বিজ্ঞাপন
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ৪৫ শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
একই অনুষ্ঠানে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রকল্যাণ তহবিলেরও উদ্বোধন করা হয়। ওই তহবিল থেকে বিভাগের দুজন শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য ড. জি এম শফিউর রহমানের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য ড. মো. হাবীবুর রহমান।
সভাপতির বক্তব্যে উপ উপাচার্য ড. জি এম শফিউর রহমান বলেন, নবীন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় অল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষা ও কার্যক্রমে অগ্রগতির জানান দিচ্ছে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কমিটি ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন তিনি।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এ স্বীকৃতি শুধু উদযাপনের বিষয় নয় বরং শিক্ষাজীবনে আরও এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।
ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে পাওয়া এ স্বীকৃতির মর্যাদা ধরে রাখতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. মো. হাবীবুর রহমান নিজের ছাত্রজীবনে বৃত্তি পাওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, বৃত্তির অর্থের পরিমাণের চেয়ে স্বীকৃতিটাই বড় সম্মানের। এ ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না। শিক্ষার্থীদের মার্জিত আচরণ, শালীনতা, মানুষের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহারসহ মানবিক গুণাবলিও অর্জন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আচরণ ও চলাফেরায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসাই প্রকৃত শিক্ষার অংশ।
তিনি আরও বলেন, পরিবার ও দেশের প্রতি প্রত্যেকের দায়বদ্ধতা রয়েছে। সময়ের সঠিক ব্যবহার ও নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সবাইকে মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।
এসময় উপাচার্য কৃষক, শ্রমিক, কর্মকর্তা কিংবা শিক্ষক, সব পেশার মানুষকে সমান সম্মান করার মানসিকতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষে মেধাবী ও অসচ্ছল ৪৫ শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রকল্যাণ তহবিলের উদ্বোধন এবং বিভাগের দুজন শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
এসকে রাসেল/এসজেডএইচ/জেআইএম
বিজ্ঞাপন