ব্রেকিং নিউজ
IND vs SL Asia Cup Final Live: বিধ্বংসী শেফালি ও স্মৃতি, এশিয়া কাপের ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে ভারত তুলল ১৮৩, লাইভ আপডেট হুথিদের সাথে সংঘাতে সৌদি আরবের হাতে কেন খুব কম বিকল্প রয়েছে? ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ‘রিসেট’ চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও অন্যান্য খবর ৫০ হাজার টাকা কেজির দুর্লভ হিমালয় মাশরুম ছাড়াও ব্রিকস সম্মেলনের তুমুল আলোচিত শতভাগ নিরামিষ নৈশভোজে কী কী ছিল? প্রশ্নপত্র ফাঁসে আলোচিত গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ ‘সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার’ অভিযোগে গ্রেপ্তার আটজন চার দিনের রিমান্ডে পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি কলেজ চত্বর থেকে মেশিনগানের কার্তুজ উদ্ধার মালয়েশিয়ায় বিশেষ অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ ৪ শতাংশ ঘাটতির ঝুঁকি দৌলতপুরে বড় ভাইয়ের হাসুয়ার কোপে ছোট ভাই নিহত
জাতীয়

হামের লক্ষণ ও প্রতিকার কী 

P
Prothom Alo অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad

হামের প্রকোপ এখনো রয়ে গেছে। হামে আক্রান্ত শিশু নিয়ে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটছেন অভিভাবকেরা। যদিও আশা করা হচ্ছে, শিগগিরই কমে আসবে এই প্রকোপ। কিন্তু পত্রিকার সংবাদ বলছে, এ বছর হামে শিশুমৃত্যু হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তাই সতর্ক থাকতে হবে আরও কিছুদিন।

রোগের কারণ

হাম রোগের মূল কারণ হলো মিজলস ভাইরাস, যা প্যারামিক্সোভিরিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি, হাঁচি বা সংস্পর্শের মাধ্যমে ভাইরাসটি সহজেই অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

লক্ষণ কী

হাম রোগের লক্ষণ সাধারণত সংক্রমণের ৮-১২ দিনের মধ্যে দেখা যায়। প্রধান লক্ষণগুলো হলো—

উচ্চ জ্বর, শুকনা কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া বা কনজাংইটিভাইটিস, মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (কপলিক স্পট), শরীরে লালচে ফুসকুড়ি, যা মুখ থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

সংক্রমণের ধরন

হাম খুব সহজেই ছড়ায়। আক্রান্ত শিশু কাশি বা হাঁচি দিলে বাতাসে থাকা ভাইরাস দুই ঘণ্টা সময় ধরে অন্য সুস্থ ব্যক্তিকে সংক্রমিত করতে পারে। আক্রান্ত শিশুর লক্ষণ শুরু হওয়ার চার দিন আগে থেকে এবং ফুসকুড়ি ওঠার চার দিন পর্যন্ত সংক্রামক থাকে।

চিকিৎসা

যথাযথ বিশ্রাম, পুষ্টিকর খাবার, জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল ওষুধই এই রোগের মূল চিকিৎসা। পরপর দুই দিন দুটি উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন ক্যাপসুল বয়স অনুযায়ী দেওয়া হয় এই রোগের তীব্রতা কমানোর জন্য। এর পাশে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া হলে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক প্রদান করা হয়। তবে যদি শিশু গুরুতর অসুস্থ, খাবারে অনীহা, ঘন ঘন বমি, শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি হলে হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

প্রতিরোধ

সময়মতো হামের টিকা দুই ডোজ ৯ মাস পূর্ণ হলে এবং ১৫ মাস বয়সে প্রদান করতে হবে। 

সব সময় হাত–মুখ ধুতে হবে, চোখে হাত দেওয়া যাবে না।

হাঁচি, কাশি, শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে।

শিশুর শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দিলে অন্তত ৫ দিন আলাদা করে রাখতে হবে।

শিশুর জ্বর ও ফুসকুড়ি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অধ্যাপক ডা. ইমনুল ইসলাম, শিশু বিভাগ, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়; চেম্বার: আলোক মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার, মিরপুর-৬, ঢাকা

বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>