ব্রেকিং নিউজ
ভারতে ‘তেলাপোকাদের’ দাবি মেনে এফআইআর খারিজ করলেন সুপ্রিম কোর্ট দক্ষিণ আফ্রিকায় ট্রিপল সেঞ্চুরি, হৃদয়ের ইতিহাস নতুন সিইওর দায়িত্ব গ্রহণ, অ্যাপলের সামনে নতুন ভারসাম্যের পরীক্ষা ঘরে ঢোকেন পুলিশ পরিচয়ে, পরে বলেন সাংবাদিক, ভিডিও ধারণ, চাঁদা দাবি কওমি মাদরাসার জন্য ৬ শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আধুনিকায়নে ১৮০ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প মিশর-চীন সম্পর্ক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র যমুনা গ্রুপে নিয়োগ, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগ Indian Cricket: কাল গম্ভীর-লক্ষ্মণ-আগরকরকে নিয়ে বৈঠক বোর্ড কর্তাদের, পারফরম্যান্স ও চোট নিয়ে ঝড় উঠবে? ICC Ranking: আইসিসির ব্যাটার ও বোলারদের তালিকায় ক্ষতির মুখে শুভমন ও বুমরা, কে কত নম্বরে রয়েছেন?
জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে চাইলেই মিলবে না শিশুদের নাগরিকত্ব, আসছে নতুন নিয়ম

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার সময় মা-বাবার নিজেদের নাগরিকত্ব বা অভিবাসনসংক্রান্ত অবস্থার প্রমাণ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার সর্বশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই প্রস্তাব করা হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের পর্যালোচনা করা খসড়া নির্দেশনায় প্রথমবারের মতো বিস্তারিতভাবে উঠে এসেছে, কীভাবে ট্রাম্পের ৬ আগস্টের নির্বাহী আদেশ বাস্তবায়ন করতে পারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই আদেশে যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্ম দেওয়ার মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রবণতা, যাকে ‘বার্থ ট্যুরিজম’ বলা হয়, সেটিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য করা হয়েছে। পাশাপাশি জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক কিছু ব্যতিক্রমও বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্ন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠিয়েছে হোয়াইট হাউজ। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই প্রশাসন মার্কিন নাগরিকত্বের অর্থ ও মূল্য রক্ষা করবে। এর মধ্যে পাসপোর্ট যাচাইয়ের প্রক্রিয়াও সেই মানদণ্ড পুরোপুরি প্রতিফলিত করছে কি না, তা নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্ত। অভিবাসনবিরোধী ব্যাপক পদক্ষেপের মধ্যে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করা ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এর আগে এ বিষয়ে ট্রাম্পের করা একটি নির্বাহী আদেশকে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট অসাংবিধানিক বলে রায় দিয়েছিল। ট্রাম্পের প্রথম নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া কোনো শিশু তখনই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে, যদি তার অন্তত একজন বাবা বা মা মার্কিন নাগরিক অথবা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা, অর্থাৎ গ্রিন কার্ডধারী হন। তবে ৬-৩ ভোটে দেওয়া রায়ে সুপ্রিম কোর্ট ওই আদেশকে বেআইনি ঘোষণা করে। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিদের মতে, আদেশটি মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর নাগরিকত্বসংক্রান্ত ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ট্রাম্পের নতুন আদেশ কীভাবে কার্যকর হতে পারে ট্রাম্পের ৬ আগস্টের আদেশটি আগেরটির তুলনায় অপেক্ষাকৃত সীমিত। এতে বিশেষভাবে ‘বার্থ ট্যুরিজম’-এর ওপর নজর দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ যেসব নারী সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করেন ও সন্তানকে স্বয়ংক্রিয় মার্কিন নাগরিকত্ব পাইয়ে দিতে চান, তাদের বিষয়টি এর আওতায় আসবে। তবে নতুন এই আদেশও আদালতে আটকে যেতে পারে। নতুন খসড়া নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো শিশুর বাবা বা মা যদি যুক্তরাষ্ট্রে কোনো বিদেশি সরকারের হয়ে কাজ করেন, নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য প্রতারণা বা কোনো বাণিজ্যিক লেনদায়ে যুক্ত থাকেন, অথবা ‘এলিয়েন এনেমি’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হন, তাহলে সেই শিশুর নাগরিকত্ব আটকে দেওয়া হতে পারে। স্টেট ডিপার্টমেন্টের খসড়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আবেদনকারী নির্বাহী আদেশ ১৪৪১৮-এর আওতাভুক্ত কি না, তা নির্ধারণের অংশ হিসেবে বিভাগটি বাবা-মায়ের তথ্য এবং তাঁদের নাগরিকত্ব বা অভিবাসনসংক্রান্ত অবস্থার প্রমাণ চাইবে। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে শিশুদের পাসপোর্টের আবেদন জমা দেওয়ার সময় সব বাবা-মা বা আইনগত অভিভাবককে নিজেদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। এর মধ্যে বৈধ মার্কিন পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধনের সনদ থাকতে পারে। অন্যদিকে, যারা মার্কিন নাগরিক নন, তাঁদের নিজেদের অভিবাসন–সংক্রান্ত অবস্থার প্রমাণ দিতে হতে পারে। এর উদাহরণ হিসেবে আই-৯৪ ফর্ম অথবা বৈধ স্থায়ী বসবাসের কার্ড বা গ্রিন কার্ডের কথা বলা হয়েছে। খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, এসব তথ্য ব্যবহার করে সরকার নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট শিশু নতুন নির্বাহী আদেশের আওতায় মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য কি না। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের পাসপোর্টের আবেদন করার সময় বাবা-মাকে মূলত সন্তানের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের প্রমাণ ও নিজেদের ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র দেখাতে হয়। আবেদনপত্রে তারা মার্কিন নাগরিক কি না, সেটিও উল্লেখ করতে হয়। তবে এ দাবির সমর্থনে আলাদা কোনো নথি জমা দিতে হয় না। আদালতে চ্যালেঞ্জ ট্রাম্পের প্রথম নির্বাহী আদেশের আওতায় নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হতে পারে এমন শিশুদের পক্ষে মামলা করা আইনজীবীরা এরই মধ্যে দুটি পৃথক ফেডারেল আদালতের বিচারকের কাছে ট্রাম্পের সর্বশেষ আদেশ কার্যকর হওয়া ঠেকানোর আবেদন করেছেন। এর একটি মামলা চলছে ফেডারেল জেলা বিচারক ডেবোরা বোর্ডম্যানের আদালতে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাকে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টে এক শুনানিতে বিচারক বোর্ডম্যান ট্রাম্পের আদেশকে ‘নজিরবিহীন’ হিসেবে উল্লেখ করে এ বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বাদীপক্ষকে তাদের মামলা সংশোধনের অনুমতি দেন, যাতে তিনি আদেশটি আটকে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে বিবেচনা করতে পারেন। তবে বিচার বিভাগের আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি দিয়েছেন, এই মুহূর্তে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করা যথাযথ হবে না। তাদের দাবি, আইনি চ্যালেঞ্জটি সময়ের আগেই করা হয়েছে, কারণ প্রেসিডেন্টের নির্দেশনা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ফেডারেল সংস্থাগুলো এখনো জনসমক্ষে কোনো নির্দেশনা জারি করেনি। সূত্র: রয়টার্স এসএএইচ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>