অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মালয়েশিয়াজুড়ে পরিচালিত ‘অপস সারসার’ অভিযানে ৫২৮ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। গত ২৫ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেআইএম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও তথ্যের ভিত্তিতে এবং গোয়েন্দা নজরদারির পর দেশজুড়ে সমন্বিত এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ৬৭৮ বিদেশিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই করা হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৫২৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
এদিকে জেআইএম পুত্রাজায়ার পক্ষ থেকে দুটি পৃথক স্থানে অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে একটি ছিল সেতাপাকের জালান ওয়াংসামাস এলাকার নির্মাণস্থল এবং অন্যটি দাতো কেরামাত এলাকার একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়া থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু ২৯ সেপ্টেম্বর
ওই দুটি স্থানে মোট ৮৩ বিদেশিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭৩ জনকে বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধে আটক করা হয়েছে। আটক অভিবাসীদের মধ্যে ৩৭ জন ইন্দোনেশিয়ার, ৩০ জন বাংলাদেশের, দুজন নেপালের এবং টোগো, বুরকিনা ফাসো, মিয়ানমার ও ভারতের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
জেআইএম জানায়, অভিযানের সময় আটক অভিবাসীদের অধিকাংশই কর্মরত অবস্থায় ছিলেন। অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন বিদেশি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের আটক করা হয়।
অভিযানে আটক অভিবাসীদের বিরুদ্ধে পরিচয়পত্র বা বৈধ নথি না থাকা, অনুমোদিত সময়ের বেশি মালয়েশিয়ায় অবস্থান এবং বৈধ অনুমতি ছাড়া কাজ করাসহ দেশটির অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে জেআইএম।
এমআরএম