আজ ৩০ আগস্ট বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি বাড়তে পারে। বিকেল ৩টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ১ হাজার ৩৯৪ থেকে ২ হাজার ৪১৬ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য বিশ্লেষণ করে লোডশেডিংয়ের এই চিত্র দেখা গেছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিকেল ৩টায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৬ হাজার ৯৮০ মেগাওয়াট। এ সময় উৎপাদন হতে পারে ১৪ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২ হাজার ৪১৬ মেগাওয়াটে।
বিকেল ৪টায় চাহিদা ১৬ হাজার ৬৪০ মেগাওয়াটের বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৪ হাজার ২১০ মেগাওয়াট। এ সময় ২ হাজার ৩২১ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে। বিকেল ৫টায় লোডশেডিং কিছুটা কমে ১ হাজার ৮৭২ মেগাওয়াট হতে পারে।
সন্ধ্যা ৬টায় দিনের এই অংশের সর্বনিম্ন ১ হাজার ৩৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তা বেড়ে ১ হাজার ৬৩৮ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা ৭টায় ১ হাজার ৮০৫ মেগাওয়াট হতে পারে।
রাত সাড়ে ৭টায় আবারও লোডশেডিং বেড়ে ২ হাজার ৩২১ মেগাওয়াটে উঠতে পারে। রাত ৮টায় ১ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ১ হাজার ৯৩৯ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে।
রাত ১০টায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার ৮৭০ মেগাওয়াট হওয়ার বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৬ হাজার ১৪০ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিং হতে পারে ১ হাজার ৬৫২ মেগাওয়াট। রাত ১১টায় চাহিদা ১৭ হাজার ৯১০ মেগাওয়াটের বিপরীতে উৎপাদন ১৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট হলে ২ হাজার ৩০২ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।
অর্থাৎ, পূর্বাভাস অনুযায়ী বিকেল ও রাতের বড় একটি সময়ে দেশে ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এনএস/জেএইচ