<p style="text-align: justify;"><strong>মুম্বই:</strong> বৈভব সূর্যবংশী(Vaibhav Sooryavanshi) মানেই ভয়ডরহীন ব্যাটিং, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের আগেই বিশ্ব ক্রিকেটে নজরে এসেছিল ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাটিং। ভয়ডরহীন ব্যাটিং দিয়েই শিরোনামে এসেছেন, তবে এই কিশোর উদীয়মান তারকার বোলিংয়ের প্রতিও এক দারুণ ভালোবাসা রয়েছে। সম্প্রতি দলীপ ট্রফিতে ইস্ট জোনের হয়ে নর্থ ইস্ট জোনের বিরুদ্ধে দলীপ ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে তিনি তার এই প্রতিভার ঝলক দেখান পরে মজার ছলে মন্তব্য করেন যে, অধিনায়ক ঈশান কিষাণ তার উইকেট নেওয়ার ক্ষমতাকে কিছুটা কমই মেপেছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বেঙ্গালুরুতে ফলো অন করানোর পর ইস্ট জোনের যখন দ্রুত উইকেটের প্রয়োজন ছিল, তখন বৈভবের হাতে বল তুলে দেওয়া হয়। ৩ ওভারের স্পেলে তুলে নিয়েছিল বৈভব ২টো গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। ২৫ রানে থাকা কিষাণ লিংডোকে প্যাভিলিয়নে ফেরায় বৈভব। এর তিন বলের মধ্য়েই ইমলিওয়াতি লেমতুরকে আউট করেন। প্রথম ক্যাচটি নেন ড্যানিশ দাস ও দ্বিতীয় ক্যাচটি গ্লাভসবন্দি করেন ঈশান কিষাণ নিজেই।</p>
<p style="text-align: justify;"> </p>
<blockquote class="twitter-tweet" data-media-max-width="560">
<p dir="ltr" lang="en">𝐁𝐨𝐰𝐥 𝐢𝐭 𝐥𝐢𝐤𝐞 𝐕𝐚𝐢𝐛𝐡𝐚𝐯 𝐒𝐨𝐨𝐫𝐲𝐚𝐯𝐚𝐧𝐬𝐡𝐢 🎯<br /><br />Meet the secret wicket-taker who enjoys bowling and answered his captain’s 'risky' call 🤙 - By <a href="https://x.com/jigsactin?ref_src=twsrc%5Etfw">@jigsactin</a><a href="https://x.com/hashtag/DuleepTrophy?src=hash&ref_src=twsrc%5Etfw">#DuleepTrophy</a> <a href="https://t.co/ZhZ0QkeyZm">pic.twitter.com/ZhZ0QkeyZm</a></p>
— BCCI Domestic (@BCCIdomestic) <a href="https://x.com/BCCIdomestic/status/2093569925105524950?ref_src=twsrc%5Etfw">August 29, 2026</a></blockquote>
<p style="text-align: justify;">
<script src="https://platform.x.com/widgets.js" async="" charset="utf-8"></script>
</p>
<p style="text-align: justify;">তবে সূর্যবংশীর কাছে এই স্পেলটি কেবল দলকে সাহায্য করার চেয়েও বেশি কিছু ছিল। তিনি শুরু থেকেই বোলিং উপভোগ করতেন ও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হওয়ার পর বল হাতে অবদান রাখার সুযোগ পেয়ে বেশ রোমাঞ্চবোধ করেন। BCCI-এর শেয়ার করা একটি ভিডিওতে এই তরুণ খোঁচা মেরে মজার ছলে বলেন, 'যে কোনও ব্যাটারকে জিজ্ঞেস করলে বলবেন তারা বোলিং করতে ভালোবাসেন। ব্যাটারের জন্য বোলিং করা কিংবা বোলারের জন্য ব্যাটিং করা সবসময়ই দারুণ আনন্দের। প্রতিপক্ষ দলের উইকেট কিছুতেই পড়ছিল না, তাই আমাকে দুই-তিন ওভার বোলিং করতে বলা হয়। ঈশান ভাই ভেবেছিলেন আমাকে বল দেওয়াটা বুঝি একটা ঝুঁকি। কিন্তু উনি জানেন না যে আমি একজন উইকেট-টেকার।'</p>