মোহাম্মদ শামি, শাহবাজ আহমেদ, অনুকূল রায়, মুকেশ কুমারদের মতো বোলার থাকলেও ঈশান কিশান আস্থা রেখেছিলেন বৈভব সূর্যবংশীর উপর। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দ্বিতীয় ইনিংসে তিন ওভার বল করে ১১ রানে ২ উইকেট নেয় বৈভব।
বৈভব সূর্যবংশীকে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জন্য চেনেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। সেই বৈভবই সফল বল হাতে। দিলীপ ট্রফির ম্যাচে ১৫ বছরের ক্রিকেটারের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন পূর্বাঞ্চলের অধিনায়ক ঈশান কিশান। দলকে হতাশ করেনি বৈভব। বল করার অভিজ্ঞতা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) জানিয়েছে বৈভব।
বোলিং নিয়ে বৈভব বলেছে, ‘বল করতে বেশ ভালই লেগেছে। বোলারদের ব্যাট করতে যেমন ভাল লাগে, তেমনই ব্যাটারদেরও বল করতে ভাল লাগে। যে কোনও ব্যাটারই এ কথা বলবেন।’
কেন বল করলে হঠাৎ? বৈভব বলেছে, ‘প্রতিপক্ষ দলের উইকেট ফেলতে পারছিলাম না আমরা। তখন ঈশান ভাই বলেন, দু’তিন ওভার বল করবি? মনে হয়, ঈশান ভাই একটু ঝুঁকি নিয়েই কথাটা বলেছিলেন; কিন্তু উনি জানতেন না, আমি উইকেটও নিতে পারি।’
বল করার সময় কী ভাবনা ছিল? বৈভব হাসতে হাসতে বলেছে, ‘একটা ব্যাপারে পরিষ্কার ছিলাম। ৫ উইকেট নিলেও আমাকে তিন ওভারই করতে দেওয়া হবে। তার মধ্যেই যতটা সম্ভব ভাল করতে হবে। তাই প্রতিটা বল এক জায়গায় রাখার চেষ্টা করেছি। দ্রুত স্পেল শেষ করতে চেয়েছিলাম।’
বল হাতে সফল হলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিরুদ্ধে রান পায়নি বৈভব। তা নিয়ে বলেছে, ‘শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে তেমন কিছু করতে পারিনি। তবে বল হাতে দলকে সাহায্য করতে পেরেছি। সেটাই ভাল লাগছে। আর কোনও ব্যাটার যখন উইকেট পায়, তখন একটু বেশিই আনন্দ হয়। শেষ ম্যাচে আমার তেমনই আনন্দ হয়েছে।’
দলে মহম্মদ শামি, শাহবাজ আহমেদ, অনুকূল রায়, মুকেশ কুমারদের মতো বোলার থাকলেও ঈশান আস্থা রেখেছিলেন বৈভবের উপর। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দ্বিতীয় ইনিংসে বৈভবকে দিয়ে তিন ওভার বল করান। ১১ রান দিয়ে ২ উইকেট নেয় বিহারের ১৫ বছরের ক্রিকেটার। আউট করে প্রতিপক্ষের হয়ে চার নম্বরে ব্যাট করতে নামা কিশান লিংডো এবং আট নম্বরে ব্যাট করতে নামা ইমলিওয়াতি লেমতুরকে।
আইএইচএস/