বিজ্ঞাপন
নারী ক্রিকেটাররা এখন নিয়মিত ওয়ার্ল্ডকাপ খেলছে। তাও এক ফরম্যাটে নয়। ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি- ২ ফরম্যাটেই দেশের নারীরা এখন ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অংশ নিচ্ছে।
কিন্তু ছেলেদের মতো নারী ক্রিকেট এখনো সারা দেশের শহর, বন্দর ও গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়েনি। কিছু নির্দিষ্ট এলাকা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই এখনো নারী ক্রিকেট সীমাবদ্ধ। সারা দেশ বহুদূরে, রাজধানী ঢাকার প্রধান, প্রধান গার্লস স্কুলগুলোতেই সেভাবে নারী ক্রিকেট চর্চা নেই।
ভিকারুন্নিসা নুন, হলিক্রস, শহীদ আনোয়ারার মতো নামকরা গার্লস স্কুলগুলোয় এখনো সেভাবে ক্রিকেট চর্চা হয় না। ওই সব বিদ্যাপীঠ থেকে এখন পর্যন্ত একজন জাতীয় ক্রিকেটার উঠে আসেননি।
কী করে আসবেন? ঐ সব স্কুলে ঠিকমতো ক্রিকেট চর্চাই হয় না। সে কারণেই দেশের ঐ প্রখ্যাত গার্লস স্কুলগুলোকে নারী ক্রিকেটে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিসিবি ওমেন উইং চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু দেশের নারী ক্রিকেট জাগরণ, প্রচার ও প্রসারে কার্যকর উদ্যোগের কথা জানাতে গিয়ে জাগো নিউজকে বলেন, ‘দেশের নামী ও প্রখ্যাত স্কুলগুলোয় আমরা নারী ক্রিকেট চর্চার কেন্দ্র বানাতে চাই। আমাদের বিশ্বাস, রাজধানী ঢাকা তথা দেশের সেরা নারী স্কুলগুলো ওমেন ক্রিকেটে সম্পৃক্ত হলে সেই সব স্কুল থেকে নতুন নতুন ক্রিকেট প্রতিভা উঠে আসবে। তাতে করে সর্বস্তরে ক্রিকেট ছড়িয়ে পড়বে। আমরা ট্যালেন্ট নারী ক্রিকেটার পাবো।’
রাজধানী ঢাকার বিখ্যাত ও বিশেষ করে ইংলিশ মিডিয়াম গার্লস স্কুলগুলোকে নারী স্কুল ক্রিকেটে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘আমরা ওমেন উইং থেকে হলিক্রস, ভিকারুন নিসা নুন, শহীদ আনোয়ারা সহ রাজধানী ঢাকা তথা দেশের ৪০টি নামকরা গার্লস স্কুলগুলোকে স্কুল ক্রিকেটে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। ঐ সব স্কুলে এরই মধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’
ইতিমধ্যে একাধিক নামকরা গার্লস স্কুল থেকে ইতিবাচক সাড়াও মিলেছে। বাবু আরও জানান, যে সব নারী স্কুল এখনো আমাদের (বিসিবি) সাথে যোগাযোগ করেনি, ওই সব স্কুলে গার্লস স্কুল ক্রিকেট চর্চা শুরু করতে বিসিবি ওমেন ক্রিকেট উইং থেকে ২ জন করে প্রতিনিধি পাঠিয়ে সকালে স্কুল শুরুর আগে শারীরিক চর্চার আগে নারী ক্রিকেটে অংশ নেওয়ার আহ্বান-সম্বলিত বার্তা পড়ে শোনানো হবে।
বাবুর আশা, বিভিন্ন স্কুলে ক্লাস শুরুর আগে যে পিটি প্যারেড হয়, তার আগে বিসিবি থেকে নারী ক্রিকেটে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ-সম্বলিত একটি বার্তা দেওয়া হবে। আশা করছি, তাতে করে ঐ ঐ স্কুলের মেয়েরা ভবিষ্যতে ক্রিকেট খেলতে উৎসাহী হবে।
এআরবি/আইএইচএস/
বিজ্ঞাপন