চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে ৫৭৪টি গ্যাস সিলিন্ডার ও একটি ট্রাক আত্মসাতের মামলায় কক্সবাজার থেকে দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজারের উখিয়া থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন কুমিল্লার লালমাই এলাকার মো. আল আমিন (২৫) ও চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার মো. মাহিন খান (২৩)।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কক্সবাজারের কলাতলী এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইখতিয়ারউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, কলাতলীর হেলাল রিসোর্ট আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে আল আমিন ও মাহিন খানকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া থানাধীন মেসার্স চৌধুরী ফিলিং স্টেশন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থে ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়।
এর আগে কর্ণফুলী ও আনোয়ারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আত্মসাৎ করা ৯৬টি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ আগস্ট রাত ৮টার দিকে কর্ণফুলী থানাধীন বড়উঠান রাস্তার মাথার পূর্ব পাশে মেডিকেল রোড এলাকার মেসার্স আজিজ ট্রেডিং থেকে চালক মো. আল আমিন, নুরুল আলমসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও চার-পাঁচজন অসৎ উদ্দেশ্যে বাদী মো. সোহেলের ৫৭৪টি গ্যাস সিলিন্ডার ও একটি ট্রাক আত্মসাৎ করেন।
পরে তারা যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এ ঘটনায় ১৭ আগস্ট মো. সোহেল বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) মো. জাকির হোসেন বলেন, কক্সবাজার থেকে নগদ টাকাসহ দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া থেকে ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি কর্ণফুলী ও আনোয়ারা থেকে আত্মসাৎ করা গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়েছে।
মামলার বাদী মো. সোহেল বলেন, পুলিশের আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে দ্রুত সময়ের মধ্যে আত্মসাৎ করা মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
এমআরএএইচ/বিএ