নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন জায়গায় বন্দুক হাতে দুই তরুণের ঘুরে বেড়ানোর ভিডিও সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
দুই তরুণের দাবি অনুযায়ী, খেলনা বন্দুক দিয়ে মজা করা উদ্দেশ্য হলেও সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়টিকে ভালোভাবে নিচ্ছে না। কেউ কেউ আবার ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যা দেয়ার চেষ্টা করছেন।
ভিডিওর সূত্র ধরে জানা যায়, এই ভিডিওর নির্মাতা নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার বাসিন্দা লিমন তোহা। তার সঙ্গে বন্দুক হাতে থাকা আরেক তরুণের নাম ইয়াসিন। তারা দুইজন মিলে ভিডিও তৈরি করে থাকেন। সেটা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে থাকেন।
আরও পড়ুন
যাত্রাবাড়ীতে খেলনা পিস্তল দিয়ে ডাকাতির চেষ্টা, গ্রেফতার ৬
এদিকে ভিডিওতে দেখা যায়, কালো রঙের লম্বা কুর্তা পায়জামা ও মাথায় টুপি পরা দুই তরুণ। তাদের হাতে কালো রঙের বড় দুটি বন্দুক। কখনো পার্কের ভেতর, কখনো ব্যস্ত সড়কে, কখনো নদীর ঘাটে আবার কখনো দোকানের সামনে বন্দুক হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা। আর এ সময় যাকে পাচ্ছেন তার দিকেই বন্দুক তাক করছেন। এতে করে হঠাৎ করে ভয় পেয়ে যাচ্ছেন পথচারীরা। আবার কেউ পরক্ষণেই বুঝতে পেরে অবাক হচ্ছেন। সেই সাথে বন্দুক হাতে দিয়ে দেখছেন।
আরও পড়ুন
খেলনা পিস্তল ঠেকিয়ে ছিনতাইচেষ্টা, যুবক আটক
এ বিষয়ে লিমন তোহা বলেন, সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে ট্রেন্ড দেখে এই ভিডিও করেছি। আমাদের উদ্দেশ্য মজা করা। বন্দুক দেখে মানুষজন কি প্রতিক্রিয়া দেখায় সেটা ভিডিও ধারণ করা এবং সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা। পাকিস্তানি আদলে ভিডিও করলে সে ভিডিওতে বেশি সাড়া পাওয়া যায়। সে জন্যই মূলত এসব ভিডিও বানানো।
তিনি আরও বলেন, ভিডিও ধারণের সময় পুলিশও বিষয়টি দেখেছে। বন্দুক দেখে শুরুতে কেউ কেউ ভয় পেয়েছেন। পরে খেলনা বন্দুক বুঝতে পেরে তারা মজাও করেছেন। পুলিশও বিষয়টি দেখেছে। তারা প্রথমে কিছুটা অবাক হলেও পরে বুঝতে পেরেছে এটি খেলনা বন্দুক।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান বলেন, এ ধরনের কোনো ভিডিও সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। শহরের বিভিন্ন জায়গায় ডিউটিরত পুলিশ সদস্যরাও এই বিষয়টি আমাদের অবগত করেনি। আমরা বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেব।
MOSR মোবাশ্বির শ্রাবণ/এমআরএম