একটি শিশু হারিয়ে যাওয়ার দৃশ্য কল্পনা করাও কঠিন। কিছুক্ষণ আগেও যে শিশুটি মায়ের হাত ধরে হাঁটছিল, হঠাৎ সেই হাতটি শূন্য। বাবা ভাবছেন, হয়তো পাশের দোকানে গেছে। মা ছুটছেন ঘরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। তারপর গলি, রাস্তা, বাজার, স্কুল, হাসপাতাল—যেখানে যতটুকু সম্ভাবনা, সেখানেই খোঁজ। মোবাইল ফোনে একের পর এক কল। শেষ পর্যন্ত থানায় গিয়ে একটি জিডি। তারপর অপেক্ষা। উৎকণ্ঠা। অনিশ্চয়তা। আর বুকের ভেতর একটাই প্রশ্ন—‘আমার সন্তান কোথায়?’
একটি শিশুর হারিয়ে যাওয়া কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। এটি একটি পরিবারের জন্য ভয়াবহ মানসিক বিপর্যয়; একই সঙ্গে রাষ্ট্রের শিশু সুরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থারও বড় পরীক্ষা। কিন্তু বাংলাদেশে শিশু হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা যেভাবে বাড়ছে, তাতে বিষয়টি আর বিচ্ছিন্ন পারিবারিক দুর্ভাগ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
সরকারের জাতীয় শিশু সহায়তা হেল্পলাইন নম্বর ১০৯৮-এর তথ্য এ ক্ষেত্রে উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরে। ২০২৪ সালে এই হেল্পলাইনে শিশু হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ৪ হাজার ১৩৭টি ফোনকল পাওয়া গেছে। ২০২৩ সালে এমন ফোনকল ছিল ২ হাজার ৭০টি; ২০২২ সালে ১ হাজার ৬৫৫, ২০২১ সালে ১ হাজার ৫০৪ এবং ২০২০ সালে ১ হাজার ২৭৪টি। অর্থাৎ চার বছরের ব্যবধানে শিশু হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে হেল্পলাইনে আসা ফোনকল তিন গুণেরও বেশি বেড়েছে।
তবে এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি—১০৯৮-এ পাওয়া ফোনকলের সংখ্যা সরাসরি নিখোঁজ শিশুর সংখ্যা নয়। একই ঘটনায় একাধিকবার ফোন করা হতে পারে, আবার অনেক পরিবার কোনো হেল্পলাইনেই যোগাযোগ করে না। ফলে বাস্তবে কত শিশু হারিয়ে যাচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আমাদের হাতে নেই। এটাই আরও বড় উদ্বেগের বিষয়।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর তথ্যও পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝায়। ২০২৪ সালে হারিয়ে যাওয়া-সংক্রান্ত বিষয়ে ৯৯৯-এ ৫ হাজার ৫১১টি ফোনকল এসেছে। এসব তথ্য থেকে অন্তত এটুকু স্পষ্ট যে শিশু হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজে একটি গুরুতর নিরাপত্তা ও সামাজিক সমস্যা হয়ে উঠছে। পুলিশ সূত্র বলছে, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে ১৫ হাজার ৯১৭টি শিশু নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
প্রশ্ন হলো, শিশুরা হারিয়ে যাচ্ছে কেন? তারা কোথায় যাচ্ছে? এর উত্তর এক কথায় দেওয়া সম্ভব নয়। কোনো শিশু পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি ছাড়ে, কেউ শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনের কারণে পালিয়ে যায়, কেউ দারিদ্র্যের কারণে পথশিশুতে পরিণত হয়। আবার কোনো কোনো শিশু অপহরণ, পাচার কিংবা অন্য অপরাধের শিকার হয়। কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন পরিচয়, প্রলোভন, প্রেমের সম্পর্ক কিংবা প্রতারণার ঘটনাও যুক্ত হচ্ছে।
পরিবারের ভেতরের পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানকে সারাক্ষণ ভয় দেখিয়ে, অপমান করে কিংবা মারধর করে নিয়ন্ত্রণ করা যায়—এমন ধারণা এখনো আমাদের সমাজে প্রবল। অথচ একটি শিশু যখন মনে করে, ‘বাড়িতে ফিরলে আমাকে মারধর করা হবে’, তখন সে হয়তো অপরিচিত কারও আশ্বাসকেই নিরাপদ মনে করতে পারে। সেই জায়গাটিই অপরাধীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক সুযোগ তৈরি করে।
আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না, যেখানে শিশুর ছবি দেয়ালে দেয়ালে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিংবা থানার নথিতে ঝুলে থাকবে, কিন্তু তার সন্ধান মিলবে না। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে একটি শিশুর হাত ছুটে গেলে রাষ্ট্রের হাত সঙ্গে সঙ্গে তাকে খুঁজতে এগিয়ে যাবে।
অন্যদিকে শহরের জনসমাগমপূর্ণ স্থানগুলো শিশু হারিয়ে যাওয়ার বড় ঝুঁকির জায়গা। বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট, মেলা, পার্ক, শপিংমল কিংবা বড় ধর্মীয় ও সামাজিক সমাবেশে মুহূর্তের অসতর্কতায় শিশুটি পরিবারের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। একটি শিশু ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে গেলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সে দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে যেতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—শিশু হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা কী করি? এই জায়গাতেই আমাদের বড় পরিবর্তন প্রয়োজন।
