বিজ্ঞাপন
নতুন মৌসুমে বদলে গেছে আরলিং হালান্ডের চেহারা। ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারকে এবার দেখা যাচ্ছে ছোট চুলে। মাঠে অবশ্য চেনা সেই হালান্ডই- গোল করছেন, দলকে জেতাচ্ছেন। তবে নতুন লুক নিয়ে খুশি হলেও নিজের সেই পরিচিত লম্বা চুলকে মিস করছেন তিনি।
কভেন্ট্রি সিটির বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির ১-০ গোলের জয়ের পর নতুন চুলের স্টাইল নিয়ে কথা বলেন হালান্ড। ম্যাচের একমাত্র গোলটিও করেন তিনি। তার গোলেই প্রিমিয়ার লিগে জয় পায় ম্যানসিটি এবং চলতি মৌসুমে নিজেদের অপরাজিত থাকার ধারাও ধরে রাখে।
মৌসুমের শুরু থেকেই হালান্ডকে দেখা যাচ্ছে আগের তুলনায় অনেক ছোট চুলে। দীর্ঘদিন ধরে তার চেহারার অন্যতম পরিচিত বৈশিষ্ট্য ছিল লম্বা সোনালি চুল। নতুন মৌসুমে সেটি কেটে ছোট করে ফেলেছেন তিনি।
নতুন এই লুক কেমন লাগছে- এমন প্রশ্নের জবাবে হালান্ড বলেন, ছোট চুলে তার কাজ অনেক সহজ হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবর্তনের প্রয়োজনও অনুভব করছিলেন তিনি।
হালান্ডের ভাষায়, ‘এটা অনেক সহজ। আমার মনে হয়, পরিবর্তনের সময় হয়ে গিয়েছিল। আমার ভালোই লাগছে। অবশ্যই আমি আমার লম্বা চুলকে মিস করি। কিন্তু পরিবর্তনের সময় ছিল এবং এখন পর্যন্ত আমি এটা উপভোগ করছি। আবার চুল বড় হবে এবং আশা করি আবার লম্বা হবে।’
অর্থাৎ, আপাতত ছোট চুলেই সন্তুষ্ট নরওয়ের এই তারকা। তবে তার পুরোনো লম্বা চুলে ফেরার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বরং হালান্ড নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন, চুল আবার বড় হলে হয়তো ফিরে আসবেন সেই পরিচিত লুকে।
ব্রাজিলকে হারানোর স্মৃতি এখনও টাটকা
নতুন লুকের পাশাপাশি হালান্ড কথা বলেছেন নরওয়ের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি নিয়েও। ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। নরওয়ের জন্য ম্যাচটি কেন এত বিশেষ ছিল, সেটিও ব্যাখ্যা করেছেন হালান্ড।
দুই দলের বিশ্বকাপ ইতিহাসের একটি মজার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের ম্যাচের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। বিশ্বকাপে নরওয়ে এর আগে সর্বশেষ যখন খেলেছিল, তখনও প্রতিপক্ষ ছিল ব্রাজিল। আর ব্রাজিলের বিপক্ষে কখনো হারেনি নরওয়ে- এই ইতিহাসও ম্যাচটিকে বিশেষ করে তুলেছিল।
হালান্ড বলেন, ‘নরওয়ের জন্য এটি বিশেষ একটি ম্যাচ ছিল। কারণ বিশ্বকাপে সর্বশেষ যখন আমরা খেলেছিলাম, তখনও ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলেছিলাম। আর নরওয়েই একমাত্র দল, যাদের ব্রাজিল কখনো হারাতে পারেনি। তাই এটি বিশেষ ছিল।’
শুধু জয় নয়, পুরো ম্যাচে নরওয়ের নিয়ন্ত্রণও হালান্ডকে মুগ্ধ করেছে। তার মতে, ইতিহাসের সেরা ম্যাচগুলোর একটি ছিল সেটি। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই ম্যাচটি বিশেষ ছিল। আমরা জিতেছিলাম, অসাধারণ ছিল। আমরা যেভাবে ম্যাচটি নিয়ন্ত্রণ করেছি, তাতে এটি আমাদের ইতিহাসের সেরা ম্যাচ।’
ব্রাজিলকে তিনি ফুটবলের অন্যতম সেরা দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই দেশের বিপক্ষে খেলা এবং জয় পাওয়ার অভিজ্ঞতাকে তাই আলাদা করে দেখছেন নরওয়ের তারকা।
হালান্ডের ভাষায়, ‘এমন একটি মহান ফুটবল জাতির বিপক্ষে খেলা বিশেষ কিছু। ফুটবলের দেশ, যেখানে সবাই এই খেলাটির প্রতি ভীষণ আবেগী। এটি বিশেষ ছিল। দারুণ একটি স্মৃতি। আরেকবার বলছি, হারের জন্য দুঃখিত। কিন্তু এটাই ফুটবল।’
আইএইচএস/
বিজ্ঞাপন