জাতীয়

সুনেরাহ্‌ বিনতে কামাল বললেন, ‘আমি আসলে খানিকটা সময়ের জন্য পেতনি হতেও চাই’

P
Prothom Alo অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad

সুনেরাহ্‌ বিনতে কামাল দেশের সেই হাতে গোনা ভাগ্যবান অভিনয়শিল্পীদের একজন, যিনি অভিষেক সিনেমার জন্য পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। নিজের সিনেমা নিয়ে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে ছিলেন সুনেরাহ্‌। অবশেষে সেই সুযোগ এল এবং স্বপ্নপূরণ শেষে ঢাকায় ফিরেও এসেছেন। ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমায় অভিনয় করা এই অভিনেত্রী ও মডেলের সঙ্গে কথা বললেন জিনাত শারমিন। শুনলেন তাঁর ভেনিসের অভিজ্ঞতা, অভিনয়জীবন, ফ্যাশন, খাবার, প্রতিদিনের রুটিন, ফিটনেস ও রিলেশনশিপ স্ট্যাটাসের কথা

অভিনন্দন। কোথায় আছেন, কেমন আছেন?

ধন্যবাদ। বাসায় আছি। ভালো আছি। শুটিংয়ের জন্য প্যাক করছি।

ফিরেছেন কবে?

দুদিন হলো।

কী কাজ এটা? কোথায় যাচ্ছেন?

রাফাত মজুমদার রিংকুর একটা সিঙ্গেল নাটক। খুবই সুন্দর গল্প। আমার সঙ্গে আছেন ইয়াশ রোহান। চার দিনের শুটিং হবে ময়মনসিংহে।

সুনেরাহ্‌ বিনতে কামাল
নিজের সিনেমা নিয়ে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে ছিলেন সুনেরাহ্‌

বাহ্‌, ফ্রম ভেনিস টু ময়মনসিংহ। ভেনিস থেকে কী কী নিয়ে এলেন?

অনেক অনেক কমপ্লিমেন্ট, আত্মবিশ্বাস, সুন্দর সুন্দর মুহূর্ত, স্মৃতি এবং আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা। ওখানে অনেকেই আমাকে ঘুরেফিরে তিনটা কথা বলেছে। এক, আমি খুবই সুন্দর। অনেক সুন্দর করে নিজেকে ক্যারি করি। দুই, আমি ভালো অভিনয় করি। তিন, আমি অনেক সুন্দর করে কথা বলি।

আমি আসলে অনেক দিন ধরেই এ রকম একটা ফেস্টিভ্যালে যেতে চাইছিলাম। এর আগে আমি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে গিয়েছিলাম ‘মশারি’ (নুহাশ হুমায়ূন পরিচালিত হরর স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা) নিয়ে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভেনিসে অনেকে ‘মশারি’ দেখেছেন। আর আমাকে বলেছেন, ‘তুমি ওই শর্টফিল্মটায় ছিলে না?’

আমার খুব অবাক লেগেছে, তার চেয়েও বেশি ভালো লেগেছে। এখানে বিশ্বের নানা প্রান্তের সিনেমার মানুষজন—সাংবাদিক, সমালোচক, প্রযোজক, পরিচালক ও অন্যান্য কলাকুশলীর সঙ্গে আলাপ-পরিচয় হয়। সিনেমার মানুষ মানে তো আমরা আমরাই।

ওখানকার অনেকেই আমার ফোন নম্বর নিয়ে রেখেছেন। অনেকেই বলেছেন, আমি কেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করছি না! প্রযোজকেরা বলেছেন, আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমি বলেছি, ‘শিডিউল থাকবে কি না জানি না, তবে অবশ্যই জানাব।’

সুনেরাহ্‌ বিনতে কামাল
সুনেরাহ্‌র হাতের এখন বেশি কিছু ভালো স্ক্রিপ্ট আছে, অভিনয় করছেন নিয়মিত

আপনার হাতে কি এখন অনেক কাজ?

