বিজ্ঞাপন
রাজশাহীতে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণাধীন ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। গোদাগাড়ী উপজেলার জোত-গোসাইদাস এলাকায় পদ্মা ও মহানন্দা নদীর মোহনায় গড়ে উঠছে এই বিশাল পানি শোধনাগার। প্রকল্পের মূল অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন পাইপলাইন স্থাপনের কাজও এগিয়ে চলছে দ্রুতগতিতে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতিদিন ২০ কোটি লিটার পানি শোধন করে রাজশাহী মহানগরীতে সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে রাজশাহী ওয়াসা।
ক্রমবর্ধমান রাজশাহী নগরীতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও দ্রুত নগরায়ণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সুপেয় পানির চাহিদা। বর্তমানে নগরীর পানির চাহিদার বড় অংশই ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে পূরণ করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমেই নিচে নামছে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে নগরীর পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ। দীর্ঘমেয়াদে এ সংকট মোকাবিলায় ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয় রাজশাহী ওয়াসা।
এ লক্ষ্যেই ২০১৫ সালে প্রকল্পটির খসড়া প্রণয়ন করা হয়। পরবর্তী সময়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় সমীক্ষা শেষে ২০১৮ সালের অক্টোবরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় রাজশাহীতে ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার প্রকল্প অনুমোদন পায়। নানা প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পটির মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়।
‘আগামী ২০৩৫ এর জন্য মহানগরে যে পানির চাহিদা থাকবে সেটাকে বিবেচনায় রেখে আমরা প্ল্যান্টের ক্যাপাসিটি নির্ধারণ করেছি। ২৬.৫ কিলোমিটারের মধ্যে অলরেডি আমরা ২১ কিলোমিটার পাইপ বসিয়ে ফেলেছি।’
প্রায় ৪ হাজার ৬২ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকার প্রায় ১ হাজার ৭৪৮ কোটি টাকা অর্থায়ন করছে। অপরদিকে চীনের হুনান কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পে প্রায় ২ হাজার ৩১৩ কোটি টাকা অর্থায়ন করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য রাজশাহী ওয়াসা ও চীনা প্রতিষ্ঠানটির মধ্যে ২০২১ সালের ২১ মার্চ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাঠামো বেশ বড়। এটি মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রথমত, পদ্মা ও মহানন্দা নদীর মোহনায় নির্মাণ করা হচ্ছে ইনটেক পয়েন্ট। এখান থেকেই নদীর পানি সংগ্রহ করে শোধনাগারে নেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত, ইনটেক পয়েন্টের কাছেই নির্মাণ করা হচ্ছে মূল ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। এই প্ল্যান্টে প্রতিদিন ২০ কোটি লিটার পানি শোধনের সক্ষমতা থাকবে। তৃতীয়ত, রাজশাহী মহানগরীর পাশে পবা উপজেলার হরিপুর এলাকায় নির্মাণ করা হচ্ছে বুস্টার প্ল্যান্ট। শোধিত পানি নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহে এই বুস্টার প্ল্যান্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
প্রকল্প এলাকায় বর্তমানে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক, কারিগরি কর্মী ও প্রকৌশলী কাজ করছেন। রাজশাহী ওয়াসার সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহিম জাগো নিউজকে জানান, প্রকল্পে প্রতিদিন ১ হাজার ৮০০ জনের বেশি শ্রমিক কাজ করছেন।
আরও পড়ুন
রাজশাহীর পদ্মায় ১০ বছরে দুই শতাধিক মৃত্যু, নেপথ্যে কী?
