বেসরকারি শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বেসরকারি শিক্ষক অ্যালায়েন্স (বিএসএ)। বর্তমান পরিস্থিতি ও বৈষম্য বেসরকারি শিক্ষককে ‘বেদরকারি’ শিক্ষক হিসেবে সমাজের সামনে দাঁড় করিয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
বক্তারা বলেন, এখনো একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বেতন শুরু হয় মাত্র সাড়ে ১২ হাজার টাকা দিয়ে। এ অর্থে জীবন চালানো দায়।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে শিক্ষাখাতে সুশাসন, নিয়োগ, বরাদ্দ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন এলাকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক, বেসরকারি, কিন্টারগার্টেন শিক্ষক ও এনসিপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেসরকারি শিক্ষক অ্যালায়েন্স (বিএসএ)।
জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) পাশ কাটিয়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ ম্যানেজিং কমিটির হাতে তুলে দেওয়ার ব্যর্থ উদ্যোগের নিন্দা জানিয়ে তারা বলেন, সরকারের এ অভিপ্রায় আমরা বন্ধ করতে পেরেছি। কিন্তু এমন কাজ আমাদের সব সময় শঙ্কায় রাখে। আমরা জবাবদিহিতা চায়।
তারা বলেন, সরকার পে-স্কেল ঘোষণা করবে। কিন্তু শিক্ষকদের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট আলোচনা নেই। পে-স্কেলের বিষয়ে মন্ত্রী শিক্ষকদের আলাদা বেতন কাঠামোর কথা বলেন। কম-বেশি হবে বলে ইঙ্গিত দেন। আমরা কম শুনতে চাই না, বেশি শুনতে চাই।
আলোচনা সভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিসি) যুগ্ম সদস্যসচিব ও শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিসি) যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ন্যাশনাল ওলামা অ্যাল্যায়েডসের (এনইউএ) আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ মাহাদী, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. মাইনুদ্ধিন, অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ ফোরামের মহাসচিব উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি মহাসচিব মো. জসিম উদ্দিন এবং বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসচিব এম এ মান্নান মনির উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বেসরকারি শিক্ষক অ্যালায়েন্সের আহবায়ক অধ্যাপক মো. আব্দুর রহমান রিজভী।
এএএইচ/জেএইচ