বিজ্ঞাপন
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের ১৮-২০ কোটি মানুষের যে প্রত্যাশা এখন পর্যন্ত দেশের মধ্যে আছে, যে দেশের আকাঙ্ক্ষায় এত মানুষ জীবন দিয়েছে, সেই দেশ আমরা পাবো।’
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এ আলোচনার আয়োজন করে জামালপুর সমিতি।
বিএনপির আরেক মহাসচিব ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কথা তুলে ধরে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘একদিন এখানেই একটা সভার মধ্যে দেখলাম, কী কারণে যেন সবাই হইচই করছে। বিএনপির সভা ছিল। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছিলেন, অন্য নেতারা ছিলেন, আমিও ছিলাম। একটা সময় উনি (মির্জা ফখরুল) সবাইকে চুপ করতে কয়েকবার অনুরোধ করেন। শেষে উনি বললেন, ‘আপনারা যদি চুপ না করেন তাহলে আমি সভা ছেড়ে চলে যাবো, আমার কাছে আর কোনো বিকল্প নাই।’ আমার কাছে মনে হলো যে তিনি ধমক দেওয়ার বদলে তাদের ওপর এমনভাবে একটা চাপ দিলেন, এরপর তারা চুপ হয়ে যেতে বাধ্য হলো। আমি আবার বলি, বিনয়ের কোনো বিকল্প নেই। রাজনীতিতে যিনি বিনয়ী নন, উনি শেষ পর্যন্ত জিতেন না।’
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামমুখী ১১ দলের লংমার্চে থাকবে ১৫০০ গাড়ি: গোলাম পরওয়ার
তিনি আরও বলেন, ‘চাপাবাজি না করে নিজের যোগ্যতা দিয়ে, জ্ঞান দিয়ে ঠিকই দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে পারেন, সেরকম মানুষই আমাদের কাছে প্রয়োজন। সেরকম মানুষ যদি নেতৃত্বে আসে তাহলে দেশের জন্য ভালো কিছু হতে পারে। আবদুস সালাম তালুকদারকে আমি ওইরকম একজন মানুষ মনে করতাম।’
যে রাজনৈতিক নেতা সমগ্র বিষয় বুঝে দল ও দেশ পরিচালনার জন্য চেষ্টা করেন, সে রকম নেতাদেরই এখন দেশে বেশি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন মাহমুদুর রহমান মান্না।
তিনি বলেন, ‘অনেক বড় লড়াইয়ের পর একটা নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এই নির্বাচিত সরকারের কাছে কী চান? পুরা দেশকে আমরা সেই জায়গায় নিয়ে যেতে চাই, যেখানে একটা সত্যিকারের সেই বাংলাদেশ গড়ে ওঠবে, যেই বাংলাদেশ আমাদের সবার জন্য শুভকর একটা দেশ হবে। সবার জন্য বসবাস উপযোগী হবে। এরকম দেশ গড়তে সেই রকম নেতৃত্ব দরকার।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামালপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম। প্রধান আলোচক ছিলেন জামালপুর সমিতির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার।
কেআর/একিউএফ
বিজ্ঞাপন