ব্রেকিং নিউজ
ঢাবির জগন্নাথ হলে ক্যান্টিন পরিচালনায় প্রথমবার নারী উদ্যোক্তা বেতন বাড়বে ১০০-১৪২%, দেওয়া হবে চার ধাপে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে আছে: সারাহ আলড্রিচ টানেলে আটকে ৬০০ জন, উদ্ধারের জন্য পাহাড়ে বিস্ফোরণ ঘটালো নেপাল সোনা ছিনতাইয়ের মামলায় কারাগারে দুই ছাত্রদল নেতা বাছাইপর্বে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে হেরে শুরু বাংলাদেশের বাংলাদেশ সাইকিয়াট্রিক কেয়ারের ৫ম বর্ষপূর্তি উদ্যাপন গুমের অপরাধীদের বিচার ও সঠিক আইন প্রণয়নের দাবি ভুল মন্তব্যে নায়িকা পপির ক্ষোভ, সিনেমা তার কাছে পবিত্র জায়গা সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের জন্য প্রয়োজন কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা
জাতীয়

শিক্ষার্থীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক, শিক্ষিকার ৭ বছরের কারাদণ্ড

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
স্কুলে শিক্ষিকার সঙ্গে শিক্ষার্থীর সম্পর্ক নিয়ে ফের গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। স্কুল ক্যাম্পাসে এক কিশোর শিক্ষার্থীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে এক শিক্ষিকাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতে অভিযোগ স্বীকার করার পর তার জন্য নির্ধারিত হয়েছে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড ও পরবর্তী নজরদারি। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার এক উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষিকা হিদার ম্যাশবার্ন-স্মিথকে ৩৭ বছর বয়সে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ড শেষে তাকে আরও ১৫ বছর প্রবেশন বা আদালতের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে। তিনি মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ১৭ বছর বয়সী (অপ্রাপ্তবয়স্ক) এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে সঙ্গে বেআইনিভাবে যৌন কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ স্বীকার করেন। এবিসি৭-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পোর্ট শার্লট হাইস্কুলের ক্যাম্পাসে এপ্রিল মাসে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে দুইবার যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ ওঠে ম্যাশবার্ন-স্মিথের বিরুদ্ধে। এরপর ২৯ এপ্রিল তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তদন্তকারীদের কাছে ম্যাশবার্ন-স্মিথ অভিযোগের বিষয়ে ‘পূর্ণাঙ্গ, মিরান্ডা-পরবর্তী স্বীকারোক্তি’ দেন বলে জানিয়েছে শার্লট কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়। যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেফতারের পর কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের আগে তার কিছু সাংবিধানিক অধিকার সম্পর্কে জানানো হয়, যা সাধারণভাবে ‘মিরান্ডা রাইটস’ নামে পরিচিত। শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্বে থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের মাত্রা আরও গুরুতর হিসেবে বিবেচিত হয় ও সেটি প্রথম-স্তরের গুরুতর অপরাধে উন্নীত করা হয়। ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন শার্লট কাউন্টির শেরিফ বিল প্রামেল। তার ভাষ্য, ম্যাশবার্ন-স্মিথের কর্মকাণ্ড শুধু বেআইনিই নয়, এর প্রভাব স্কুলের শিক্ষার্থী ও কর্মীদের ওপরও পড়ে। যে শিক্ষার্থীকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব তার ছিল, তার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তিনি ওই শিক্ষার্থীর ক্ষতি করেছেন বলেও মন্তব্য করেন শেরিফ। তদন্তকারীদের দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসাও করেন তিনি। ফ্লোরিডায় যৌন সম্মতির আইনগত বয়স ১৮ বছর। ফলে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর সঙ্গে ওই শিক্ষিকার যৌন সম্পর্কের অভিযোগ আইনগতভাবে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। গ্রেফতারের পর পোর্ট শার্লট হাইস্কুল থেকে ম্যাশবার্ন-স্মিথকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সাজা ঘোষণার সময় কারাগারে আগে কাটানো ১১৮ দিনের সময়ও তার মোট সাজা থেকে হিসাবের মধ্যে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগ শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অনুপযুক্ত বা বেআইনি যৌন সম্পর্কের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের বিষয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে শিক্ষকদের অসদাচরণের ৫০০টিরও বেশি ঘটনা রিপোর্ট করা হয়েছিল। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর একজন কোনো না কোনো ধরনের শিক্ষকের যৌন অসদাচরণের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে। ২০২৩ সালেও পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণ রয়েছে। ওই বছর শিশুদের সঙ্গে যৌন অপরাধ-সম্পর্কিত ঘটনায় প্রায় ৩৫০ জন সরকারি শিক্ষাবিদ বা শিক্ষা খাতের কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা বাড়ার পেছনে একাধিক কারণ কাজ করতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যৌন অসদাচরণ নিয়ে সচেতনতা ও অভিযোগ জানানোর প্রবণতা বৃদ্ধি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপযুক্ত যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হওয়া, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে পেশাগত সীমারেখা দুর্বল হয়ে যাওয়া, নিয়োগের সময় পর্যাপ্ত যাচাই না করা এবং নৈতিকতা ও পেশাগত সীমারেখা নিয়ে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের সীমারেখা নিয়ে উদ্বেগের আরেকটি ঘটনা সামনে আসে গত মাসে। যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ বছর বয়সী এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রথম-স্তরের যৌন অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, প্রতিবেশী একটি স্কুলের এক কিশোর শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাঁর যৌন সম্পর্ক ছিল। স্পোকসম্যান-রিভিউয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাকেঞ্জি নট নামে ওই নারী ওয়াশিংটনের সেন্ট জন এলিমেন্টারি স্কুলে প্রথম শ্রেণির শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করার পরপরই ওই কিশোরের ট্রাকের ভেতরে কথিত যৌন সম্পর্কের ঘটনাটি ঘটে। ওই কিশোর পাশের একটি স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয় নটের স্বামীর মাধ্যমে। তিনি ওই কিশোরের উচ্চবিদ্যালয়ে সহকারী ট্র্যাক কোচ হিসেবে কাজ করতেন। পরে তিনি পুলিশকে বিষয়টি জানান ও তার স্ত্রীর মোবাইল ফোনের কিছু স্ক্রিনশট তদন্তকারীদের দেন। ওই স্ক্রিনশটগুলো অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে কাজ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট, এনডিটিভি এসএএইচ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>