ব্রেকিং নিউজ
জাতীয়

রাতের নির্জনতায় যে দোয়া পড়তেন মহানবী (সা.)

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত এক রাতে তিনি নিজের খালা উম্মুল মুমিনীন মায়মুনার (রা.) ঘরে অবস্থান করছিলেন। গভীর রাতে মহানবী (সা.) ঘুম থেকে উঠে ওজু করে নামাজে দাঁড়ান। দীর্ঘসময় নামাজ আদায়ের পর তিনি এই  দোয়া পাঠ করেন:  اَللهُمَّ اجْعَلْ فِىْ قَلْبِىْ نُوْراً وَفِىْ لِسَانِىْ نُوْراً وَاجْعَلْ فِىْ سَمْعِىْ نُوْراً وَاجْعَلْ فِىْ بَصَرِىْ نُوْراً وَاجْعَلْ مِنْ خَلْفِىْ نُوْراً وَمِنْ أَمَامِىْ نُوْراً وَاجْعَلْ مِنْ فَوْقِىْ نُوْراً وَ مِنْ تَحْتِىْ نُوْراً اَللهُمَّ أَعْطَنِىْ نُوْراً উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাজআল ফি কালবি নুরান ওয়া ফি লিসানি নুরান ওয়াজআল ফি সাময়ি নুরান ওয়াজআল ফি বাসারি নুরান ওয়াজআল মিন খালফি নুরান ওয়া মিন আমামি নুরান ওয়াজআল মিন ফাউকি নুরান ওয়া মিন তাহতি নুরান। আল্লাহুম্মা আ’তিনি নুরান। অর্থ: হে আল্লাহ! আমার অন্তরে নুর দান করুন, আমার জিহ্বায় নুর দান করুন, আমার কানে নুর দান করুন, আমার চোখে নুর দান করুন, আমার পেছন থেকে নুর দান করুন, আমার সামনে থেকেও নুর দান করুন, আমার ওপর থেকে নুর দান করুন, আমার নিচ থেকেও নুর দান করুন। হে আল্লাহ! আমাকে নুর দান করুন। (সহিহ মুসলিম) আরও পড়ুন গভীর রাতে যে দোয়া পড়লে মনের আশা পূরণ হয় রাতের নির্জনতায় নামাজ ও দোয়া আল্লাহর নৈকট্য লাভের শ্রেষ্ঠ উপায়। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর নফল নামাজসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ আমল রাতের নামাজ বা তাহাজ্জুদের নামাজ। হজরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেন, রমজানের পর রোজা রাখার উত্তম সময় মুহাররম মাস আর ফরজ নামাজের পর উত্তম নামাজ রাতের নামাজ। (সহিহ মুসলিম) হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আপনারা কিয়ামুল লাইলের প্রতি যত্নবান হোন। কারণ এই নামাজ আপনাদের পূর্ববর্তী নেক ব্যক্তিদের অভ্যাস এবং রবের নৈকট্য লাভের বিশেষ মাধ্যম, পাপরাশী মোচনকারী এবং গোনাহ থেকে বাধা প্রদানকারী। (সুনানে তিরমিজি) আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কখনও রাতের নফল নামাজ ছাড়েননি। ছুটে গেলে কাজা করতেন। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, নবীজি রাতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এত বেশি নামায পড়তেন যে, তার পা ফুলে যেতো। নবীজির (সা.) কষ্ট দেখে আয়েশা (রা.) একদিন বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আপনি এত কষ্ট করছেন, অথচ আপনার পূর্বাপর সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে! আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার কি শোকর আদায়কারী বান্দা হওয়া উচিত নয়? (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম) অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে, আয়েশা (রা.) আবদুল্লাহ ইবনে কাইসকে (রা.) বলেছেন, হে আবদুল্লাহ! কিয়ামুল লাইল কখনো ছেড়ো না! নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ নামাজ কখনো ছাড়েননি। কখনো অসুস্থতা বা দুর্বলতা বোধ করলে বসে আদায় করতেন। (সুনানে আবু দাউদ)  আরও পড়ুন কোরআনের বর্ণিত ৭ নবীর শ্রেষ্ঠ দোয়া রাসুল (সা.) নিজে তাহাজ্জুদ আদায়ের পাশাপাশি পরিবার-পরিজনদেরও তাহাজ্জুদ আদায় করতে উৎসাহ দিতেন। সাহাবিদেরও উৎসাহ দিয়েছেন স্বামী ও স্ত্রী যে আগে জেগে উঠবে সে যেন তাহাজ্জুদের জন্য অপরজনকে জাগিয়ে দেয়। আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ সেই পুরুষের ওপর রহম করুন যে রাতে উঠে নামাজ পড়ে এবং তার স্ত্রীকেও জাগায়, তারপর সেও নামাজ পড়ে। স্ত্রী না উঠতে চাইলে তার চেহারায় পানি ছিটিয়ে দেয়। আল্লাহ ওই নারীর ওপর রহম করুন, যে রাতে উঠে নামাজ পড়ে এবং তার স্বামীকেও জাগায়, আর সেও নামাজ পড়ে। স্বামী না উঠতে চাইলে সে তার চেহারায় পানি ছিটিয়ে দেয়। (সুনানে ইবনে মাজা, মুসনাদে আহমদ) ওএফএফ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>