পটুয়াখালীর বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত অংশ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অবৈধ বালু উত্তোলন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে রোববার (১৬ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি আহমদ সোহেল ও বিচারপতি ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে এদিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন।
আরও পড়ুন
হাইকোর্টে ১২ কার্যদিবসে মোট ৬২৬৩৭ মামলা নিষ্পত্তি
তিনি জানান, তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত অংশ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে বিবাদীদের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ধারা ৯(১)(বি) অনুযায়ী হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে ব্যতীত জারিকৃত বালুমহাল বিজ্ঞপ্তি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকায় সব ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন অবিলম্বে বন্ধে হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ প্রদান করেন।
আরও পড়ুন
ঢাকার বাইরেও হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রতিষ্ঠায় কমিশনের সুপারিশ
তাছাড়া সরকারি দপ্তরে ভুল বা অপ্রচলিত নামে (যেমন: ‘বুড়া গৌরাঙ্গ’ নদী) রেকর্ডভুক্ত এলাকা সংশোধন করে প্রকৃত ‘তেঁতুলিয়া নদী’ নামে অন্তর্ভুক্ত করতে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেন এবং আগামী ষাট দিনের মধ্যে এ বিষয়ে আদালতে একটি রিপোর্ট দাখিল করার নির্দেশনা দেন।
রিট আবেদনে ভূমি সচিব, পানিসম্পদ সচিব, বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক, বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান এবং ডেপুটি ডিরেক্টর, পটুয়াখালীকে বিবাদী করা হয়েছে।
এফএইচ/এমএমকে