হ্যাঁ। আলহামদুলিল্লাহ, এখন, এ সময়ে দাঁড়িয়ে অনেক কাজের অফার পাচ্ছি। এখন আমার হাতে ভালো কিছু স্ক্রিপ্ট আছে। ভারতেও তো দুটি প্রজেক্টে কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু সেসব আর করা হলো না। এ ছাড়া আমি তো বাংলাদেশের অন্যতম ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড এক্‌সট্যাসিতে ২০১৫ সাল থেকে চাকরি করি। শুটে মডেলদের স্টাইলিস্ট হিসেবে কাজ করি। এখন মার্কেটিংও দেখি।

আপনি তো ওখানকার মডেল ছিলেন শুরুতে?

হ্যাঁ। ২০১৩ সাল থেকে ওখানে মডেলিং করতাম।

সুনেরাহ্‌ বিনতে কামাল শাড়ি
সুনেরাহ্‌র প্রিয় পোশাকের একটি শাড়ি

আপনি রুবাইয়াত হোসেনের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’–এ যুক্ত হলেন কীভাবে?

খুবই আচমকা যুক্ত হয়েছি। কয়েক বছর আগে রুবাইয়াত হোসেনের সঙ্গে আমি নারীদের একটা টক শোতে অতিথি হিসেবে ছিলাম। সেই অনুষ্ঠানে রুবাইয়াত জানিয়েছিলেন, তিনি আমার সঙ্গে কাজ করতে চান।

আমি তাৎক্ষণিকভবে বলেছিলাম, ‘অবশ্যই!’ এরপর একদিন আমাকে ফোন করে বলেন, এ রকম একটা কাজ করছেন। এই চরিত্রটার জন্য আমাকেই চান। তারপর আমরা বসলাম। আর এত ইন্টারেস্টিং একটা চরিত্র!

আপনার চরিত্র নিয়ে একটু বলবেন? আমাদের তো কোনো ক্লুও নেই।

আমি একটা গোস্ট-ব্রাইড। একেবারে খাঁটি বাংলাদেশি, ঢাকা শহরের বউ যাকে বলে! তবে এর বেশি কিছুই বলা যাবে না।

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা বলুন একটু।

প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে ২–৩ ঘণ্টা ধরে পুরোপুরি ব্রাইডাল মেকআপ নিতাম। লাক্সারি ব্রাইডাল আউটফিটের ব্র্যান্ড সারা করিমের নকশা করা ভারী একটা লেহেঙ্গা, ভারী গয়না, বিয়ের ওড়না, হাতে ফেব্রিক দিয়ে আঁকা, ফেক নেইলস—এসব নিয়ে সারা দিন ওয়াশরুমে যেতে পারতাম না।

ভোরে মেকআপ নিতে বসার আগে যেতাম অথবা শুটিং শেষ হওয়ার পর। এটুকু ছাড়া খুবই দারুণ ছিল অভিজ্ঞতা। পুরো বিদেশি সেটআপ, ক্রু। আমি আগে এমন সেটআপে কাজ করিনি। আমাকে এই সিনেমায় এত সুন্দর লেগেছে যে এত সুন্দর বোধ হয় আমাকে আর কোথাও লাগেনি!

‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার মুখ্য চার নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন (বাঁ থেকে) সুনেরাহ্‌ বিনতে কামাল, আজমেরী হক বাঁধন, জাইনীন চৌধুরী করিম ও রিকিতা নন্দিনী শিমু

শুটিং তো হয়েছে রুবাইয়াত হোসেনের বাসায়?

হ্যাঁ। আমার সাত–আট দিনের শুটিং ছিল।

সিনেমায় আপনার মেকআপ করেছেন কে?

নাভিন আহমেদের গ্ল্যাম মেকওভার স্টুডিও অ্যান্ড স্যালন।

আপনি যখন জানতে পারলেন, সিনেমাটা ভেনিসে আমন্ত্রিত হয়েছে, আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল? কীভাবে ভেনিসের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন?