তার মতে, কাজের গতি ভালো এবং প্রকল্পের অবকাঠামোগত অগ্রগতি এখন দৃশ্যমান। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি প্রায় ৬০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
‘বরেন্দ্র অঞ্চলে পানির সমস্যা রয়েছে এবং দিন দিন ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। রাজশাহীর মানুষ পানীয় জল থেকে শুরু করে গৃহস্থালির বিভিন্ন কাজে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। এ অবস্থায় পদ্মার পানি শোধন করে নগরীতে সরবরাহের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
তবে প্রকল্পের বিভিন্ন অংশে কাজের অগ্রগতির হার এক নয়। মূল অবকাঠামো, পাইপলাইন, বুস্টার প্ল্যান্টসহ আলাদা আলাদা অংশে কাজ এগিয়ে যাচ্ছে নিজস্ব গতিতে। ফলে বিভিন্ন সময়ে প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন শতাংশের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পের সামগ্রিক কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগিয়ে চলছে।
পানি সরবরাহের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ট্রান্সমিশন পাইপলাইন স্থাপনেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। মূল ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে হরিপুরের বুস্টার প্ল্যান্ট পর্যন্ত প্রায় ২৬ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ট্রান্সমিশন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ২১ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মো. পারভেজ মামুদ।
তিনি বলেন, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত মহানগরীতে যে পরিমাণ পানির চাহিদা তৈরি হবে, সেটি বিবেচনায় রেখেই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের সক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতের চাহিদা মাথায় রেখে বর্তমানের প্রয়োজনের চেয়ে বড় সক্ষমতার অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে।
ট্রান্সমিশন লাইনের পাশাপাশি নগরীর ভেতরে শোধিত পানি পৌঁছে দিতে ডিস্ট্রিবিউশন পাইপলাইন স্থাপনের কাজও চলছে। ইতোমধ্যে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১৬ কিলোমিটার ডিস্ট্রিবিউশন লাইন বসানো হয়েছে। চলতি মাসে আরও প্রায় ১০ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের পাশ দিয়েও পাইপলাইন স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে।
‘১ হাজার ৮০০য়ের বেশি শ্রমিক প্রতিদিন কাজ করছে। কাজের গতি খুবই ভালো, দৃশ্যমান। আমাদের কাজের ফিজিক্যাল পার্সেন্টেজ অলমোস্ট ৬০ শতাংশের কাছাকাছি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আশা করছি খুব দ্রুত কাজ শেষ হয়ে যাবে।’
প্রকল্পের সমীক্ষায় বলা হয়েছে, পদ্মা নদীর ইনটেক পয়েন্ট এলাকায় সারা বছরই পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাবে। সেখানে বছরজুড়ে অন্তত ৩০ ফুট গভীরতায় পানি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমেও পানি সংগ্রহে বড় ধরনের সমস্যা হবে না বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। নদীর পানি সংগ্রহ করে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শোধনের পর তা ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে নগরীতে পাঠানো হবে।
রাজশাহী ওয়াসার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে নগরীতে প্রতিদিন প্রায় ১১ কোটি ৩২ লাখ লিটার পানির চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে প্রায় ৮ কোটি ৬৫ লাখ লিটার পানি উত্তোলন করা হয়। পাশাপাশি সীমিত পরিমাণ ভূ-উপরিস্থ পানি শোধন করে সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে। নতুন ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালু হলে এই ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যতের বাড়তি পানির চাহিদাও মোকাবিলা করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে ওয়াসা।
চার বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুযায়ী, পদ্মা নদীর ইনটেক পয়েন্ট এলাকায় বছরজুড়েই অন্তত ৩০ ফুট গভীরতায় পানি পাওয়া যাবে। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে প্রতিদিন ২০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। আর আধুনিক চীনা প্রযুক্তির ব্যবহার পানির গুণগত মান ও সরবরাহ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।
আরও পড়ুন
জ্বালানি সংকটের চিত্র বদলে দিতে পারে মোবারকপুর গ্যাসক্ষেত্র
