<p><strong>মুম্বই: </strong>ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কি ২০২৫ সালে পাশ হওয়া ন্যাশানল স্পোর্টস গভর্নেন্স অ্যাক্ট মেনে চলবে? নাকি সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত লোঢা কমিটির সুপারিশ মেনে সংশোধিত গঠনতন্ত্র মেনে চলবে? তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ওড়িশা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন ঘিরে ওড়িশা হাইকোর্টের দেওয়া একটি রায় সেই ধন্দ আরও বাড়িয়েছে।</p>
<p>ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের লিগ্যাল টিম ও সচিব দেবজিৎ সাইকিয়ার জারি করা এফিডেভিটে বলা হয়েছে, বোর্ডের গঠনতন্ত্র মেনেই ওড়িশা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন করতে হবে। লোঢা কমিটির সুপারিশে ২০১৯ সালে যে গঠনতন্ত্র নতুন করে তৈরি হয়েছিল।</p>
<p>ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, ক্রিকেট 'ডেজিগনেটেড স্পোর্টস' নয়। ন্যাশানল স্পোর্টস বোর্ডের আওতায় আসতে তারা যে প্রস্তুত নয়, সেটা কার্যত বুঝিয়ে দিয়েছে বোর্ড। </p>
<p>অনেক রাজ্য সংস্থা ভেবেছিল, ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত তাদের সংস্থার নির্বাচন স্থগিত রাখতে হবে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক গত ডিসেম্বরে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল সেই অনুযায়ী। ওড়িশা ক্রিকেট সংস্থাও সরকারি নিয়ম মেনে এগোতে চেয়েছিল। কিন্তু বিরোধিতা করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এফিডেভিটে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড জানিয়ে দেয়, জাতীয় স্পোর্টস বিল কার্যকরী হলেও ক্রিকেট এর আওতায় আসে না। বোর্ড জানায়, ওড়িশা ক্রিকেট সংস্থাতেও কোনও পদাধিকারী টানা দুটি মেয়াদকালের বেশি থাকতে পারবেন না। সেই জন্যই নির্বাচন করতে হবে, যাতে <a title="সুপ্রিম কোর্ট" href="https://bengali.abplive.com/topic/supreme-court" data-type="interlinkingkeywords">সুপ্রিম কোর্ট</a> নির্ধারিত লোঢা কমিটির নিয়ম মানা হয়। ১ সেপ্টেম্বর সেই মামলার পরবর্তী শুনানি।</p>
<p>ঘটনা হচ্ছে, ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে সংসদে একটি আলোচনায় বিজয়ওয়াড়ার সাংসদ তথা অন্ধ্র প্রদেশ ক্রিকেট সংস্থার প্রেসিডেন্ট কে শিবনাথ জানিয়েছিলেন, জাতীয় স্পোর্টস বিলকে তিনি স্বাগত জানাচ্ছেন। এর আগে কেন্দ্রীয় সরকার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে তথ্যের অধিকার আইনের আওতা থেকে ছাড় দিয়েছিল। বলেছিল, বিসিসিআই সাধারণ মানুষের টাকায় চলে না। লোঢা কমিটির সুপারিশকেই একমাত্র মান্যতা দেওয়া হয়।</p>
<p>এক সিনিয়র বোর্ড কর্তা একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, 'সরকার যদি বলে থাকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত কোনও সংস্থা নির্বাচন পিছিয়ে দিতে পারে, তাহলে সব সংস্থাই সেটা বিশ্বাস করবে। বোর্ডের একটা বড় অংশ সব সময়ই পদাধিকারীদের জন্য লম্বা মেয়াদকাল চেয়েছে যাতে তাঁরা অভিজ্ঞতা অর্জন করে আরও ভালভাবে ক্রিকেট প্রশাসন চালাতে পারে। কিন্তু বোর্ড যদি সরকারি নিয়ম না মানে তা হলে নতুন পদাধিকারীরা ঠিক যখন অভিজ্ঞতা অর্জন করছে তখনই সরে যেতে হতে পারে। ক্রীড়া প্রশাসনেও এ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সংস্থাগুলোকে জানতে হবে তারা জাতীয় ক্রীড়া আইন মানবে নাকি বোর্ডের গঠনতন্ত্র।'</p>
<p><strong>আরও পড়ুন: <a title="সমালোচনা করার আগে পড়াশোনা করুক, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারকে আক্রমণ রূপান্তরকামী অনয়ার" href="https://bengali.abplive.com/sports/cricket/anaya-bangar-daughter-of-sanjay-banger-slams-marizanne-kapp-criticism-of-playing-in-wbbl-cricket-news-1190805" target="_self">সমালোচনা করার আগে পড়াশোনা করুক, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারকে আক্রমণ রূপান্তরকামী অনয়ার</a></strong></p>
<p>কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করার আগেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড গতবার বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজন করেছিল। বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লর পরের বছর টানা ৬ বছরের মেয়াদকাল শেষ হবে। ভারতীয় বোর্ডের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়ার টানা ৬ বছরের মেয়াদকাল শেষ হবে ২০২৮ সালে। তারপর তাঁদের কুলিং অফে যেতে হবে। বোর্ড যদি জাতীয় ক্রীড়া আইনের আওতায় আসে, তাহলে কুলিং অফ নিয়মই উঠে যেতে পারে।</p>
<p>[yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]</p>