আমি আসলে জানতাম, সিনেমাটা বিশ্বের প্রথম সারির চলচ্চিত্র উৎসবগুলো থেকে আমন্ত্রণ পাবে। আর আমি ভেনিসেই যেতে চেয়েছিলাম। অন্যদের মতো বলব না যে ‘আমি তো আকাশ থেকে পড়েছি। আমি তো ভাবতেও পারিনি। আমি খুবই সারপ্রাইজড।’

না, আমি জানতাম। একটা কাজ করলে বোঝা যায় যে এটার ক্যালিবার কী, কত দূর যাবে। তাই আমি মোটেও সারপ্রাইজড হইনি। প্রস্তুতি বলতে কেবল কাপড় গুছিয়েছি।

সুনেরাহ্‌ বিনতে কামাল
ভেনিসে কোনো প্রিন্টেড আউটফিট নিয়ে যাননি সুনেরাহ্‌

আপনি তো ভেনিসে কোনো প্রিন্টেড আউটফিট নিয়ে যাননি। সবই ক্ল্যাসিক সাদা, কালো, গাঢ় বাদামি, গোলাপি মনোক্রোম। সাদাটাও ঠিক সাদা নয়, একটু আইভরি ধরনের…আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে ওই স্ট্রিটওয়্যারটি, স্রেফ সাদা একটা রেট্রো প্যান্ট, সাদা ট্যাংক টপ–জাতীয় খুবই মিনিমাল একটা টপ আর সাদা ব্যাগ। সঙ্গে সানগ্লাস আর খুবই মিনিমাল জুয়েলারি।

ওটা কিন্তু আমি কোথাও থেকে নিইনি। আমার নিজের সংগ্রহ থেকে পরেছি। নিজেই স্টাইলিং করেছি। আমি এমনভাবে পোশাক বেছে নিয়েছি, যাতে লোকজন নিজে এসে আমার সঙ্গে কথা বলে। হয়েছেও তা–ই। অনেকেই জিজ্ঞেস করেছে, ‘তুমি কোন দেশ থেকে এসেছ? বা কোন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করো?’

সুনেরাহ্ বিনতে কামাল
গাঢ় বাদামিরঙা মিনিমাল টপ আর সিম্পল একটা মম জিনস, মাথায় একটা বেসবল ক্যাপে ভিনটেজ– অভিজাত সুনেরাহ্‌

আপনি যে ভেনিসে শুধু একটা গাঢ় বাদামিরঙা মিনিমাল টপ আর সিম্পল একটা মম জিনস, মাথায় একটা বেসবল ক্যাপ আর সানগ্লাস পরে নিজেকে ক্যারি করেছেন, প্রথম সারির একটা চলচ্চিত্র উৎসবে এত মিনিমাল কেউ ছিল কি না কে জানে! কিন্তু খুবই ভিনটেজ, অভিজাত লেগেছে।

ওই ক্রপ টপটা আমি জারা থেকে নিয়েছিলাম। জারা ওই টপের যতগুলো রঙে এনেছে, সবই আমার সংগ্রহে আছে। এটা আমার খুবই পছন্দের একটা টপ। আর এটা ছিল আমার এয়ারপোর্ট লুক।

এই পোশাকটার ওপরে একটা স্কাই ব্লু রঙের ডেনিমের জ্যাকেট পরেছিলাম। ভেনিসে নেমে গরম লাগছিল, তাই খুলে ফেলি আর ক্যাপটা পরি।

সুনেরাহ্ বিনতে কামাল
ভেনিসে গোলাপি জামদানিতে সুনেরাহ্ বিনতে কামাল

গোলাপি জামদানির ব্লাউজের পেছনে যে অলংকারটা, সেটার সঙ্গে আপনার নেকপিস, কানের দুল, হাতের বাজু, বালা, আংটি আর টিকলির সেটের সঙ্গে মিলে যায়! টিকলিটা এত কিউট! বটুয়াতেও একই মোটিফের অলংকার। যেখান থেকে গয়না নিয়েছেন, সেখান থেকে রেড কার্পেট লুকের জন্য ব্লাউজে আর ব্যাগে জুয়েলারি বসিয়ে কাস্টমাইজড করেছেন?

