খেলোয়াড় হিসেবে লিওনেল মেসির বয়সটা কম নয়। এরপরও থামার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না তার মাঝে। মন্ট্রিয়েলের বিপক্ষে ইন্টার মিয়ামির ৭-১ গোলের বড় জয়ে মেসি একাই করেছেন ৪ গোল।
সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছিলো না মিয়ামির। তবে নতুন কোচ কিলি গঞ্জালেসের অধীনে ঘরের মাঠে মন্ট্রিয়েলের বিপক্ষে দাপুটে জয়ে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছে তারা।
জাতীয় দল থেকে ক্লাব, সব জায়গাতেই ম্যাচের মূল তারকা মেসি। তারুণ্যের মেসিকে যেন আরও একবার পাওয়া গেলো ৪ গোলের দাপুটে পারফরম্যান্সে। যার মধ্যে ছিল দুটি অসাধারণ গোল।
চার গোলের তিনটিই করেন মেসি দ্বিতীয়ার্ধে। তার পা থেকে প্রথম গোলটি আসে ৪০ মিনিটে। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করা ফ্রি-কিকে গোল করেন মেসি
৫২ মিনিটে সম্পূর্ণ একক নৈপুণ্যে গোল করেন তিনি। একেবারে নিজের চিরচেনা রূপে দেখা যায় তাকে। বক্সের ভেতর সেই চিরচেনা আঁকাবাঁকা দৌড়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।
এরপর ৮০ মিনিটে লুইস সুয়ারেজকে দিয়ে একটি গোল করানোর পর ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার সাত মিনিট আগে ডি পলের অ্যাসিস্টে বক্সে ঢুকেই গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে নিখুঁত চিপে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন মেসি।
তবে শুধু হ্যাটট্রিক করেই থামেননি মেসি। কিন্তু ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে বক্সের প্রান্ত থেকে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে আরও একটি গোল করে অবিশ্বাস্যভাবে নিজের গোলসংখ্যা চার করেন তিনি।
মিয়ামির হয়ে প্রথম গোলটি করেন কর্নার ক্যাসেমিরো। কর্নার থেকে আসা বল হেডে জালে জড়ান তিনি। মাঝে একটি গোল সুয়ারেজ করেন মেসির সহায়তায়। আর ৮৯ মিনিটে আলেকজান্ডার শ বক্সের বাইরে থেকে কিক নিয়ে জালে জড়ান বল।
এই জয়ের ফলে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে মায়ামি। তাদের ওপরে আছে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল এসসি।
আইএন