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক আবদুল ওয়াকিল বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে পানির সমস্যা রয়েছে এবং দিন দিন ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। রাজশাহীর মানুষ পানীয় জল থেকে শুরু করে গৃহস্থালির বিভিন্ন কাজে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। এ অবস্থায় পদ্মার পানি শোধন করে নগরীতে সরবরাহের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রাজশাহীর পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে একটি অধিক টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।
প্রকল্পটির নির্মাণকাজে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্য। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা প্রতিষ্ঠানটি বিপুলসংখ্যক স্থানীয় শ্রমিক ও কারিগরি কর্মী নিয়োগ করেছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, প্রায় ৮০ শতাংশ শ্রমিক ও কারিগরি জনবল স্থানীয়ভাবে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে। ফলে গোদাগাড়ী, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের অনেক মানুষ সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন।
শুধু শ্রমিক নয়, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রকল্পটির প্রভাব পড়েছে। নির্মাণকাজে বালু, পাথরসহ বিভিন্ন ধরনের নির্মাণসামগ্রীর চাহিদা তৈরি হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপকৃত হচ্ছেন। পরিবহন খাতেও কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়েছে। কয়েক হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে অর্থনৈতিক সুবিধা পাবেন বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান।
প্রকল্পে উন্নতমানের পাইপ, নির্মাণসামগ্রী ও আধুনিক পানি শোধন প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি পানি সরবরাহ অবকাঠামো হিসেবে শোধনাগার ও পাইপলাইন নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার হলে পানি শোধনের মান, সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা এবং অবকাঠামোর স্থায়িত্ব-তিন ক্ষেত্রেই ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে।
এদিকে পবা উপজেলার হরিপুর এলাকায় বুস্টার প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজও এগিয়ে চলছে। বুস্টার প্ল্যান্টে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সাবস্টেশন নির্মাণের কাজও এগিয়েছে। মূল প্ল্যান্ট থেকে শোধিত পানি এখানে আসার পর চাপ নিয়ন্ত্রণ করে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হবে।
রাজশাহীর নাগরিক সমাজও প্রকল্পটির অগ্রগতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। উন্নয়ন বিশ্লেষক সুব্রত কুমার পাল বলেন, প্রকল্পটির কাজ এখনো সব নাগরিকের কাছে পুরোপুরি দৃশ্যমান নয়। তবে এটি সম্পূর্ণ হলে রাজশাহীবাসী তথা পুরো অঞ্চলের মানুষ ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। একই সঙ্গে রাজশাহীতে আরও বৈদেশিক সহায়তা ও বিনিয়োগ আনার জন্য সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করা প্রয়োজন।
সুজনের রাজশাহী সভাপতি সফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনার একটি হলো- এর ভূমি ও কৃষি। এর সঙ্গে মেধাবী তরুণ প্রজন্ম এবং কৃষকদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। সরকারি সদিচ্ছার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও কৃষিভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক চেহারা বদলে দেওয়া সম্ভব।
আরও পড়ুন
এখনো মিলছে খিরসাপাত আম, জানা গেল উপায়
রাজশাহী ওয়াসার সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহিম বলেন, ১ হাজার ৮০০য়ের বেশি শ্রমিক প্রতিদিন কাজ করছে। কাজের গতি খুবই ভালো, দৃশ্যমান। আমাদের কাজের ফিজিক্যাল পার্সেন্টেজ অলমোস্ট ৬০ শতাংশের কাছাকাছি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আশা করছি খুব দ্রুত কাজ শেষ হয়ে যাবে।
রাজশাহী ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী ও রাজশাহী ওয়াসা সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. পারভেজ মামুদ বলেন, আগামী ২০৩৫ এর জন্য মহানগরে যে পানির চাহিদা থাকবে সেটাকে বিবেচনায় রেখে আমরা প্ল্যান্টের ক্যাপাসিটি নির্ধারণ করেছি। ২৬.৫ কিলোমিটারের মধ্যে অলরেডি আমরা ২১ কিলোমিটার পাইপ বসিয়ে ফেলেছি।
এনএইচআর/এএসএম
বিজ্ঞাপন