একসময় রাজধানীর ৮৪ নয়াপল্টনের একটি মেসে থাকতেন হামিদুল্লাহ। সময়ের ব্যবধানে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে পল্টনে চারটি, মুগদায় একটি এবং রামপুরার বনশ্রীতে দুটি বাড়ি রয়েছে তাঁর। নয়াপল্টনের চায়না টাওয়ারে তাঁর মালিকানাধীন ১৫টি দোকান ও সাতটি অফিস রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাঁচ কাঠা জমির ওপর ৩৫ পুরানা পল্টন লেনে এবং আট কাঠা জমির ওপর ৪৩/৩ শান্তিনগরে তিনি বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করেছেন। এসব সম্পদের উৎস নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, জনশক...