জাতীয়

মফস্বল সাংবাদিকতা: ঝুঁকির মাঠে সত্য অনুসন্ধানের লড়াই

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
একটি জেলা শহরের অন্ধকার গলিতে গভীর রাতে কোনো সাংবাদিক যখন মোবাইলের আলো জ্বেলে ছবি তুলছেন, তখন তাঁর হাতে হয়তো ক্যামেরার চেয়ে বড় অস্ত্র হয়ে আছে একটি প্রশ্ন—‘আসল ঘটনা কী?’ সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে তাঁকে কখনো দরজা বন্ধ পাওয়া যায়, কখনো তথ্যের বদলে হুমকি শুনতে হয়, আবার কখনো এমন মানুষের মুখোমুখি হতে হয়, যাঁদের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব তাঁর নিজের নিরাপত্তাকেই অনিশ্চিত করে তোলে। অথচ রাজধানীর সংবাদপাঠকের কাছে সংবাদটি পৌঁছানোর আগেই এই ঝুঁকির বড় অংশ পেরিয়ে আসেন মফস্বলের সাংবাদিক। বাংলাদেশের সাংবাদিকতার বড় একটি অংশ আসলে মফস্বলের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। জেলা-উপজেলার ছোট-বড় ঘটনা, প্রশাসনের কার্যক্রম, দুর্নীতি, অপরাধ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, নদী-জলাশয়, পরিবেশ, স্থানীয় রাজনীতি—সবকিছুর প্রথম খবর সাধারণত আসে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকের কাছ থেকেই। কিন্তু সংবাদ উৎপাদনের এই গুরুত্বপূর্ণ স্তরটিই সবচেয়ে বেশি নানা সংকটে জর্জরিত। তথ্য পাওয়ার সংকট, স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপ, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, পেশাগত নিরাপত্তাহীনতা, আইনি ঝুঁকি এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা—সব মিলিয়ে মফস্বল সাংবাদিকতা এখন এক কঠিন বাস্তবতার নাম। একজন মফস্বল সাংবাদিককে একই সঙ্গে প্রতিবেদক, আলোকচিত্রী, ভিডিওগ্রাফার, মোবাইল সাংবাদিক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্পাদক এবং কখনো কখনো নিজের নিরাপত্তার ব্যবস্থাপক হিসেবেও কাজ করতে হয়। অনেক প্রতিষ্ঠানে একজন সাংবাদিককে অল্প পারিশ্রমিকে একাধিক প্ল্যাটফর্মের জন্য কনটেন্ট তৈরি করতে হয়। অথচ তাঁর কাছে নেই পর্যাপ্ত যাতায়াত সুবিধা, আধুনিক সরঞ্জাম কিংবা আইনি সহায়তা। ফলে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সঙ্গে ব্যক্তিগত ঝুঁকি ক্রমেই বেড়ে যায়। মফস্বল সাংবাদিককে শুধু সংবাদ পাঠানোর মানুষ হিসেবে নয়, গণতান্ত্রিক সমাজের মাঠপর্যায়ের প্রহরী হিসেবে দেখতে হবে। তাঁর হাতে আধুনিক প্রযুক্তি দিতে হবে, তথ্যের দরজা খুলতে হবে, আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং সর্বোপরি তাঁকে ভয়মুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। কারণ তিনি থাকেন কোনো জেলা শহরের ছোট্ট অফিসে, হাতে একটি মোবাইল ফোন, সামনে একটি অসম্পূর্ণ তথ্য, আর মনে একটি অদম্য প্রশ্ন নিয়ে—‘আসল সত্যটা কী?’ সবচেয়ে বড় সমস্যা তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে। জেলা পর্যায়ে তথ্যের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, ব্যবসায়ী গোষ্ঠী কিংবা বিভিন্ন প্রভাবশালী মহল। কোনো সাংবাদিক যদি তাঁদের পছন্দের সংবাদ প্রকাশ করেন, দরজা সহজেই খুলে যায়; কিন্তু প্রশ্নটি যদি অস্বস্তিকর হয়, তখন একই দরজা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সরকারি নথি পেতে দীর্ঘসূত্রতা, তথ্য গোপন করা, ‘অফ দ্য রেকর্ড’ বক্তব্যের অপব্যবহার কিংবা ‘এই খবর করবেন না’ ধরনের অনুরোধ—সবই মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতার পরিচিত অভিজ্ঞতা। কিন্তু তথ্যের সংকট মানেই সংবাদ সংগ্রহ অসম্ভব নয়। বরং এখানেই পেশাদার সাংবাদিকতার পরীক্ষা। একটি তথ্য একজনের কাছ থেকে শুনেই প্রকাশ না করে তার উৎস, প্রেক্ষাপট ও প্রমাণ যাচাই করতে হবে। সরকারি নথি, আদালতের কাগজপত্র, জমির রেকর্ড, টেন্ডার নথি, কোম্পানির তথ্য, বাজেট, প্রকল্পের বরাদ্দ, ক্রয়সংক্রান্ত দলিল—এসবই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। একই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং প্রত্যক্ষ প্রমাণ সংগ্রহ করা সাংবাদিককে গুজব ও তথ্যের পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে। মফস্বলে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করতে গেলে সাহসের পাশাপাশি কৌশলও প্রয়োজন। কোনো দুর্নীতির খবর হাতে এলেই তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ না করে তথ্যের একটি নথিভিত্তিক কাঠামো তৈরি করা জরুরি। কে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, কোথায় ব্যয় হওয়ার কথা, বাস্তবে কী হয়েছে, কার লাভ হয়েছে—প্রশ্নগুলো ধারাবাহিকভাবে সাজাতে হবে। একটি অভিযোগকে সংবাদে পরিণত করার আগে অভিযোগের পক্ষে ন্যূনতম প্রমাণ এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য নিশ্চিত করা পেশাগত দায়িত্ব। মফস্বল সাংবাদিকের আরেকটি বড় সংকট স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপ। রাজনৈতিক ক্ষমতা, অর্থনৈতিক প্রভাব, সামাজিক কর্তৃত্ব কিংবা অপরাধীচক্রের সঙ্গে সম্পর্ক—সব মিলিয়ে কোনো কোনো এলাকায় প্রভাবশালী ব্যক্তি সংবাদ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। সাংবাদিককে ফোন করে সংবাদ বন্ধ করতে বলা, সামাজিকভাবে হেয় করা, বিজ্ঞাপন বন্ধের হুমকি, মামলা করার ভয় দেখানো কিংবা সরাসরি শারীরিক হুমকি—এসব কোনোভাবেই স্বাভাবিক পেশাগত পরিবেশের অংশ হতে পারে না। এখানে সংবাদপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাঠের সাংবাদিককে একা ফেলে রেখে শুধু ‘সাহস করে খবর করুন’ বললে দায়িত্ব শেষ হয় না। ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সম্পাদকীয় পর্যায়ে ঝুঁকি মূল্যায়ন, আইনি পরামর্শ, তথ্যের নিরাপদ সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনে নিরাপত্তা সহায়তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। একজন সাংবাদিক আক্রান্ত হলে তাঁর প্রতিষ্ঠানের দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানো এবং আইনগত সহায়তা দেওয়া উচিত। ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকের নিরাপত্তা শুধু রাস্তায় নিরাপদ থাকার বিষয় নয়। ফোন, ই-মেইল, ক্লাউড স্টোরেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং মেসেজিং অ্যাপ—সবই এখন সাংবাদিকতার অংশ। ফলে ডিজিটাল নিরাপত্তাও পেশাগত নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। শক্তিশালী ও আলাদা পাসওয়ার্ড, দুই ধাপের যাচাইকরণ, ডিভাইসের নিয়মিত আপডেট, সংবেদনশীল নথির এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ এবং সন্দেহজনক লিংক বা ফাইল এড়িয়ে চলা—এসব বিষয়ে মফস্বল সাংবাদিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। বিশেষ করে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার তথ্য এক জায়গায় রাখা বিপজ্জনক। গুরুত্বপূর্ণ নথি ও সাক্ষাৎকারের ব্যাকআপ রাখা, মূল উৎসের পরিচয় সুরক্ষিত রাখা এবং প্রতিবেদনের কাজের সঙ্গে ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার আলাদা রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কোনো তথ্যদাতার পরিচয় প্রকাশ হয়ে গেলে তাঁরও ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—এই নৈতিক বিষয়টি সাংবাদিককে সবসময় মনে রাখতে হবে। এখানে মোবাইল সাংবাদিকতা নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এখন একটি ভালো স্মার্টফোন দিয়েই ছবি, ভিডিও, অডিও, লাইভ রিপোর্ট এবং তাৎক্ষণিক সংবাদ পাঠানো সম্ভব। কিন্তু মোবাইল সাংবাদিকতা শুধু মোবাইল দিয়ে ভিডিও ধারণের নাম নয়; এটি দ্রুত তথ্য সংগ্রহ, যাচাই, সম্পাদনা এবং প্রকাশের একটি সমন্বিত দক্ষতা। মাঠের সাংবাদিককে আলো, শব্দ, ফ্রেম, লোকেশন, সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং তথ্য সংরক্ষণের মৌলিক কৌশল জানতে হবে। তবে প্রযুক্তি যত শক্তিশালী হচ্ছে, ভুল তথ্যের ঝুঁকিও তত বাড়ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি বা ভিডিওকে সত্য ধরে নেওয়া সাংবাদিকতার জন্য বিপজ্জনক। পুরোনো ছবি নতুন ঘটনার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া, সম্পাদিত ভিডিও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ছবি কিংবা বিভ্রান্তিকর শিরোনাম এখন খুব সহজেই জনমত প্রভাবিত করতে পারে। তাই ফ্যাক্ট-চেকিং সাংবাদিকতার অতিরিক্ত দক্ষতা নয়; এটি মৌলিক পেশাগত দায়িত্ব। কোনো ছবি পাওয়া গেলে ছবিটির উৎস, তোলার সময়, স্থান ও প্রেক্ষাপট যাচাই করতে হবে। ভিডিওর আগের ও পরের অংশ খুঁজে দেখা, প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলা, সরকারি বা নির্ভরযোগ্য নথির সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে দেখা এবং একই ঘটনার একাধিক স্বাধীন উৎসের সন্ধান করা জরুরি। সন্দেহ থাকলে ‘প্রকাশ না করা’ও কখনো কখনো সাংবাদিকতার সঠিক সিদ্ধান্ত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মফস্বল সাংবাদিকতার জন্য নতুন সুযোগও তৈরি করেছে। সাক্ষাৎকারের অডিও থেকে খসড়া প্রতিলিপি তৈরি, দীর্ঘ নথি বিশ্লেষণ, তথ্য শ্রেণিবিন্যাস, ভাষাগত সম্পাদনা, অনুবাদ, ডেটা বিশ্লেষণ কিংবা প্রতিবেদনের কাঠামো তৈরিতে এআই সহায়ক হতে পারে। একজন সাংবাদিকের সময় বাঁচাতে এটি কার্যকর হাতিয়ার। কিন্তু এআই কখনো সাংবাদিকের জায়গা নিতে পারে না। কারণ এআই ভুল তথ্য তৈরি করতে পারে, উৎস সম্পর্কে বিভ্রান্ত হতে পারে এবং প্রেক্ষাপটের সূক্ষ্মতা ধরতে ব্যর্থ হতে পারে। তাই এআইকে ‘সহকারী’ হিসেবে ব্যবহার করতে হবে, ‘উৎস’ হিসেবে নয়। এআই কোনো তথ্য দিলে তার স্বাধীন যাচাই ছাড়া তা সংবাদে ব্যবহার করা যাবে না। বিশেষ করে নাম, সংখ্যা, উদ্ধৃতি, আইন, আদালতের সিদ্ধান্ত ও পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে মানবিক যাচাই অপরিহার্য। মফস্বল সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ তাই শুধু প্রযুক্তিনির্ভর নয়; দক্ষতা, নৈতিকতা ও নিরাপত্তার সমন্বয়ের ওপর নির্ভরশীল। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সাংবাদিকদের জন্য নিয়মিত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, তথ্য অধিকার, আদালত প্রতিবেদন, ডেটা সাংবাদিকতা, সাইবার নিরাপত্তা, ফ্যাক্ট-চেকিং এবং এআই ব্যবহারের প্রশিক্ষণ চালু করা দরকার। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের ন্যায্য পারিশ্রমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সবচেয়ে জরুরি হলো সাংবাদিক ও সমাজের সম্পর্কটি নতুন করে ভাবা। সাংবাদিক কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নন, কোনো ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মুখপাত্র নন, আবার প্রশাসনের প্রতিপক্ষও নন। তাঁর দায়িত্ব সত্য অনুসন্ধান করা এবং জনস্বার্থে তা তুলে ধরা। সেই কাজ করতে গিয়ে ভুল হলে সংশোধনের সাহস যেমন থাকতে হবে, তেমনি চাপের মুখেও সত্য তথ্য প্রকাশের নৈতিক দৃঢ়তা থাকতে হবে। মফস্বলের একজন সাংবাদিক যখন একটি ছোট ঘটনার খবর করেন, সেটিই হয়তো কোনো বড় অনিয়মের প্রথম সূত্র। একটি সরকারি প্রকল্পের ছবি, একটি ভাঙা সেতু, একটি হাসপাতালের অব্যবস্থা, একটি নিখোঁজ মানুষের পরিবারের কান্না কিংবা একটি স্থানীয় দুর্নীতির নথি—এসবের মধ্যেই জাতীয় সংবাদ লুকিয়ে থাকতে পারে। তাই মফস্বল সাংবাদিকতাকে ‘ছোট সাংবাদিকতা’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সাংবাদিকতার শক্তি ক্যামেরায় নয়, সত্য যাচাইয়ের ক্ষমতায়; মাইক্রোফোনে নয়, প্রশ্ন করার সাহসে; প্রযুক্তিতে নয়, জনস্বার্থের প্রতি দায়বদ্ধতায়। মফস্বলের সাংবাদিক যদি নিরাপদ না থাকেন, স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে না পারেন এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুরক্ষা না পান, তাহলে দেশের সংবাদব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর দুর্বল হয়ে পড়বে। আর সংবাদব্যবস্থা দুর্বল হলে গণতন্ত্রের আলোও ম্লান হয়। সুতরাং মফস্বল সাংবাদিককে শুধু সংবাদ পাঠানোর মানুষ হিসেবে নয়, গণতান্ত্রিক সমাজের মাঠপর্যায়ের প্রহরী হিসেবে দেখতে হবে। তাঁর হাতে আধুনিক প্রযুক্তি দিতে হবে, তথ্যের দরজা খুলতে হবে, আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং সর্বোপরি তাঁকে ভয়মুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। কারণ সত্যের সবচেয়ে কাছের মানুষটি অনেক সময় রাজধানীর বড় সংবাদকক্ষে বসে থাকেন না—তিনি থাকেন কোনো জেলা শহরের ছোট্ট অফিসে, হাতে একটি মোবাইল ফোন, সামনে একটি অসম্পূর্ণ তথ্য, আর মনে একটি অদম্য প্রশ্ন নিয়ে—‘আসল সত্যটা কী?’ সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার অধিকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই একটি সভ্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব। লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ।drharun.press@gmail.com এইচআর/এএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>