বিজ্ঞাপন
নগরবাসীকে মশাবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও সমন্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি বলেন, সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অভিযানে যুক্ত করতে হবে।
মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত লার্ভিসাইডিং ও ফগিংয়ের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার সংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় নগরীর বিভিন্ন অঞ্চলে মশার প্রজননস্থল চিহ্নিতকরণ ও ধ্বংস, মাঠপর্যায়ে কাজের নিবিড় তদারকি এবং বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে আন্তঃসমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, কেবল কীটনাশক ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না। এর জন্য প্রয়োজন মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং নাগরিকদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা। সম্প্রতি ডিএসসিসি পরিচালিত এক জরিপে প্রায় ৬০ শতাংশ বাসাবাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়া গেছে, যা উদ্বেগজনক। তাই সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অভিযানে যুক্ত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির পর বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব ও পরিত্যক্ত পাত্রে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। মশামুক্ত ও সুস্থ নগরী গড়তে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
এএমএ
বিজ্ঞাপন