একটি শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিকভাবে নিখোঁজ ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রাথমিক সময়কে অত্যন্ত মূল্যবান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল। কারণ একটি শিশু নিজের অবস্থান জানাতে পারে না, বিপদের মাত্রা বুঝতে পারে না এবং অপরিচিত মানুষের ওপর সহজেই নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারে। তাই কোনো শিশু হারিয়ে গেলে পরিবারকে ‘দেখা যাবে’, ‘হয়তো ফিরে আসবে’—এমন ভেবে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। একইভাবে পুলিশের পক্ষ থেকেও পরিবারকে শুধু অপেক্ষা করতে বলা গ্রহণযোগ্য নয়।
কোনো কোনো পরিবার অভিযোগ করে, থানায় জিডি করার পর তাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করা হয়নি। কোথাও আবার উৎকণ্ঠিত মা-বাবাকে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহকে ডাকুন, দোয়া-দরুদ পড়ুন।’ প্রার্থনা মানুষের মানসিক শক্তির উৎস হতে পারে, কিন্তু একটি নিখোঁজ শিশুকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার। পরিবারকে দোয়া করতে বলার পাশাপাশি পুলিশকে মাঠে নামতে হবে।
একটি শিশু নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ছবি, নাম, বয়স, পোশাক, শারীরিক বর্ণনা, শেষ অবস্থান এবং সম্ভাব্য গতিপথ দ্রুত সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সব ইউনিটে পাঠানো দরকার। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা, রেলস্টেশন ও বাস টার্মিনালে তথ্য পাঠানো, হাসপাতাল ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খোঁজ নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে সীমান্তবর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করা উচিত।
প্রযুক্তিকে এ কাজে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব। বাংলাদেশে নিখোঁজ শিশুদের তথ্য নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন উদ্যোগ ইতিমধ্যে দেখিয়েছে, দ্রুত তথ্য ছড়িয়ে দিতে পারলে শিশুকে উদ্ধারের সম্ভাবনা বাড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পুলিশের নেতৃত্বে যাচাইকৃত তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। তবে কোনো শিশুর ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রেও তার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।
সব থানায় নিখোঁজ শিশুর জন্য দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা থাকা দরকার। একটি জিডি গ্রহণের পর সেটি যেন কাগজের ফাইলে আটকে না থাকে। জিডি নম্বরের সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম, যোগাযোগের নম্বর এবং অনুসন্ধানের অগ্রগতি পরিবারের কাছে জানানো যেতে পারে। শিশুটিকে খুঁজে পাওয়ার আগ পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময় পরপর অনুসন্ধানের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় জাতীয় ডাটাবেস তৈরি করা জরুরি, যেখানে নিখোঁজ ও উদ্ধার হওয়া শিশুদের তথ্য থাকবে। এতে পুলিশ, সমাজসেবা অধিদপ্তর, হাসপাতাল, রেলওয়ে পুলিশ, নৌপুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবে।
অভিভাবকদের দায়িত্বও কম নয়। সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে যাচ্ছে, কখন ফিরবে—এসব বিষয়ে বয়স অনুযায়ী সচেতনতা তৈরি করতে হবে। শিশুকে বাবা-মায়ের নাম, ফোন নম্বর ও ঠিকানা মনে রাখতে শেখানো দরকার। সাম্প্রতিক ছবি সংরক্ষণ করা উচিত। জনসমাগমপূর্ণ স্থানে শিশুকে একা ছেড়ে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে শিশুর সঙ্গে এমন সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে কোনো বিপদে সে প্রথমেই বাবা-মায়ের কাছে ফিরে আসতে চায়।