একদম। আমার ভেনিসের সব গয়না গ্লুড টুগেদার স্পনসর করেছে। ওদের গয়নাগুলো এত সুন্দর! আমি সাধারণত ওদের থেকেই নিই। খুবই মিনিমাল আর সনাতনী।

আপনার প্রিয় পোশাক কী?

জিনস টপ আর শাড়ি। আমার সুতি শাড়ি খুবই পছন্দ। নিজের যে কতগুলো আছে, তার কোনো হিসাব নেই। মায়েরগুলো নিয়েও পরতে থাকি। আর রংপুরে নানির কাছে গেলেও যেগুলো পছন্দ হয়, ভুলিয়ে–ভালিয়ে একটা–দুটো করে নিয়ে আসি। এই পৃথিবীতে আমার নানি আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ।

আপনি কীভাবে এত ফিট থাকেন? গড়পড়তা একটা দিনে, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আপনি কী খান?

আমি সকালে ভাত বা রুটি খাই। এক কাপ ভাত অথবা দুটি রুটি। সঙ্গে সবজি, ডিম, মাংস। মাঝেমধ্যে ইংলিশ ব্রেকফাস্ট করি। দুইটা সসেজ আর ডিমসেদ্ধ। কর্নফ্লেক্সও খাই। পরোটা–মাংসও খাই।

দুপুরে আবার ভাত খাই। বিকেলে নাশতা করি। ফল খাই, বাদাম খাই। পিৎজা, পাস্তা, শর্মা, নুডলস—সব খাই।

সন্ধ্যায় কিছু একটা খাই। ঠিকঠাক ডিনার করি। ডিনারটা সাধারণত বাইরে করি। বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে দেখা করতে, আড্ডা দিতে গিয়ে অথবা কাজের মিটিং সেরে নিই।শুটিং থাকলে সাধারণত ডিনার করি না।

আমি প্রচুর পোলাও আর খিচুড়ি খাই। সঙ্গে সফট ড্রিংকস। সফট ড্রিংকস ছাড়া তো খেতেই পারি না। ছাড়ার চেষ্টা করছি। পারি না। আর প্রচুর চিজ খাই। সকালের নাশতায় চিজ থাকেই।

তবে আমি ব্যালান্স করে খাই। অতিরিক্ত খাই না। আমার ডায়েট শুনলে কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। কিন্তু এটাই সত্যি। বোধ হয় মেটাবলিজম ভালো।

সুনেরাহ্ বিনতে কামাল
সুনেরাহ্‌র ধারণা, তাঁর মেটাবলিজম ভালো

আপনার রান্না কে করেন?

একজন কুক আছেন বাসায়।

বনানীতে একা থাকেন?

না। একা কীভাবে থাকব? একা থাকতে ভয় লাগে। আম্মু, আব্বু, ভাই আছে।

দুটি হরর সিনেমায় অভিনয় করেও একা থাকতে ভয়?

খুউউব। তবে আমি এবার একটা পেতনি চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। আমি আসলে খানিকটা সময়ের জন্য পেতনি হতেও চাই। যারা যারা আমার সঙ্গে সুবিচার করেনি, ওদের একটু ভয় দেখাব। এই আরকি।

ভেনিসে গিয়ে কী কী খেলেন?

ইতালীয় কুজিন আমার সবচেয়ে পছন্দের। আমি একটু পরপর খেয়েছি। বাঁধন আপু (আজমেরী হক বাঁধন) অবাক হয়ে বলেও ফেলেছেন, ‘তুমি না একটু আগে খাইলা?’

