সাতক্ষীরার চন্দনপুর-কলারোয়া গ্রামীণ ব্যাংক শাখার ১৯৩ গ্রাহকের ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাতের দায়ে ব্যাংকটির চার সাবেক কর্মকর্তাকে দুই মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন খুলনার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত। এর মধ্যে দুই কর্মকর্তাকে ৩০ বছর করে এবং অপর দুই কর্মকর্তাকে ১৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে খুলনার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আদীব আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় কোনো আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গ্রামীণ ব্যাংকের সাতক্ষীরা জেলার চন্দনপুর-কলারোয়া শাখার সাবেক কর্মকর্তা ইনছার আলী, মমতাজ পারভিন, রনেশ বিশ্বাস ও রুনা লায়লা।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খুলনা সমন্বিত কার্যালয়ের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মোফাককার হোসেন মনি জানান, ২০১৪ সালের ৩০ মে দায়ের করা ৮/২২ নম্বর মামলায় ইনছার আলী, মমতাজ পারভিন ও রনেশ বিশ্বাসকে দুটি ধারায় ১৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় ১২৬ জন গ্রাহকের ৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের এ সাজা দেওয়া হয়।
একই দিনে দায়ের করা ৪/২২ নম্বর মামলায় রনেশ বিশ্বাস, ইনছার আলী ও রুনা লায়লাকে দুটি ধারায় ১৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় ৬৭ জন গ্রাহকের ৩ লাখ ৫৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাদের দণ্ডিত করা হয়।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর বলেন, দুটি মামলায় আত্মসাৎ করা টাকা আসামিদের জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও দুই বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দুটি মামলার বাদী ছিলেন দুদকের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক এস এম শামীম ইকবাল।
আরিফুর রহমান/কেএইচকে/জেআইএম