরচ? সহজ উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, কোনো মেশিনে একটি ব্যবহারে গড়ে ০.৫ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। মাসে ২০ বার কাপড় ধুলে মোট ব্যবহার হবে প্রায় ১০ ইউনিট। এই ১০ ইউনিট যদি ৪.৬৩ টাকা প্রতি ইউনিটের প্রথম স্ল্যাবের মধ্যে থাকে, তাহলে এনার্জি চার্জ হিসেবে খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৪৬ টাকা ৩০ পয়সা। অবশ্য বাস্তবে আপনার মোট মাসিক বিদ্যুৎ ব্যবহার ৫০ ইউনিটের বেশি হলে ওয়াশিং মেশিনের ব্যবহৃত ইউনিটও সংশ্লিষ্ট উচ্চ স্ল্যাবের হিসাবের মধ্যে পড়তে পারে। তাই একই মেশিনের জন্য দুই পরিবারের বিদ্যুৎ বিলের প্রভাব এক নাও হতে পারে। গরম পানিতে কাপড় ধুলে খরচ বাড়তে পারে ওয়াশিং মেশিনে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো পানি গরম করার ব্যবহার। আপনার মেশিনে হিটিং ফিচার থাকলে এবং প্রয়োজন ছাড়া গরম পানির সাইকেল চালালে বিদ্যুৎ খরচ বাড়তে পারে। আরও পড়ুন ওয়াশিং মেশিন দীর্ঘদিন ভালো রাখতে কীভাবে যত্ন নেবেন? কাপড়ের ধরন ও ডিটারজেন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্ভব হলে ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে হিটার চালানোর প্রয়োজন কমবে এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে। ওয়াশিং মেশিনে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবেন কীভাবে? বিদ্যুৎ খরচ কমাতে প্রতিবার অল্প কয়েকটি কাপড় নিয়ে মেশিন চালানোর বদলে মেশিনের ধারণক্ষমতা ও প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী উপযুক্ত পরিমাণ কাপড় একসঙ্গে ধোয়া যেতে পারে। তবে মেশিনের নির্ধারিত সর্বোচ্চ ক্ষমতার চেয়ে বেশি কাপড় দেওয়া উচিত নয়। প্রয়োজন না থাকলে গরম পানির মোড এড়িয়ে চলুন। একইভাবে অপ্রয়োজনে একাধিকবার ওয়াশ সাইকেল চালানো থেকেও বিরত থাকা ভালো। কাপড় ধোয়া হয়ে গেলে মেশিন বন্ধ করে দিন এবং নিয়মিত ফিল্টার ও সংশ্লিষ্ট অংশ পরিষ্কার রাখুন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ওয়াশিং মেশিন কতক্ষণ চলছে তার চেয়ে সেটি প্রতি সাইকেলে আসলে কত বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে সেটিই বিদ্যুৎ বিলের হিসাবের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই মেশিন কেনার সময় শুধু দাম বা ধারণক্ষমতা নয়, এনার্জি ব্যবহারের তথ্যও দেখে নেওয়া উচিত। কেএসকে
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>