তিনি একাধারে ফ্যাশন ডিজাইনার, মডেল, প্রশিক্ষক। দীর্ঘদিন ধরে দেশের ফ্যাশন ও বিনোদন অঙ্গনে কাজ করে নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। এসব পরিচয়ের পাশাপাশি অভিনয়েও নিয়মিত হতে চান অ্যাডলফ খান।
এরইমধ্যে সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধও হয়েছেন।
আরও পড়ুন
সালমান শাহ করেছিলেন ৬০ শতাংশ শুটিং, সিনেমাটি শেষ করেন ওমর সানি
এবার অভিনয়ের প্রতি নিজের আগ্রহ এবং প্রিয় নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন অ্যাডলফ খান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে নিজের ভাবনার কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, কিংবদন্তি এই কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা বেঁচে থাকলে তাকে কাজে লাগাতেন বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
অ্যাডলফ খান বলেন, ‘আমি খুব ভালো করে জানি, আজকে যদি হুমায়ূন আহমেদ বেঁচে থাকতেন, উনি ঠিক আমার ক্যারেক্টারটা পিক করতেন। এটা আমি বিশ্বাস করি। হুমায়ূন আহমেদ যদি দেখতেন যে আমার মধ্যে অনেক কিছু করার ক্ষমতা আছে, আমি অনেক কিছু পারি, তাহলে তিনি কোনো না কোনোভাবে আমার প্রতিভাটাকে কাজে লাগাতেন।’
হুমায়ূন আহমেদের নাটক ও সিনেমার চরিত্রগুলোর বৈচিত্র্যের কথাও তুলে ধরেন অ্যাডলফ খান। তার ভাষায়, ‘তার নাটকের যতগুলো চরিত্র, এমনকি প্রতিটা কাজের লোক বা বুয়ার চরিত্রও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যেমন মতি মিয়ার চরিত্রটি। তার সৃষ্টির কোনো চরিত্রকে বাদ দিয়ে অন্য চরিত্রকে আলাদা করা যায় না। প্রত্যেকটা চরিত্রেরই আলাদা একটা গুরুত্ব ছিল।’
এডলফ মনে করেন, হুমায়ূন আহমেদের কাজের অন্যতম বিশেষত্ব ছিল সাধারণ মানুষের মধ্য থেকেও অসাধারণ চরিত্র তুলে আনা। আর সে কারণেই তার মতো একজন নির্মাতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেলে নিজের অভিনয় প্রতিভা আরও ভালোভাবে প্রকাশ করতে পারতেন বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
এডলফ বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদ বেঁচে থাকলে তার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ আমি অবশ্যই চাইতাম। সত্যি বলতে, তার সঙ্গে কাজ করার খুব ইচ্ছা ছিল। তিনি যে ধরনের চরিত্র তৈরি করতেন, সেসব চরিত্রের মধ্যে নিজেকে দেখার একটা ইচ্ছা আমার সবসময়ই ছিল।’
তিনি মনে করেন, মঞ্চ ও ফ্যাশন অঙ্গনে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা অভিনয়ের ক্ষেত্রেও তাকে এগিয়ে রাখবে। তাই সুযোগ পেলে নিয়মিত নাটক, সিনেমা কিংবা ওয়েব কনটেন্টে অভিনয় করতে চান তিনি।
আরও পড়ুন
সেই ঘড়ি এখন কোটি টাকা, তবু বড় ভাই সোহেল রানার ইচ্ছা পূরণ করলেন রুবেল
সম্প্রতি ‘গুলশানের চামেলি’ নামে একটা সিনেমায় অভিনয় জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন অ্যাডলফ খান।
এমআই/এলআইএ