স্থানান্তরযোগ-জ্বালানিচালিত এবং পারমাণবিক ওয়ার-হেড বহনে সক্ষম একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) উৎক্ষেপণ করেছে রাশিয়া। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আর্খানগেলস্ক অঞ্চলের প্লেসেৎস্ক কসমোড্রোম থেকে এ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানো হয়।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম’ ICBM-এর প্রশিক্ষণমূলক উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলের কামচাটকা অঞ্চলে অবস্থিত কুরা প্রশিক্ষণ এলাকায় নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।
আরও পড়ুন
আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল / তেহরান থেকে ওয়াশিংটন: মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দেবে ইরান?
এই উৎক্ষেপণের মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কৌশলগত, কারিগরি ও উড্ডয়ন সক্ষমতা যাচাই করা। তবে কোন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা জানায়নি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার স্থলভিত্তিক আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের দায়িত্বে রয়েছে স্ট্র্যাটেজিক মিসাইল ফোর্সেস। এই সংস্থাটি রাশিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান অংশ।
আরও পড়ুন
বিশ্বের সবচেয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাশিয়ার?
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই উৎক্ষেপণের মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কৌশলগত, কারিগরি ও উড্ডয়ন সক্ষমতা যাচাই করা। তবে, কোন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা জানায়নি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
মহড়ায় স্থানান্তরযোগ্য (মোবাইল) ICBM উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ব্যাটারিকে দূরবর্তী এলাকায় পুনঃমোতায়েন, উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের প্রক্রিয়া অনুশীলন করা হয়েছে।
এর আগে মে মাসে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ইয়ার্স (Yars) ICBM প্লেসেৎস্ক কসমোড্রোম থেকে কুরা প্রশিক্ষণ এলাকায় উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সে সময় প্রতিবেশী বেলারুশকেও অন্তর্ভুক্ত করে পারমাণবিক মহড়া চালিয়েছিল রাশিয়া।
সূত্র: দ্য মস্কো টাইমস
কেএম