২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং হাজারো মানুষ আহত হয়েছেন। ওই সময় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকেও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ আজাদ পার্টির (বিএপি) সভাপতি ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন চাইলে ওই সময় পদত্যাগ করতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি। এ কারণে ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতার নীতিতে তার দায় রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করার পর রোববার (২৬ জুলাই) সাংবাদিকদের এমন কথা বলেন বিএপি সভাপতি হাসিনুর রহমান।
আরও পড়ুন
সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ-সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
এর আগে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও দমন-পীড়নে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ অভিযোগ জমা দেয় বাংলাদেশ আজাদ পার্টি (বিএপি)। দলের সভাপতি হাসিনুর রহমান অভিযোগটি দাখিল করেন।
অভিযোগ দাখিলের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হাসিনুর রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং হাজারো মানুষ আহত হয়েছেন। ওই সময় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকেও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি।
আরও পড়ুন
বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
হাসিনুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন চাইলে ওই সময় পদত্যাগ করতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি। এ কারণে ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতার নীতিতে তার দায় রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
বাংলাদেশ আজাদ পার্টির (বিএপি) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগটির সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পরিবারগুলো ন্যায়বিচার পাবেন বলে তারা আশা করছে।
এফএইচ/এমএমকে