আমার একটু পরপর ক্ষুধা লাগত। আমি খেতাম আর হাঁটতাম। হেঁটে হেঁটে ঘুরে বেড়াতাম। কিছুক্ষণ পরপর স্প্যাগেটি খেতাম। মাছ খেতাম। স্টেক, পিৎজা, সিফুড, পাস্তা—মানে কিছু বাদ নেই! খুবই ভালো একটা ট্রিপ ছিল।

সুনেরাহ্ বিনতে কামাল
প্রাডার ককটেল পার্টিতে স্ট্র্যাপলেস করসেট টপ আর একটা মারমেইড স্কার্টে সুনেরাহ্‌

এবার আপনার সবচেয়ে প্রশংসিত লুক নিয়ে কথা বলি। প্রাডার ককটেল পার্টিতে স্ট্র্যাপলেস করসেট টপ আর একটা মারমেইড স্কার্ট… পোশাকটা এত ‘ওয়েল ফিটেড’। কাদের করা?

জোয়ান অ্যাশের। তিনবার গিয়ে মাপ দেওয়া। একেবারে কাস্টমাইজড। প্রথমে একটা ডেমো বানিয়ে শরীরের ওপর বসিয়ে মাপ নিয়েছে। সেটা সেলাই করে একবার পরিয়েছে। তারপর সেটার ওপরে কাজ করা।

এরপর তৃতীয় দফায় আবার পরিয়ে চূড়ান্ত করা। এই ককটেল পার্টিতে যে কত মানুষ আমাকে বলেছে, আমি সুন্দর, স্মার্ট, আমার ইংরেজি খুবই ভালো…আমি অবাক হয়ে গেছি। দেশে তো কেউ আমাকে এভাবে বলে না।

ওখান থেকে আমি যে সম্মান, অ্যাপ্রিসিয়েশন পেয়েছি, এটা দেশে কখনোই পাই না, পাইনি। আমার মনে হয়েছে, আমি কি আসলেই এত সুন্দর, এত স্মার্ট, এত ভালো অভিনয় পারি?

সুনেরাহ্ বিনতে কামাল
স্পেনে সিল্কের নকশি স্টিচের স্কার্টটি পরেছিলেন সুনেরাহ্‌

আচ্ছা, আপনি সামিয়া খানের একটা সিল্কের নকশি স্টিচের স্কার্ট নিয়ে গিয়েছিলেন না? সেটা তো খুবই সুন্দর। পরেননি? ছবি দেখিনি…

হ্যাঁ, হ্যাঁ। ওটা ভেনিসে পরতে পারিনি। ভেনিস থেকে স্পেনে ঘুরতে গিয়েছিলাম। সেখানে জাদুঘরে গিয়ে পরেছিলাম।

সুনেরাহ্ বিনতে কামাল
স্কার্টটির ডিজাইনার সামিয়া খান

আপনার ওয়ার্কআউট রুটিন বলুন।

(হাসতে হাসতে) আমি ওয়ার্কআউট করি না। তবে আমি প্রচুর হাঁটি। যোগব্যায়াম করি। মাঝেমধ্যে স্ট্রেচিং করি। আমি হাঁটতে খুবই ভালোবাসি। আগে শাহাবুদ্দিন পার্কে (রাজধানীর গুলশান–২–এ বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্ক) হাঁটতাম।

মাস্ক পরে, ক্যাপ পরেই হাঁটতাম। কিন্তু তবু মানুষ এখন চিনে ফেলে। তাই বসুন্ধরার দিকটায় গিয়ে হাঁটি। আর বেশির ভাগ সময় হাঁটি ঢাকার বাইরে গিয়ে। আউটডোর শুটিংয়ে বা দেশের বাইরে ঘুরতে গিয়ে।

সুনেরাহ্ বিনতে কামাল
সুনারেহ্‌র এখন ঘুরতে যাওয়ার প্রিয় গন্তব্য ভেনিস

আপনার পছন্দের ঘুরতে যাওয়ার জায়গা কোনটি?

এত দিন থাইল্যান্ড ছিল। এখন থেকে ভেনিস। আবার ঘুরতে যাব।

আচ্ছা, শেষ প্রশ্ন। আপনি চাইলে না-ও উত্তর দিতে পারেন। আপনার রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস কী?

একদম সিঙ্গেল। সিঙ্গেল, সিঙ্গেল! (হাসি)

বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>