রাজধানীর রায়েরবাজারে মোবাইল ফোন নিয়ে বিরোধের জেরে জিহাদ (২০) নামে এক তরুণকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার মো. পারভেজকে (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। পুলিশের দাবি, গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পারভেজ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে রায়েরবাজারের হাশেম খান সড়ক এলাকা থেকে পারভেজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার কাছ থেকে নিহত জিহাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. জুয়েল রানা জানান, জিহাদের সঙ্গে পারভেজসহ অন্য আসামিদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তবে মোবাইল ফোন নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।
পুলিশের ভাষ্য, গত রোববার রাতে পূর্ববিরোধের জেরে জিহাদকে মারধর করেন আসামিরা। এ সময় তার মোবাইল ফোনটিও নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন সোমবার দুপুরের দিকে গুরুতর আহত জিহাদকে তার বাসার সামনে ফেলে রেখে যান পারভেজ।
জিহাদকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে বুধবার রাতে তাকে উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত জিহাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে। তার বাবার নাম মো. মোশারফ হোসেন। পেশায় মোবাইল ফোন মেরামতকারী জিহাদ রায়েরবাজারের হাশেম খান সড়ক এলাকায় বসবাস করতেন।
এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলায় গ্রেফতার পারভেজকে শুক্রবার আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
এমডিএএ/এসএনআর