কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ বলেছেন, ‘আমরা যে সময় বসবাস করছি তাকে পোস্ট-নরমাল টাইম বলে। এ সময়ে এআই সম্পর্কে জ্ঞানার্জন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘ডিমিস্টিফাইং এআই’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দীন হল অডিটোরিয়ামে জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ বলেন, ‘আমাদের কাছে অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক রিসোর্স বিদ্যমান আছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি মালয়েশিয়ায় দেখেছি, সেখানকার সকল রাজনৈতিক দলের রিসার্চ উইং থাকে। আমাদের দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃত্বে আসতে হলে এ ধরনের যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি তিনটি ‘সি’ ধারণ করার পরামর্শ দেন। এগুলো হলো—কান্ট্রি, কনফিডেন্স ও কারেজ।
আতিকুর রহমান মোজাহিদ বলেন, ‘প্রথম সি হলো কান্ট্রি। কান্ট্রি ফার্স্ট—আমাদের দেশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। দ্বিতীয় সি হলো কনফিডেন্স। আমাদের আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে হবে। তৃতীয় সি হলো কারেজ। আমাদের সাহসী হয়ে উঠতে হবে।’
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমীদ আল মুদাসসির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন সরকার।
অনুষ্ঠানে তাহমীদ আল মুদাসসির চৌধুরী বলেন, ‘আমরা জাতীয় ছাত্রশক্তি যে আদর্শ লালন করি তা হলো বাংলাদেশপন্থা। আমরা চাই আমাদের দেশের তরুণরা দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃত্ব দেবে। এই লক্ষ্য অর্জনে এআই প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ক্রমান্বয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে এআই ট্রেনিং প্রোগ্রামের আয়োজন করবো। এছাড়া সামনের দিনগুলোতে রিসার্চ মেথডোলজি নিয়ে এ ধরনের আয়োজন করতে আগ্রহী।’
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহ, জোনাল সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাকিব ও মো. জহির রায়হান, দপ্তর সম্পাদক সরদার নাদিম মাহমুদ শুভ, কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম নাহিদ, সদস্য সচিব নাইমুর রহমান রিদমসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী।
আরটি/বিএ