সাবেক আর্জেন্টাইন আন্তর্জাতিক ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ান ‘কিলি’ গঞ্জালেসকে ইন্টার মিয়ামির নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একাধিক সূত্র থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হতে পেরে খবরটি প্রকাশ করেছে সিজার লুইস মেরলো।
অন্তর্বর্তী কোচ গিয়ের্মো হায়েসের মেয়াদ ফুরিয়ে এসেছে ফ্লোরিডার ক্লাবটির সঙ্গে। এমনকি ইন্টার মিয়ামির হয়ে হয়তো নিজের শেষ ম্যাচও পরিচালনা করে ফেলেছেন তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার এমএলএস জানিয়েছে, ম্যাচের কিক-অফের পর বিরতিতে দেরিতে মাঠে ফেরার নীতি বারবার ভঙ্গ করায় এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন হয়োস।
ব্যক্তিগত কারণে গত ১৪ এপ্রিল মিয়ামির কোচ পদ থেকে হাভিয়ের মাচেরানো মিয়ামির কোচ থেকে পদত্যাগ করার পর দায়িত্ব নেন গিয়ের্মো হায়েস। এর কয়েক সপ্তাহ আগে কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের শেষ ষোলোতে ন্যাশভিল এসসির কাছে দুই লেগ মিলিয়ে হেরে বিদায় নিয়েছিল ইন্টার মিয়ামি।
এর আগে ক্লাবটির সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন হয়োস। শুরুতে একাডেমির মেথডোলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি। অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও তিনি ক্লাবে থাকবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
বিশ্বকাপ বিরতির পর এমএলএসে ফেরার পর থেকেই খারাপ সময় পার করছে ইন্টার মায়ামি। নয় ম্যাচে জয় পেয়েছে মাত্র তিনটিতে। সর্বশেষ জয়টি এসেছিল ৫ আগস্ট লিগস কাপে আতলেতিকো সান লুইসের বিপক্ষে।
মেসির সঙ্গে হয়োসের দীর্ঘদিনের পরিচয় রয়েছে। ২০০০-এর দশকের শুরুতে বার্সেলোনার যুব দলের কোচ থাকার সময় মেসিকে আবিষ্কারের কৃতিত্বও অনেকে তাকে দিয়ে থাকেন।
তবে কিলি গঞ্জালেসের সঙ্গে মেসির সরাসরি সম্পর্ক এতটা গভীর নয়। দুজনের জন্মই আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে। জাতীয় দলের হয়ে গঞ্জালেসের ৫৬ ম্যাচের ক্যারিয়ারের শেষ দুটি ম্যাচ ছিল ২০০৫ সালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে উরুগুয়ে ও পেরুর বিপক্ষে। দুটি ম্যাচেই খেলেছিলেন মেসি। পেরুর বিপক্ষে একই সময়ে মাঠে ছিলেন তারা; উরুগুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে গঞ্জালেসের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মেসি।
আইএন