<p class="ds-text-comfortable-l ds-my-4 ci-html-content">বৃষ্টির জন্য অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। এমনকী, ম্যাচের ফয়সালা হবে কি না তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্নচিহ্ন। মরিয়া ভারত শ্রীলঙ্কাকে ফলো অন করাতে পারে বলে জানিয়ে দিলেন ভারতের বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল। সুযোগ পাওয়া গেলে ভারত ফলো অন করানোর রাস্তা থেকে পিছু হঠবে না বলে জানিয়েছেন মর্কেল।</p>
<p class="ds-text-comfortable-l ds-my-4 ci-html-content">প্রথম তিনদিন ২৭০ ওভারের মধ্যে মাত্র ২২২ ওভার খেলা করা গিয়েছে। ভারতের প্রথম ইনিংসে তোলা ৫০৩/৯ তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে তুলেছে ২৬৫/৮। আর ৩৯ রান করলে ফনো অন বাঁচিয়ে নেবে শ্রীলঙ্কা। এখনও ক্রিজে রয়েছেন সিরিজে তাদের সেরা ব্যাটার সোনাল দিনুশা। ৮৫ রানে অপরাজিত রয়েছেন তিনি। নবম উইকেট পার্টনারশিপে ১৫ ওভারেরও বেশি সময় কাটিয়ে দিয়েছেন তিনি ও লাহিরু কুমারা। তবে দ্বিতীয় নতুন বলে সবে ৩.২ ওভার খেলা হয়েছে। পুরনো বলের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরী দেখাচ্ছে নতুন বলকে। সুযোগ তৈরি হচ্ছে।</p>
<p class="ds-text-comfortable-l ds-my-4 ci-html-content">শেষবার শুভমন গিল প্রতিপক্ষকে ফলো অন করিয়েছেন দিল্লিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়কে। ফিরোজ শাহ কোটলার নিষ্প্রাণ পিচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়কে অল আউট করার জন্য ১১৮.৫ ওভার বল করতে হয়েছিল ভারতকে। তারপর দ্বিতীয় ইনিংসে ১২১ রান তাড়া করে জিতেছিল ভারত। ম্যাচ গড়িয়েছিল পঞ্চম দিনে।</p>
<p class="ds-text-comfortable-l ds-my-4 ci-html-content">কলম্বোয় বৃষ্টির কাঁটার জন্য ফলো অনের চিন্তাভাবনা ঘুরছে ভারতীয় শিবিরে। ভারতের বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল বলেছেন, 'সেটা হবে প্রথম পুরস্কার। তার জন্য সকালে দ্রুত ২ উইকেট তুলে নিতে হবে। জানি ক্লিশে শোনাবে, কিন্তু আবহাওয়ার জন্য এবং কভার দেওয়া ও খোলার জন্য এতটা সময় চলে যাচ্ছে যে, আমরা চাই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে যত বেশি সম্ভব ওভার বল করার সুযোগ পেতে। আশা করছি সকালে দ্রুত ওদের অল আউট করে ফের বোলিং করার সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারব।'</p>
<p class="ds-text-comfortable-l ds-my-4 ci-html-content">২০০১ সালে ইডেনে সেই ঐতিহাসিক টেস্টের পর ফলো অন করানো নিয়ে বিশ্বের সমস্ত দেশের দর্শন বদলে গিয়েছে। কোনও দলই এখন চতুর্থখ ইনিংসে ব্যাট করার ঝক্কি নিতে চায় না। কারণ, উইকেট ভাঙতে থাকে এবং ব্যাটিং কঠিন হয়ে পড়ে। বরং তৃতীয় ইনিংসে ব্যাট করে নিতে চায়।</p>
<div>মর্কেল বলেছেন, 'বেশ পরিশ্রম করতে হচ্ছে উইকেট তোলার জন্য। মাঝে মধ্যে নিজেদের ওপর বেশি চাপ দিয়ে ফেলি প্রতিপক্ষকে ২০০ রানের মধ্যে অল আউট করার প্রত্যাশায়। তবে দুর্ভাগ্যবশত, সেটা সব সময় হয় না। পরিবেশ কঠিন। খুব গরম। আর্দ্রতা রয়েছে। বল তাড়াতাড়ি নরম হয়ে যাচ্ছে।'</div>