“প্রায় সাত লাখ টাকা দ্যানা করি ব্যাটাক রাশিয়াত পাঠাছি। বিদেশ থাকি টাকা কামাই করি ধার-দেনা শোধ করি ঘরবাড়ি করবে। বিয়েশাদি করামো। কিন্তু সেই বেটারই এখন কোনো খোঁজ পাচ্ছিনে। এদিকে সুদের ওপর যে টাকা নিছিলো, সেই ট্যাকার সুদ সাত লাখ থেকে নয় নাখ ট্যাকা হবার নাগচে। একদিকে ব্যাটার চিন্তা, অন্যদিকে ট্যাকার চিন্তায় রাতত ঘুম আসে না।”
- কথাগুলো বলছিলেন ইউক্রেনের বন্দিশিবিরে আটক গাইবান্ধার রিমেল মিয়ার (২২) হতদরিদ্র বাবা সৈয়দ আলী।