শিশুকে অপরিচিত মানুষের কাছ থেকে খাবার, উপহার বা কোথাও নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ না করার বিষয়ে শেখাতে হবে। তবে শুধু ‘অপরিচিত মানুষের সঙ্গে কথা বলবে না’—এমন ভয়ভিত্তিক শিক্ষা যথেষ্ট নয়। কারণ বাস্তবে বিপদের মানুষটি কখনো অপরিচিত, আবার কখনো পরিচিতও হতে পারে। তাই শিশুকে নিজের শরীর, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, সন্দেহজনক আচরণ এবং বিপদের সময় সাহায্য চাওয়ার বিষয়ে বয়সোপযোগী শিক্ষা দিতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের আগে স্কুল থেকে বের হলে বা দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকলে অভিভাবককে দ্রুত জানানো উচিত। স্কুলের প্রবেশ ও বের হওয়ার জায়গায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, দর্শনার্থী নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় সিসিটিভি থাকা দরকার। কোনো শিশু নিয়মিত মন খারাপ করছে, ভীত থাকছে কিংবা বাড়ি যেতে চাইছে না—এমন আচরণও শিক্ষক ও অভিভাবকদের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।
শিশু হারিয়ে যাওয়ার পেছনে যদি পারিবারিক নির্যাতন, দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ, পাচার, যৌন নির্যাতন কিংবা মাদকাসক্তির মতো কারণ থাকে, তাহলে শুধু শিশুকে উদ্ধার করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। তাকে আবার একই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ফিরিয়ে দিলে সে পুনরায় হারিয়ে যেতে পারে। তাই উদ্ধার-পরবর্তী পুনর্বাসন, কাউন্সেলিং, চিকিৎসা ও সামাজিক সহায়তার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
জরুরি পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের দ্রুত ৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবা এবং ১০৯৮ জাতীয় শিশু সহায়তা হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করা উচিত। তবে হেল্পলাইন শুধু ফোন নেওয়ার জায়গা হয়ে থাকলে হবে না; ফোনের তথ্য থেকে মাঠপর্যায়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে।
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য শিশুদের জন্য বাসযোগ্য যে পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেখানে শিশুরাই ছিল ভবিষ্যতের নির্মাতা। সেই পৃথিবীতে কোনো মা সন্ধ্যার পর দরজায় দাঁড়িয়ে সন্তানের ফেরার অপেক্ষায় কাঁদবেন না। কোনো বাবা রাতভর থানার সামনে বসে থাকবেন না। কোনো শিশুর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে মানুষকে বলতে হবে না—‘এই শিশুটিকে কেউ দেখেছেন?’ কিন্তু বাস্তবতা আমাদের সেই স্বপ্ন থেকে অনেক দূরে নিয়ে যাচ্ছে।
একটি শিশু হারিয়ে গেলে আমরা প্রায়ই বলি—‘কোথায় গেল?’ অথচ আরও বড় প্রশ্ন হওয়া উচিত—কেন সে হারিয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিতে পড়ল? কেন পরিবার তাকে নিরাপদ অনুভব করাতে পারল না? কেন জনসমাগমপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত নজরদারি ছিল না? কেন নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর রাষ্ট্রীয় যন্ত্র দ্রুত সক্রিয় হলো না? কেন একটি শিশুর ফিরে আসা ভাগ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভাইরাল হওয়া কিংবা কোনো ব্যক্তির উদ্যোগের ওপর নির্ভর করবে?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে হবে এখনই। কারণ হারিয়ে যাওয়া প্রতিটি শিশু শুধু একটি পরিবারের সন্তান নয়; সে রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নাগরিক। তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কোনো দয়া নয়, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। একটি শিশুকে হারানোর পর তাকে খুঁজতে যে সময় চলে যায়, তার প্রতিটি মিনিটের মূল্য আছে। আর একটি শিশুকে খুঁজে না পাওয়ার প্রতিটি দিন একটি পরিবারের জীবনে তৈরি করে দীর্ঘ অন্ধকার।
আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না, যেখানে শিশুর ছবি দেয়ালে দেয়ালে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিংবা থানার নথিতে ঝুলে থাকবে, কিন্তু তার সন্ধান মিলবে না। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে একটি শিশুর হাত ছুটে গেলে রাষ্ট্রের হাত সঙ্গে সঙ্গে তাকে খুঁজতে এগিয়ে যাবে।
শিশুদের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী কেবল কবিতার স্বপ্ন নয়; এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব, সমাজের অঙ্গীকার এবং আমাদের প্রত্যেকের মানবিক কর্তব্য। আজ একটি শিশুর হাত শক্ত করে ধরা মানে আগামী দিনের বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখা। আর সেই হাত একবার ছুটে গেলে—প্রতিটি সেকেন্ড হয়ে ওঠে ফিরে পাওয়ার শেষ আশার সেতু।
লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ। drharun.press@gmail.com
এইচআর/জেআইএম