সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, মোংলা বন্দর উন্নয়নের জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বন্দর এলাকায় একটি অর্থনৈতিক জোন হবে, যা চায়না কোম্পানি করবে। এতে ৮৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মোংলা বন্দর চ্যানেলের নাব্যতা সব সময় ১২ মিটার রাখতে চাই। তাহলে মাদার ভ্যাসেল ও বড় জাহাজগুলো এখানে আসা সম্ভব। একটা বন্দর হিসেবে মোংলা বন্দর শুধু অর্থনীতিতে ৫-৬ শতাংশ ভূমিকা রাখছে। এটাকে ইচ্ছে করলেই ৩০-৩৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, আমার কাছে মনে হচ্ছে সাংবাদিক যেভাবে বিস্তৃত হচ্ছে তা হয়ত রাষ্ট্রবান্ধব হবে না। এই জায়গায় আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। সাংবাদিকদের উন্নয়ন অর্থবিত্তে ও সম্পদে নয়, সাংবাদিকদের উন্নয়ন হবে মননে। ব্যবসায়ীদের উন্নয়ন হয় অর্থে, টেকনোলজির উন্নয়ন হয় বিজ্ঞানে, আর সাংবাদিকদের উন্নয়ন হয় অনুসন্ধানে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন
শ্রেণিকক্ষ সংকট, শহীদ মিনারের বেদিতেই চলে পাঠদান
বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনুর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিষ্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন লিটন প্রমুখ।
জ্বালানি সংকটের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি নিয়ে একটা সংকট বিগত সরকার করেছিল। তার একটা নেতিবাচক প্রভাব আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। সংকট উত্তরণে স্বল্প মেয়াদী, মধ্য মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আশা করছি এই সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু রাতারাতি নয়, একটু সময় সাপেক্ষ হবে।
এর আগে দুপুরে বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায় দশানী-রামপাল-মোংলা জেলা মহাসড়কের দশানী থেকে হেলাতলা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়ক পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার কাজের উদ্ধোধন করেন মন্ত্রী।
নাহিদ ফরাজী/এনএইচআর/এএসএম